
ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের নতুন পরিকল্পনা ‘অগ্নিপথ’ নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন চলছে দেশটিতে। এরই মধ্যে দেশব্যাপী বন্ধ্ বা হরতালের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই বন্ধ্ ঘোষণার পর পূর্বসতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ভারতজুড়ে প্রায় ৬০০ ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এতে বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে দেশটির রেল কর্তৃপক্ষ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতজুড়ে আন্দোলন চললেও ভারতীয় সেনাবাহিনী এরই মধ্যে অগ্নিপথ পরিকল্পনার আওতায় ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী জুলাই থেকে শুরু হবে অগ্নিবীর হওয়ার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন।
এদিকে, ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকার ঘোষিত অগ্নিপথ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে ‘সত্যাগ্রহ’ আন্দোলনে বসেছে। তাঁরা দিল্লির যন্তর মন্তরে এই সত্যাগ্রহে বসেন। দলটির যুবনেতারা কণট প্লেসের কাছাকাছি শিবাজি ব্রিজ রেলস্টেশনে রেলপথ অবরোধ করে। ফলে দিল্লিতে বেশ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে দিল্লিজুড়ে।
একই রকম কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে। বিশেষ করে কেরালা, তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ এবং রাজস্থানের মতো রাজ্যে গৃহীত হয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিপথ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়িয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করা হলে তা দমন করা হবে। পাঞ্জাব পুলিশও একই ধরনের কথা বলেছে।
অপরদিকে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা অগ্নিপথবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকবেন এবং দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি করবেন তাঁরা কোনোভাবেই অগ্নিপথ পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারবেন না।

ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের নতুন পরিকল্পনা ‘অগ্নিপথ’ নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন চলছে দেশটিতে। এরই মধ্যে দেশব্যাপী বন্ধ্ বা হরতালের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই বন্ধ্ ঘোষণার পর পূর্বসতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ভারতজুড়ে প্রায় ৬০০ ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এতে বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে দেশটির রেল কর্তৃপক্ষ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতজুড়ে আন্দোলন চললেও ভারতীয় সেনাবাহিনী এরই মধ্যে অগ্নিপথ পরিকল্পনার আওতায় ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী জুলাই থেকে শুরু হবে অগ্নিবীর হওয়ার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন।
এদিকে, ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকার ঘোষিত অগ্নিপথ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে ‘সত্যাগ্রহ’ আন্দোলনে বসেছে। তাঁরা দিল্লির যন্তর মন্তরে এই সত্যাগ্রহে বসেন। দলটির যুবনেতারা কণট প্লেসের কাছাকাছি শিবাজি ব্রিজ রেলস্টেশনে রেলপথ অবরোধ করে। ফলে দিল্লিতে বেশ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে দিল্লিজুড়ে।
একই রকম কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে। বিশেষ করে কেরালা, তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ এবং রাজস্থানের মতো রাজ্যে গৃহীত হয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিপথ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়িয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করা হলে তা দমন করা হবে। পাঞ্জাব পুলিশও একই ধরনের কথা বলেছে।
অপরদিকে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা অগ্নিপথবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকবেন এবং দাঙ্গাহাঙ্গামা সৃষ্টি করবেন তাঁরা কোনোভাবেই অগ্নিপথ পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারবেন না।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে