
যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় উঠে এসেছে ভারত। ২০২১ সালের শেষ তিন মাসের হিসেবে যুক্তরাজ্যকে টপকে গেছে দেশটি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতের সামনে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও জার্মানি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই হিসাব করা হয়েছে কোন দেশের কাছে কি পরিমাণ ডলার রয়েছে তার ভিত্তিতে। শিগগিরই যুক্তরাজ্যের পক্ষে ভারতকে টপকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ দেশটি এরই মধ্যে গত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা করছে। একই সঙ্গে দেশটিতে মন্দার ঝুঁকিও বাড়ছে।
এ পূর্বাভাসে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’ জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১ শতাংশ। এ ছাড়া ভারতের রুপির তুলনায় ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দামও বেশ কমেছে। রুপির বিপরীতে ডলারের দাম কমেছে ৮ শতাংশ।
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে—ভারতীয় অর্থনীতি এ বছরও ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। চলতি প্রান্তিকে বৈশ্বিক শেয়ার বাজারে ভারতীয় শেয়ারের দাম বাড়ছে। উদীয়মান বাজার সূচকে চীনের পরেই রয়েছে দেশটি। গত বুধবার ভারতের সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশটির অর্থনীতি ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
সম্প্রতি ইউক্রেন সংকট শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপের দেশগুলো বেশ কঠিন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ভারতকে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে না। দেশটি রাশিয়া থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল, সার, খাদ্যশস্য কিনছে। একই সঙ্গে পশ্চিমাদের সঙ্গেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। অনেক বিশ্লেষকই ভারতের এই সুবিধাজনক অবস্থানকে দেশটির এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন।

যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় উঠে এসেছে ভারত। ২০২১ সালের শেষ তিন মাসের হিসেবে যুক্তরাজ্যকে টপকে গেছে দেশটি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতের সামনে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও জার্মানি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই হিসাব করা হয়েছে কোন দেশের কাছে কি পরিমাণ ডলার রয়েছে তার ভিত্তিতে। শিগগিরই যুক্তরাজ্যের পক্ষে ভারতকে টপকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ দেশটি এরই মধ্যে গত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা করছে। একই সঙ্গে দেশটিতে মন্দার ঝুঁকিও বাড়ছে।
এ পূর্বাভাসে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’ জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১ শতাংশ। এ ছাড়া ভারতের রুপির তুলনায় ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ডের দামও বেশ কমেছে। রুপির বিপরীতে ডলারের দাম কমেছে ৮ শতাংশ।
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে—ভারতীয় অর্থনীতি এ বছরও ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। চলতি প্রান্তিকে বৈশ্বিক শেয়ার বাজারে ভারতীয় শেয়ারের দাম বাড়ছে। উদীয়মান বাজার সূচকে চীনের পরেই রয়েছে দেশটি। গত বুধবার ভারতের সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশটির অর্থনীতি ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
সম্প্রতি ইউক্রেন সংকট শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপের দেশগুলো বেশ কঠিন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ভারতকে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে না। দেশটি রাশিয়া থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল, সার, খাদ্যশস্য কিনছে। একই সঙ্গে পশ্চিমাদের সঙ্গেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। অনেক বিশ্লেষকই ভারতের এই সুবিধাজনক অবস্থানকে দেশটির এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন।

ভেনেজুয়েলায় দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে তা ভিয়েতনাম বা ইরাক যুদ্ধের মতো ভয়াবহ প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের লাতিন আমেরিকান স্টাডিজের অধ্যাপক ডেনিয়েল শ’।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের অর্থনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে দেশটির জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের মান কমে এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। আজ রোববার খোলা বাজারে এক মার্কিন ডলার কিনতে ব্যয় করতে হচ্ছে ১৪ লাখ রিয়াল। মুদ্রার এই অকল্পনীয় পতনের প্রতিবাদে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারসহ প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে
১ ঘণ্টা আগে
নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দেশটির বিপুল তেলসম্পদ। এক ঘণ্টাব্যাপী সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বারবার বলেছেন—
২ ঘণ্টা আগে
ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যান্ডি কিম পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে কংগ্রেসে মিথ্যা বলার অভিযোগ এনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের চোখে চোখ রেখে বলেছিল যে তারা শাসন পরিবর্তনের পক্ষপাতী নয়। আজ প্রমাণ হলো তারা ডাহা মিথ্যা বলেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে