
ভারত ও বাংলাদেশে আটক উভয় দেশের জেলেদের পারস্পরিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া গতকাল শনিবার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে বন্দীদের মুক্তি দিয়েছে। ভারতীয় কোস্ট গার্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৯৫ জন ভারতীয় এবং ৯০ জন বাংলাদেশি জেলে একে অপরের দেশ থেকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা রেখার দিকে রওনা দিয়েছেন। আর রোববার দুপুরে তাঁদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা রেখার কাছে হস্তান্তর ও গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভারতীয় উপকূলে পৌঁছাতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। আশা করি, ভারতীয় জেলেরা ৬ জানুয়ারি সকালে এখানে পৌঁছাবেন।’
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেলেদের সাগর দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের স্বাগত জানাবেন। মমতা সাগর মেলার প্রস্তুতি তদারক করতে দ্বীপটি পরিদর্শন করবেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্দিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।’
কাকদ্বীপের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মন্তুরাম পাখিরাও মমতার জেলেদের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা নিশ্চিত করেছেন।
গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় চারটি ট্রলারে থাকা ৬৪ জন ভারতীয় জেলে গ্রেপ্তার হন। পরে পটুয়াখালী জেলায় আরও দুটি ট্রলারে থাকা ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাংলাদেশে তাঁরা কয়েক মাস বন্দী থাকার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক মৎস্যজীবী সংগঠন অভিযোগ করে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নতুন সরকার অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠোর হয়েছে।
সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘আগে বাংলাদেশের উপকূল প্রশাসন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা ভুলবশত অতিক্রম করা জেলেদের ফিরিয়ে দিত...এবার অপ্রয়োজনীয়ভাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশি আদালতে বন্দীদের মুক্তির জন্য মৎস্যজীবীদের সংগঠন একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিলেও তা সফল হয়নি। গত ২ ডিসেম্বর বিধানসভায় দেওয়া এক বক্তব্যে মমতা দুঃখ প্রকাশ করেন যে তাঁর সরকার প্রতিবেশী দেশে জেলেদের পরিবারকে আইনি সহায়তা প্রদানে সহযোগিতা করলেও কেন্দ্র এ বিষয়ে বিশেষ কিছু করেনি।
জেলেদের সংগঠন যখন বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছিল, তখন ভারতীয় কোস্ট গার্ড ওডিশার পারাদ্বীপের কাছে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করা ৭৮ জন বাংলাদেশি জেলেকে গ্রেপ্তার করে। একটি সূত্র বলেছে, ‘আরও প্রায় ১২ জন বাংলাদেশি জেলে আগে গ্রেপ্তার হয়েছিল...আমাদের হেফাজতে প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশি থাকায় আমাদের জেলেদের মুক্তির জন্য দর-কষাকষি শুরু করা সহজ হয়েছিল।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অবশেষে, উভয় সরকার সামুদ্রিক সীমানা রেখায় বিনিময় প্রক্রিয়া চালু করার জন্য একমত হয়।’
ভারতীয় জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ২৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আটক ৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার মধ্যে দিয়ে এই প্রক্রিয়ার সূচনা হয়। পরে ভারত সরকারও ৯০ জন বাংলাদেশি জেলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে। অবশেষে, দুই দেশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ৫ জানুয়ারি যৌথ প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নের জন্য সম্মত হন।

ভারত ও বাংলাদেশে আটক উভয় দেশের জেলেদের পারস্পরিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া গতকাল শনিবার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে বন্দীদের মুক্তি দিয়েছে। ভারতীয় কোস্ট গার্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৯৫ জন ভারতীয় এবং ৯০ জন বাংলাদেশি জেলে একে অপরের দেশ থেকে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা রেখার দিকে রওনা দিয়েছেন। আর রোববার দুপুরে তাঁদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা রেখার কাছে হস্তান্তর ও গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভারতীয় উপকূলে পৌঁছাতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। আশা করি, ভারতীয় জেলেরা ৬ জানুয়ারি সকালে এখানে পৌঁছাবেন।’
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেলেদের সাগর দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের স্বাগত জানাবেন। মমতা সাগর মেলার প্রস্তুতি তদারক করতে দ্বীপটি পরিদর্শন করবেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্দিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।’
কাকদ্বীপের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মন্তুরাম পাখিরাও মমতার জেলেদের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা নিশ্চিত করেছেন।
গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় চারটি ট্রলারে থাকা ৬৪ জন ভারতীয় জেলে গ্রেপ্তার হন। পরে পটুয়াখালী জেলায় আরও দুটি ট্রলারে থাকা ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাংলাদেশে তাঁরা কয়েক মাস বন্দী থাকার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক মৎস্যজীবী সংগঠন অভিযোগ করে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নতুন সরকার অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠোর হয়েছে।
সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘আগে বাংলাদেশের উপকূল প্রশাসন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সীমানা ভুলবশত অতিক্রম করা জেলেদের ফিরিয়ে দিত...এবার অপ্রয়োজনীয়ভাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশি আদালতে বন্দীদের মুক্তির জন্য মৎস্যজীবীদের সংগঠন একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিলেও তা সফল হয়নি। গত ২ ডিসেম্বর বিধানসভায় দেওয়া এক বক্তব্যে মমতা দুঃখ প্রকাশ করেন যে তাঁর সরকার প্রতিবেশী দেশে জেলেদের পরিবারকে আইনি সহায়তা প্রদানে সহযোগিতা করলেও কেন্দ্র এ বিষয়ে বিশেষ কিছু করেনি।
জেলেদের সংগঠন যখন বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছিল, তখন ভারতীয় কোস্ট গার্ড ওডিশার পারাদ্বীপের কাছে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করা ৭৮ জন বাংলাদেশি জেলেকে গ্রেপ্তার করে। একটি সূত্র বলেছে, ‘আরও প্রায় ১২ জন বাংলাদেশি জেলে আগে গ্রেপ্তার হয়েছিল...আমাদের হেফাজতে প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশি থাকায় আমাদের জেলেদের মুক্তির জন্য দর-কষাকষি শুরু করা সহজ হয়েছিল।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অবশেষে, উভয় সরকার সামুদ্রিক সীমানা রেখায় বিনিময় প্রক্রিয়া চালু করার জন্য একমত হয়।’
ভারতীয় জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ২৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আটক ৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার মধ্যে দিয়ে এই প্রক্রিয়ার সূচনা হয়। পরে ভারত সরকারও ৯০ জন বাংলাদেশি জেলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে। অবশেষে, দুই দেশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ৫ জানুয়ারি যৌথ প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নের জন্য সম্মত হন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে