কলকাতা সংবাদদাতা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এনেছেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী। আজ রোববার নয়া দিল্লিতে ক্ষমতাসীন বিজেপি বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও’ মিছিল শেষে মোদীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন রাহুল।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও’—শীর্ষক মিছিলের আয়োজন করে। রাজনীতি বিশ্লেষকেরা লোকসভা নির্বাচনের আগে এই মিছিলকে ইন্ডিয়া জোটের শক্তি প্রদর্শনের মহড়া হিসেবে মনে করছেন।
রাহুল গান্ধী কারাবন্দী দুই মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির কেজরিওয়াল ও ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সরেনকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এরই মধ্যে দুজন খেলোয়াড়কে জেলবন্দী করা হয়েছে।’ নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে মোদী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করেছেন ইঙ্গিত দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন বিজেপি ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ করছে। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী ৪০০ আসন পার হতে আম্পায়ার বেছে নিয়েছেন।’ এ সময় তিনি মোদীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনারদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন।
কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আনা আয়কর বিভাগের নোটিশের প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের অ্যাকাউন্টগুলো সিল করা হয়েছে। বারবার আইটি (ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এই পদক্ষেপ–নির্বাচনের ৬ মাস আগে না করে কেন ঠিক নির্বাচনের মুখেই করা হলো।
কংগ্রেসের এই নেতা আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে। নির্বাচন প্রচারে ব্যয়ের মতো টাকা আমাদের নেই। নেতাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, (বিভিন্ন রাজ্যে) সরকার পতনের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের একটি চেষ্টা। এই ম্যাচ ফিক্সিং করছেন নরেন্দ্র মোদী ও কয়েকজন ব্যবসায়ী।’
বিশ্বের কোনো শক্তিই ভারতের মানুষের কণ্ঠকে দমন করতে পারবে না উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের লড়াই সংবিধান বাঁচানোর লড়াই।’ রাহুল আরও বলেন, ‘৪০ বছরের মধ্যে দেশের বেকারত্ব সর্বোচ্চ। বিজেপি দেশের সংবিধান মুছে ফেলতে চায়, কারণ তাদের উদ্দেশ্য জনগণের টাকা ছিনতাই করা। জাত শুমারি (ভারতের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর লোকসংখ্যা গণনা), বেকারত্ব ও কৃষকদের এমএসপি (কৃষির পণ্যে সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ) দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
কংগ্রেসের সাবেক এই সভাপতি আরও বলেন, ‘গরিব মানুষের হাত থেকে দেশের সংবিধান কেড়ে নেওয়ার জন্য ম্যাচ ফিক্সিং করা হচ্ছে। যেদিন সংবিধান শেষ হবে, দেশ আর বাঁচবে না। সংবিধান দেশের মানুষের কণ্ঠস্বর। যেদিন সংবিধান শেষ হবে সেদিন আলাদা রাষ্ট্র হবে। এটাই বিজেপির লক্ষ্য।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ‘সংবিধান না থাকলে এজেন্সি দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশ চালানো যায়। মিডিয়ার কণ্ঠস্বর কিনে নিতে পারলেও জনগণের কণ্ঠকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এনেছেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী। আজ রোববার নয়া দিল্লিতে ক্ষমতাসীন বিজেপি বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও’ মিছিল শেষে মোদীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন রাহুল।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও’—শীর্ষক মিছিলের আয়োজন করে। রাজনীতি বিশ্লেষকেরা লোকসভা নির্বাচনের আগে এই মিছিলকে ইন্ডিয়া জোটের শক্তি প্রদর্শনের মহড়া হিসেবে মনে করছেন।
রাহুল গান্ধী কারাবন্দী দুই মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির কেজরিওয়াল ও ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সরেনকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এরই মধ্যে দুজন খেলোয়াড়কে জেলবন্দী করা হয়েছে।’ নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে মোদী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করেছেন ইঙ্গিত দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন বিজেপি ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ করছে। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী ৪০০ আসন পার হতে আম্পায়ার বেছে নিয়েছেন।’ এ সময় তিনি মোদীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনারদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন।
কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আনা আয়কর বিভাগের নোটিশের প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের অ্যাকাউন্টগুলো সিল করা হয়েছে। বারবার আইটি (ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এই পদক্ষেপ–নির্বাচনের ৬ মাস আগে না করে কেন ঠিক নির্বাচনের মুখেই করা হলো।
কংগ্রেসের এই নেতা আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে। নির্বাচন প্রচারে ব্যয়ের মতো টাকা আমাদের নেই। নেতাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, (বিভিন্ন রাজ্যে) সরকার পতনের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের একটি চেষ্টা। এই ম্যাচ ফিক্সিং করছেন নরেন্দ্র মোদী ও কয়েকজন ব্যবসায়ী।’
বিশ্বের কোনো শক্তিই ভারতের মানুষের কণ্ঠকে দমন করতে পারবে না উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের লড়াই সংবিধান বাঁচানোর লড়াই।’ রাহুল আরও বলেন, ‘৪০ বছরের মধ্যে দেশের বেকারত্ব সর্বোচ্চ। বিজেপি দেশের সংবিধান মুছে ফেলতে চায়, কারণ তাদের উদ্দেশ্য জনগণের টাকা ছিনতাই করা। জাত শুমারি (ভারতের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর লোকসংখ্যা গণনা), বেকারত্ব ও কৃষকদের এমএসপি (কৃষির পণ্যে সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ) দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা।’
কংগ্রেসের সাবেক এই সভাপতি আরও বলেন, ‘গরিব মানুষের হাত থেকে দেশের সংবিধান কেড়ে নেওয়ার জন্য ম্যাচ ফিক্সিং করা হচ্ছে। যেদিন সংবিধান শেষ হবে, দেশ আর বাঁচবে না। সংবিধান দেশের মানুষের কণ্ঠস্বর। যেদিন সংবিধান শেষ হবে সেদিন আলাদা রাষ্ট্র হবে। এটাই বিজেপির লক্ষ্য।’
ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ‘সংবিধান না থাকলে এজেন্সি দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশ চালানো যায়। মিডিয়ার কণ্ঠস্বর কিনে নিতে পারলেও জনগণের কণ্ঠকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’

গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২৩ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪ ঘণ্টা আগে