
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘মাছ’ ইস্যু। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে এ নিয়ে চলছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য।
বিধাননগর আসনে বিজেপি প্রার্থী ডা. শরদ্বত মুখার্জি ৫ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ হাতে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বিজেপি মাছ বা আমিষ খাবারের বিরুদ্ধে নয়। তৃণমূলের এই অভিযোগ খণ্ডন করতেই এমন প্রচার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার বীরভূমে এক সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওরা (বিজেপি) আপনাদের মাছ খেতে দেবে না। মাংস, ডিম খেতে পারবেন না, বাংলায় কথা বললেও আপনাকে বাংলাদেশি বলা হবে।’
তবে কলকাতার মাছবাজারে এ বিষয়টিকে রাজনীতির অংশ করতে চান না সাধারণ ক্রেতারা।
স্থানীয় বাসিন্দা মানব মুখার্জি এনডিটিভিকে জানান, তিনি প্রতিদিন মাছ খান এবং ভালো মাছ পেলে বেশি দাম দিতেও রাজি। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতো লড়াই করুক, কিন্তু আমাদের প্লেট থেকে মাছ সরানো যাবে না।’
অন্যদিকে, দুপুরের রান্নার জন্য চিংড়ি কিনতে আসা রত্না দাস জানান, ইরান যুদ্ধের কারণে গ্যাস সংকট ও সবজির দাম বাড়া নিয়েই তিনি বেশি চিন্তিত। তিনি বলেন, ‘যে দল মাছ খেতে দেবে না, তাদের ভোট দেব না।’
এ বিষয়ে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ সভাপতি ও রাজ্যসভার সদস্য শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মাছ বিক্রি বা খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ‘মা কালী মাংস খাবেন।’ সব বাঙালি ও বিহারিরা মাংস খাবেন। কেউ বাধা দিতে এলে আমি প্রতিহত করব।’
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বছরে ৮ লাখ ৩৬ হাজার টন মাছ খাওয়া হয়, যা জাতীয় গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। এদের মোট খাদ্য ব্যয়ের ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ জুড়েই রয়েছে মাছ ও মাংস। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি সংস্কৃতিতে মাছ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে বিয়েতে শুভ লক্ষণ হিসেবে কনের বাড়ি থেকে বরের বাড়িতেও মাছ পাঠানো হয়।

গাজার দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ তাঁবু শিবিরগুলোতে সিগারেট জ্বালানোর সাধারণ একটি ডিসপোজিবল লাইটারই এখন হয়ে উঠেছে দুর্লভ ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এক পণ্য। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে—খাবার, পানি ও জ্বালানির মতোই দৈনন্দিন জীবন টিকিয়ে রাখতে লাইটারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে গাজা
১৭ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নতুন আকার ধারণ করেছে। এর ফলে মে মাসের পর এই প্রথম বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কাও তৈরি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) একাধিক স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেছেন। তারা খতিয়ে দেখছেন, এই হামলায় রাশিয়া কোনোভাবে ইরানকে তথ্য সরবরাহ করে কিংবা উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করেছে কি না।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের জেরে লোহিতসাগরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের ঘটনায় আবারও তেলের বাজার ব্যাপক অস্থির হয়ে উঠেছে। গত এক মাসে তেলের দাম বেড়েছে ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলারের বেশি।
২ ঘণ্টা আগে