আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার সায়েন্সে স্কলারশিপ পাওয়ার পর ব্যাগ গোছানো শুরু করেছিলেন পরিধি উপাধ্যায়। কিন্তু গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার কড়াকড়ির খবর পেয়ে ভারতের লক্ষ্ণৌতে তাঁর পরিবার সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়।
১৮ বছর বয়সী পরিধির বাবা রুদ্র প্রতাপ বলেন, ‘অভিবাসীদের ওপর ট্রাম্পের এই অবিরাম আঘাত আমাদের বাধ্য করছে ওর জন্য অন্য কোনো গন্তব্য খুঁজতে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পরিধির মতো হাজার হাজার ভারতীয়র জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা, আকর্ষণীয় পেশা, উন্নত জীবনমান ও সামাজিক গতিশীলতার যে আমেরিকান স্বপ্ন ছিল, তা এখন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি দিনকে দিন কঠোর হচ্ছে এবং এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
কয়েক দশক ধরে এইচ-১বি ভিসা ছিল নতুন জীবনের প্রবেশদ্বার। ভারত, চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের জন্য এটি উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্থায়ী বসবাসের সুযোগ এনে দিত।
কিন্তু গত সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, নতুন এইচ-১বি ভিসার আবেদন করতে খরচ পড়বে এক লাখ ডলার, যেখানে এত দিন নিয়োগকর্তাদের ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মতো খরচ হতো।
লক্ষ্ণৌ থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে টেক্সাসের ডালাসে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করছেন এক ভারতীয় শিক্ষার্থী। তিনি ৮০ হাজার ডলারের ঋণে জর্জরিত এবং তাঁর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
সেই শিক্ষার্থী তাঁর নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য হলো ডিগ্রি শেষ করা, একটি ইন্টার্নশিপ খোঁজা এবং আমার ঋণ শোধ করার চেষ্টা করা।’
ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘আমি কানাডা বা ইউরোপে চলে যাব—এমন কোথাও, যেখানে আমাদের সত্যি প্রয়োজন আছে।’
এইচ-১বি ভিসা: প্রবেশপথ কি বন্ধ হচ্ছে
যেখানে সমর্থকেরা মনে করেন, এইচ-১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষ জনশক্তি নিয়ে আসে, সেখানে ট্রাম্পের দাবি, এটি স্থানীয় কর্মীদের মজুরি কমিয়ে দেয় এবং যোগ্য মার্কিন নাগরিকদের চাকরির বাইরে ঠেলে দেয়। ফলে এটি দেশটির সবচেয়ে বিতর্কিত অভিবাসন নীতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
অনেক নামকরা ভারতীয় এই কর্মসূচির সুবিধা নিয়েছেন—মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা, আইবিএমের প্রধান নির্বাহী অরবিন্দ কৃষ্ণ এবং গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই। তাঁরা সবাই ছাত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এইচ-১বি ভিসার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিল ভারত, অনুমোদিত ভিসাধারীদের মধ্যে যার অংশ ছিল ৭১ শতাংশ। চীন ছিল অনেকটা পিছিয়ে, মাত্র ১১.৭ শতাংশ।
সাধারণত তিন বছরের জন্য দেওয়া হয় এইচ-১বি ভিসা, যা আরও তিন বছর বাড়ানো যায়। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো লাখ লাখ দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়েছে স্থানীয় কর্মক্ষেত্রে দক্ষ জনবলঘাটতি পূরণ করতে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা বিদেশি শিক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ কর্মসূচি ব্যবহার করে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং পরে এইচ-১বি ভিসা নেন। এ ভিসাই হয়ে ওঠে দীর্ঘমেয়াদি চাকরির এবং অনেকের ক্ষেত্রে বহুল কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নাগরিকত্ব বা গ্রিন কার্ডের সেতুবন্ধন।
তবে এখন তরুণ ভারতীয়রা যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবন নিয়ে নতুন করে ভাবছেন এবং অভিবাসনবান্ধব অন্য দেশগুলো খুঁজছেন—এমনটাই মত শিক্ষা পরামর্শক, অধ্যাপক ও শিক্ষার্থীদের।
আইডিপি এডুকেশনের পীয়ুষ কুমার বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এখন ‘অপেক্ষা ও দেখার’ অবস্থানে আছেন। তাঁরা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো বিকল্প দেশ বিবেচনা করছেন।
ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেছেন ৪ লাখ ৬৫ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী, যা বিদেশে যাওয়া ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বাধিক। এর পরের অবস্থানে ছিল কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।
ইউনিপ্ল্যানেট ওভারসিজ এডুকেশনের ম্যানেজিং পার্টনার পাতলোল্লা ভারত রেড্ডি বলেন, শিক্ষার্থীরা শুরুতেই বিকল্প পরিকল্পনা চাচ্ছেন। কারণ, বিনিয়োগের সঠিক প্রতিফলন এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার সায়েন্সে স্কলারশিপ পাওয়ার পর ব্যাগ গোছানো শুরু করেছিলেন পরিধি উপাধ্যায়। কিন্তু গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার কড়াকড়ির খবর পেয়ে ভারতের লক্ষ্ণৌতে তাঁর পরিবার সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়।
১৮ বছর বয়সী পরিধির বাবা রুদ্র প্রতাপ বলেন, ‘অভিবাসীদের ওপর ট্রাম্পের এই অবিরাম আঘাত আমাদের বাধ্য করছে ওর জন্য অন্য কোনো গন্তব্য খুঁজতে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পরিধির মতো হাজার হাজার ভারতীয়র জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা, আকর্ষণীয় পেশা, উন্নত জীবনমান ও সামাজিক গতিশীলতার যে আমেরিকান স্বপ্ন ছিল, তা এখন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি দিনকে দিন কঠোর হচ্ছে এবং এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
কয়েক দশক ধরে এইচ-১বি ভিসা ছিল নতুন জীবনের প্রবেশদ্বার। ভারত, চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের জন্য এটি উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্থায়ী বসবাসের সুযোগ এনে দিত।
কিন্তু গত সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, নতুন এইচ-১বি ভিসার আবেদন করতে খরচ পড়বে এক লাখ ডলার, যেখানে এত দিন নিয়োগকর্তাদের ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মতো খরচ হতো।
লক্ষ্ণৌ থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে টেক্সাসের ডালাসে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করছেন এক ভারতীয় শিক্ষার্থী। তিনি ৮০ হাজার ডলারের ঋণে জর্জরিত এবং তাঁর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
সেই শিক্ষার্থী তাঁর নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য হলো ডিগ্রি শেষ করা, একটি ইন্টার্নশিপ খোঁজা এবং আমার ঋণ শোধ করার চেষ্টা করা।’
ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘আমি কানাডা বা ইউরোপে চলে যাব—এমন কোথাও, যেখানে আমাদের সত্যি প্রয়োজন আছে।’
এইচ-১বি ভিসা: প্রবেশপথ কি বন্ধ হচ্ছে
যেখানে সমর্থকেরা মনে করেন, এইচ-১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষ জনশক্তি নিয়ে আসে, সেখানে ট্রাম্পের দাবি, এটি স্থানীয় কর্মীদের মজুরি কমিয়ে দেয় এবং যোগ্য মার্কিন নাগরিকদের চাকরির বাইরে ঠেলে দেয়। ফলে এটি দেশটির সবচেয়ে বিতর্কিত অভিবাসন নীতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
অনেক নামকরা ভারতীয় এই কর্মসূচির সুবিধা নিয়েছেন—মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা, আইবিএমের প্রধান নির্বাহী অরবিন্দ কৃষ্ণ এবং গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই। তাঁরা সবাই ছাত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এইচ-১বি ভিসার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিল ভারত, অনুমোদিত ভিসাধারীদের মধ্যে যার অংশ ছিল ৭১ শতাংশ। চীন ছিল অনেকটা পিছিয়ে, মাত্র ১১.৭ শতাংশ।
সাধারণত তিন বছরের জন্য দেওয়া হয় এইচ-১বি ভিসা, যা আরও তিন বছর বাড়ানো যায়। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো লাখ লাখ দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়েছে স্থানীয় কর্মক্ষেত্রে দক্ষ জনবলঘাটতি পূরণ করতে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা বিদেশি শিক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ কর্মসূচি ব্যবহার করে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং পরে এইচ-১বি ভিসা নেন। এ ভিসাই হয়ে ওঠে দীর্ঘমেয়াদি চাকরির এবং অনেকের ক্ষেত্রে বহুল কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী নাগরিকত্ব বা গ্রিন কার্ডের সেতুবন্ধন।
তবে এখন তরুণ ভারতীয়রা যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবন নিয়ে নতুন করে ভাবছেন এবং অভিবাসনবান্ধব অন্য দেশগুলো খুঁজছেন—এমনটাই মত শিক্ষা পরামর্শক, অধ্যাপক ও শিক্ষার্থীদের।
আইডিপি এডুকেশনের পীয়ুষ কুমার বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এখন ‘অপেক্ষা ও দেখার’ অবস্থানে আছেন। তাঁরা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো বিকল্প দেশ বিবেচনা করছেন।
ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেছেন ৪ লাখ ৬৫ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী, যা বিদেশে যাওয়া ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বাধিক। এর পরের অবস্থানে ছিল কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।
ইউনিপ্ল্যানেট ওভারসিজ এডুকেশনের ম্যানেজিং পার্টনার পাতলোল্লা ভারত রেড্ডি বলেন, শিক্ষার্থীরা শুরুতেই বিকল্প পরিকল্পনা চাচ্ছেন। কারণ, বিনিয়োগের সঠিক প্রতিফলন এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
৩ মিনিট আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৩ মিনিট আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
৪ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৬ ঘণ্টা আগে