
অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিপুল পরিমাণ জমি নিজেদের বলে অনুমোদন করেছে ইসরায়েল। একটি অধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সিএনএন জানিয়েছে, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির পর এবারই ইসরায়েল সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিজেদের বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।
অসলো চুক্তির বিভিন্ন শর্তের মধ্যে উল্লেখ ছিল, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ধীরে ধীরে সরে যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার উল্টো। প্রায় প্রতিবছরই ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে ইসরায়েলিদের ছিনিয়ে নেওয়া জমিগুলোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ।
নতুন ভূখণ্ড অনুমোদনের বিষয়ে ইসরায়েলি অধিকার সংস্থা ‘পিস নাউ’ একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে বেসামরিক ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট নতুন ভূখণ্ডের অনুমোদন দিয়েছে গত ২৫ জুন। তবে গতকাল বুধবারের আগ পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি।
পিস নাউ আরও জানিয়েছে, নতুন ঘোষণার আওতায় পশ্চিম তীরের পূর্বাঞ্চলে জেরিকো শহরের কাছাকাছি ১ হাজার ২৭০ হেক্টর (৩ হাজার ১৩৮ একর) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সরকারিভাবে ইসরায়েলের করে নেওয়া হয়েছে।
‘পিস নাউ’ অধিকার সংস্থাটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে। নতুন ভূখণ্ড দখলে নেওয়ার বিষয়ে গতকাল ঘোষণাটির নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি। তারা বলছে, এই ঘোষণা ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিগ্রহণ করা ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের দখল করা জমিগুলোকে অনুমোদ দিয়ে আসছে ইসরায়েল। একবার কোনো জমি সরকারিভাবে অনুমোদন করে নিলে পরবর্তী সময় এই জমিগুলোর ফিলিস্তিনি ব্যক্তিমালিকানাকে অস্বীকার করে ইসরায়েল।
পিস নাউয়ের বিবৃতির বিষয়ে সিএনএনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিপুল পরিমাণ জমি নিজেদের বলে অনুমোদন করেছে ইসরায়েল। একটি অধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সিএনএন জানিয়েছে, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির পর এবারই ইসরায়েল সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিজেদের বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।
অসলো চুক্তির বিভিন্ন শর্তের মধ্যে উল্লেখ ছিল, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ধীরে ধীরে সরে যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার উল্টো। প্রায় প্রতিবছরই ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে ইসরায়েলিদের ছিনিয়ে নেওয়া জমিগুলোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ।
নতুন ভূখণ্ড অনুমোদনের বিষয়ে ইসরায়েলি অধিকার সংস্থা ‘পিস নাউ’ একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে বেসামরিক ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট নতুন ভূখণ্ডের অনুমোদন দিয়েছে গত ২৫ জুন। তবে গতকাল বুধবারের আগ পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি।
পিস নাউ আরও জানিয়েছে, নতুন ঘোষণার আওতায় পশ্চিম তীরের পূর্বাঞ্চলে জেরিকো শহরের কাছাকাছি ১ হাজার ২৭০ হেক্টর (৩ হাজার ১৩৮ একর) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সরকারিভাবে ইসরায়েলের করে নেওয়া হয়েছে।
‘পিস নাউ’ অধিকার সংস্থাটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে। নতুন ভূখণ্ড দখলে নেওয়ার বিষয়ে গতকাল ঘোষণাটির নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি। তারা বলছে, এই ঘোষণা ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিগ্রহণ করা ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের দখল করা জমিগুলোকে অনুমোদ দিয়ে আসছে ইসরায়েল। একবার কোনো জমি সরকারিভাবে অনুমোদন করে নিলে পরবর্তী সময় এই জমিগুলোর ফিলিস্তিনি ব্যক্তিমালিকানাকে অস্বীকার করে ইসরায়েল।
পিস নাউয়ের বিবৃতির বিষয়ে সিএনএনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখতে শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। এই তিন উপসাগরীয় দেশের যৌথ উদ্যোগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘আরেকটি সুযোগ’ দিতে সম্মত হন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
৭ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাটলার র্যালিতে হওয়া হামলার ফুটেজ ও তাঁর রক্তাক্ত ছবি প্রচার করে এক ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। সম্প্রচারের সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বাক্য—এবার আর টার্গেট মিস হবে না (This time, the bullet won’t miss)।
২৮ মিনিট আগে
মাদুরোকে আটকের পর আজ হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন দেশটির প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তবে এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী একটি জাহাজ জব্দের খবর পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টেট ডিপার্টমেন্টের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যেসব আবেদনকারীর দুটি দেশের নাগরিকত্ব (দ্বৈত নাগরিক) রয়েছে এবং যাঁরা ভিসার জন্য আবেদন করছেন এমন একটি দেশের বৈধ পাসপোর্ট ব্যবহার করে, যে দেশটি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নেই—তাঁরা এই ভিসা স্থগিতের আওতায় পড়বেন না।
২ ঘণ্টা আগে