
ফিলিস্তিনের ইসরায়েল অধিকৃত ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে আরও ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পশ্চিম তীরের জেনিনে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী আল-কুদস ব্রিগেড ও জেনিন ব্রিগেড জানিয়েছে, জেনিনের পশ্চিমাঞ্চলের কাফর দান গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসরায়েলি সৈন্যরা গুলি ও বিস্ফোরকের সাহায্যে তাদের ওপর আক্রমণ চালালে তারাও পাল্টা আক্রমণ চালায়। মূলত ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট গ্রামটিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে এই সংঘর্ষ হয়।
ইসরায়েলি বাহিনী কাফরদান গ্রামের একটি বাড়ির কিছু অংশ উড়িয়ে দেয়। এ সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তারা (ইসরায়েলি সৈন্যরা) আহতদের নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বাধা দেয় এবং তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী নারীসহ একটি পরিবারের সদস্যদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
ইসরায়েলি বাহিনী কাফরদান গ্রামটিতে অভিযান চালানোর সময় দুটি বাড়িকে ঘিরে রাখে। পরে সেই বাড়ি দুটি তারা এনেগ্রা গ্রেনেডের সাহায্যে ধসিয়ে দেয়। এ সময় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারও আকাশে টহল দিচ্ছিল।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর গুলিতে ছয়জন নিহতের ঘটনা নিশ্চিত করেছে। তাঁরা হলেন—সাকার আবেদ (২৮), আহমাদ সামুদি (২৪), আয়মান আবু ফাদালা (২৪), মোহাম্মদ মারেই (৩২), মুস্তফা মারেই (২১) এবং আহমদ আবু ওবেদ (২১)।
এর আগে, গত সোমবার সন্ধ্যায় ফিলিস্তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাফর নি’য়ামা গ্রামে অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে চার ফিলিস্তিনি মারা যান। ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর একদল সেনা কাফর নি’য়ামা গ্রামের কাছে একটি গাড়িতে গুলি চালিয়ে ওই চারজনকে হত্যা করে। পরে তারা ওই চারজনের মরদেহ নিয়ে যায়। কেবল তা-ই নয়, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাড়িতে গুলি চালানোর পাশাপাশি গ্রামেও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এ সময় আটজন আহত হন।
উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের অপর ভূখণ্ড গাজায় আট মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু ও নারী। এই সময়ে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া, আরও ৮ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছে।

ফিলিস্তিনের ইসরায়েল অধিকৃত ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে আরও ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় পশ্চিম তীরের জেনিনে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী আল-কুদস ব্রিগেড ও জেনিন ব্রিগেড জানিয়েছে, জেনিনের পশ্চিমাঞ্চলের কাফর দান গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসরায়েলি সৈন্যরা গুলি ও বিস্ফোরকের সাহায্যে তাদের ওপর আক্রমণ চালালে তারাও পাল্টা আক্রমণ চালায়। মূলত ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট গ্রামটিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে এই সংঘর্ষ হয়।
ইসরায়েলি বাহিনী কাফরদান গ্রামের একটি বাড়ির কিছু অংশ উড়িয়ে দেয়। এ সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তারা (ইসরায়েলি সৈন্যরা) আহতদের নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বাধা দেয় এবং তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী নারীসহ একটি পরিবারের সদস্যদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
ইসরায়েলি বাহিনী কাফরদান গ্রামটিতে অভিযান চালানোর সময় দুটি বাড়িকে ঘিরে রাখে। পরে সেই বাড়ি দুটি তারা এনেগ্রা গ্রেনেডের সাহায্যে ধসিয়ে দেয়। এ সময় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারও আকাশে টহল দিচ্ছিল।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর গুলিতে ছয়জন নিহতের ঘটনা নিশ্চিত করেছে। তাঁরা হলেন—সাকার আবেদ (২৮), আহমাদ সামুদি (২৪), আয়মান আবু ফাদালা (২৪), মোহাম্মদ মারেই (৩২), মুস্তফা মারেই (২১) এবং আহমদ আবু ওবেদ (২১)।
এর আগে, গত সোমবার সন্ধ্যায় ফিলিস্তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাফর নি’য়ামা গ্রামে অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে চার ফিলিস্তিনি মারা যান। ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর একদল সেনা কাফর নি’য়ামা গ্রামের কাছে একটি গাড়িতে গুলি চালিয়ে ওই চারজনকে হত্যা করে। পরে তারা ওই চারজনের মরদেহ নিয়ে যায়। কেবল তা-ই নয়, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাড়িতে গুলি চালানোর পাশাপাশি গ্রামেও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এ সময় আটজন আহত হন।
উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের অপর ভূখণ্ড গাজায় আট মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু ও নারী। এই সময়ে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া, আরও ৮ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে