
নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুকে ঘিরে এখনো বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। চলমান এই বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
ইরান হিউম্যান রাইটস জানায়, দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার হয়েছেন বহু বিক্ষোভকারী।
ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন ভয়াবহ দমন-পীড়ন সত্ত্বেও থামছে না বিক্ষোভ। টুইটারে পোস্ট করা বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, রাজধানী তেহরান, কোম, রাশত, সানন্দাজ, মাসজিদ-ই-সুলেমানসহ বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় শাসকদের পতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন হাজারো মানুষ।
এর আগে চলমান বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে রাইসি বলেন, ‘শত্রুরা জাতীয় ঐক্যকে লক্ষ্য করেছে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে জনগণকে দাঁড় করাতে চাইছে।’
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মাহসা আমিনি নামের কুর্দি তরুণীকে তেহরান থেকে গ্রেপ্তার করে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ (মোরালিটি পুলিশ)। তিন দিন পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপর ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাস, বেয়নেট, জলকামান ও গুলির মতো প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। বিক্ষোভে হতাহতের পাশাপাশি চলছে গণহারে গ্রেপ্তার। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দেশটিতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হচ্ছে।

নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুকে ঘিরে এখনো বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। চলমান এই বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
ইরান হিউম্যান রাইটস জানায়, দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার হয়েছেন বহু বিক্ষোভকারী।
ইরানি কর্তৃপক্ষের এমন ভয়াবহ দমন-পীড়ন সত্ত্বেও থামছে না বিক্ষোভ। টুইটারে পোস্ট করা বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, রাজধানী তেহরান, কোম, রাশত, সানন্দাজ, মাসজিদ-ই-সুলেমানসহ বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় শাসকদের পতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন হাজারো মানুষ।
এর আগে চলমান বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে রাইসি বলেন, ‘শত্রুরা জাতীয় ঐক্যকে লক্ষ্য করেছে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে জনগণকে দাঁড় করাতে চাইছে।’
উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মাহসা আমিনি নামের কুর্দি তরুণীকে তেহরান থেকে গ্রেপ্তার করে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ (মোরালিটি পুলিশ)। তিন দিন পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপর ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাস, বেয়নেট, জলকামান ও গুলির মতো প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। বিক্ষোভে হতাহতের পাশাপাশি চলছে গণহারে গ্রেপ্তার। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দেশটিতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হচ্ছে।

আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩১ মিনিট আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তান প্রদেশে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আজ শনিবার ভোরে পাঞ্জাবের সারগোধা জেলায় একটি ট্রাক খালে পড়ে গেলে ১৪ জন মারা যান। অন্যদিকে বেলুচিস্তানের ওরমারা মহকুমার কাছে একটি যাত্রীবাহী কোচ উল্টে ১০ জন নিহত হন।
২ ঘণ্টা আগে