
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল গাজায় ইসরায়েলি হামলা চলছে বিগত ১০৮ দিন ধরে। এই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ২৫ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই শিশু ও নারী। গাজার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া হামলার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী প্রায় ৬৫ হাজার টন বোমা ফেলেছে। ইসরায়েলের তরফ থেকে চালানো প্রায় একতরফা হামলায় এই সময়ে মারা গেছে প্রায় ২৫ হাজার ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি।
গাজা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু এবং সাড়ে ৭ হাজার নারী। গাজা কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে এখনো অনেক নিহত ব্যক্তিকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বের করা সম্ভব হয়নি। এই সময়ে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৬৩ হাজার মানুষ।
ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজায় ৭০ হাজার বাড়িঘর এক কথায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ২ লাখ ৯০ হাজার বাড়ি বা আবাসস্থল বসবাসের অযোগ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। সাধারণ অবকাঠামোর পাশাপাশি ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার স্বাস্থ্য অবকাঠামোও।
ইসরায়েলি হামলায় শতাধিক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয় বিধ্বস্ত হয়েছে, নয়তো সেবাদানের অযোগ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। এই সময়ে ৩৩৭ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। ৪৫ জন বেসামরিক সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীও নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন ১১৯ জন সাংবাদিক।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল গাজায় ইসরায়েলি হামলা চলছে বিগত ১০৮ দিন ধরে। এই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ২৫ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই শিশু ও নারী। গাজার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া হামলার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী প্রায় ৬৫ হাজার টন বোমা ফেলেছে। ইসরায়েলের তরফ থেকে চালানো প্রায় একতরফা হামলায় এই সময়ে মারা গেছে প্রায় ২৫ হাজার ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি।
গাজা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু এবং সাড়ে ৭ হাজার নারী। গাজা কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে এখনো অনেক নিহত ব্যক্তিকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বের করা সম্ভব হয়নি। এই সময়ে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৬৩ হাজার মানুষ।
ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজায় ৭০ হাজার বাড়িঘর এক কথায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং ২ লাখ ৯০ হাজার বাড়ি বা আবাসস্থল বসবাসের অযোগ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। সাধারণ অবকাঠামোর পাশাপাশি ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার স্বাস্থ্য অবকাঠামোও।
ইসরায়েলি হামলায় শতাধিক হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয় বিধ্বস্ত হয়েছে, নয়তো সেবাদানের অযোগ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে। এই সময়ে ৩৩৭ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। ৪৫ জন বেসামরিক সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীও নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন ১১৯ জন সাংবাদিক।

২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৪১ মিনিট আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
৩ ঘণ্টা আগে