
ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। শান্তিতে নোবেলজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের এই নেত্রী ট্রাম্পের পদক্ষেপকে ‘মানবতা ও স্বাধীনতার পথে বড় অগগ্রতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে স্ত্রীসহ গত শনিবার ভোরে রাজধানী কারাকাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি আটককেন্দ্রে রাখা হয়। মাদক পাচার ও অস্ত্র-সংক্রান্ত অভিযোগে দুই দিন পর তাঁদের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে মাদুরো নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
এদিকে আজ মঙ্গলবার মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মাচাদো ফক্স নিউজকে বলেন, নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ, যিনি মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁকে ‘বিশ্বাস করা যায় না’।
মাচাদো যখন এই মন্তব্য করেন, তার কিছুক্ষণ আগেই নিউইয়র্কের ওই আদালতে মাদুরো তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আনা মাদক পাচার ও অস্ত্র-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। ৩০ মিনিটের শুনানিতে মাদুরো নিজেকে ‘অপহৃত প্রেসিডেন্ট’ এবং ‘যুদ্ধবন্দী’ দাবি করেন এবং ঘোষণা দেন, তিনি এখনো ভেনেজুয়েলার ‘বৈধ প্রেসিডেন্ট’।
তথ্যসূত্র: বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৬ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৯ মিনিট আগে