
দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতের কংগ্রেস পার্টির সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক উদ্দীপনা। দলের দুই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং শশী থারুর এ পদের জন্য লড়ছেন। তবে গান্ধী পরিবারের কেউই এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। এই নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে এ কারণেও যে, দুই দশকেরও বেশি সময় পর গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ একজন ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি হতে যাচ্ছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এর আগে ২০০০ সালে জিতেন্দ্র প্রসাদকে হারিয়ে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। এরপর বিনা ভোটেই কংগ্রেসের সভাপতি হন রাহুল গান্ধী। কিন্তু ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট রাহুল লোকসভা ভোটে পরাজিত হয়ে সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলে সোনিয়াকেই ফের দায়িত্ব নিতে হয়। এরপর প্রায় তিন বছর আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সভাপতি পদে নির্বাচন। নেতা-কর্মীদের শত অনুরোধেও গান্ধী পরিবারের কেউ এবার ভোটে দাঁড়াননি।
কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ‘সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের সকল ব্যবস্থা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।’
যেভাবে হয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন
সারা দেশের ৯ হাজারেও বেশি প্রদেশের কংগ্রেস কমিটির প্রতিনিধিরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দলীয় প্রধান নির্বাচন করেন। এই প্রতিনিধিরা পাঁচ বছর পর পর সংগঠনের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন।
দলের সদর দপ্তর দিল্লি ছাড়াও সমগ্র দেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তর ছাড়াও সারা ভারতের ৬৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং শশী থারুর নিজ নিজ রাজ্য কর্ণাটক এবং কেরালায় তাঁদের ভোট দেবেন।
এ ছাড়াও দিল্লিতে সেই প্রতিনিধিরাই তাঁদের ভোট দিতে পারেন যাঁরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আগে থেকেই তাঁদের নিজের রাজ্যের পরিবর্তে দিল্লিতে ভোট দেওয়ার অনুমতি পেয়ে থাকেন।
ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে গেলে সিল করা ভোটবাকশোগুলো আগামীকাল মঙ্গলবার দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং খোলার আগে দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে একটি স্ট্রং রুমে রাখা হবে। এরপর বুধবারে ভোট গণনা শুরু হবে। ওই দিনই ভোটের ফলাফল জানা যাবে। যিনি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাবেন তিনি কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতের কংগ্রেস পার্টির সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক উদ্দীপনা। দলের দুই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং শশী থারুর এ পদের জন্য লড়ছেন। তবে গান্ধী পরিবারের কেউই এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। এই নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে এ কারণেও যে, দুই দশকেরও বেশি সময় পর গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ একজন ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি হতে যাচ্ছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এর আগে ২০০০ সালে জিতেন্দ্র প্রসাদকে হারিয়ে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। এরপর বিনা ভোটেই কংগ্রেসের সভাপতি হন রাহুল গান্ধী। কিন্তু ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট রাহুল লোকসভা ভোটে পরাজিত হয়ে সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলে সোনিয়াকেই ফের দায়িত্ব নিতে হয়। এরপর প্রায় তিন বছর আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সভাপতি পদে নির্বাচন। নেতা-কর্মীদের শত অনুরোধেও গান্ধী পরিবারের কেউ এবার ভোটে দাঁড়াননি।
কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ‘সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের সকল ব্যবস্থা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।’
যেভাবে হয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন
সারা দেশের ৯ হাজারেও বেশি প্রদেশের কংগ্রেস কমিটির প্রতিনিধিরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দলীয় প্রধান নির্বাচন করেন। এই প্রতিনিধিরা পাঁচ বছর পর পর সংগঠনের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন।
দলের সদর দপ্তর দিল্লি ছাড়াও সমগ্র দেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তর ছাড়াও সারা ভারতের ৬৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং শশী থারুর নিজ নিজ রাজ্য কর্ণাটক এবং কেরালায় তাঁদের ভোট দেবেন।
এ ছাড়াও দিল্লিতে সেই প্রতিনিধিরাই তাঁদের ভোট দিতে পারেন যাঁরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আগে থেকেই তাঁদের নিজের রাজ্যের পরিবর্তে দিল্লিতে ভোট দেওয়ার অনুমতি পেয়ে থাকেন।
ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে গেলে সিল করা ভোটবাকশোগুলো আগামীকাল মঙ্গলবার দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং খোলার আগে দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে একটি স্ট্রং রুমে রাখা হবে। এরপর বুধবারে ভোট গণনা শুরু হবে। ওই দিনই ভোটের ফলাফল জানা যাবে। যিনি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাবেন তিনি কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে