
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের পুলিশ ডিরেক্টর জেনারেল (সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্ট–ডিজিপি) রামচন্দ্র রাওকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সঙ্গে তাঁর আপত্তিকর অবস্থার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, তবে রাও তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং সেগুলোকে ‘বানোয়াট ও মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন।
তাঁর বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, রাও এমন ‘অশ্লীল আচরণ করেছেন, যা একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য অশোভন এবং যা সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।’ আদেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার নিশ্চিত হয়েছে যে রাওয়ের এই আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘তদন্তাধীন অবস্থায় ডিরেক্টরেট অব সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. কে রামচন্দ্র রাওকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন বলে রাজ্য সরকার প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট হয়েছে।’
নির্দেশ অনুযায়ী, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে রাও রাজ্য সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া ‘কোনো অবস্থাতেই’ সদর দপ্তর ত্যাগ করতে পারবেন না।
ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর তিনি সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের সঙ্গে দেখা করতে দ্রুত তাঁর কাছে ছুটে যান, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কোনো বৈঠক হয়নি।
পরমেশ্বরের বাড়ির বাইরে সাংবাদিকদের রাও বলেন, ‘আমি স্তব্ধ। এসবই বানোয়াট এবং মিথ্যা। ভিডিওটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ’আমিও ভাবছি এটা কীভাবে এবং কখন ঘটল এবং কে এটা করেছে। এই যুগে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।’
ভিডিওগুলো পুরোনো কি না জানতে চাইলে ১৯৯৩ ব্যাচের এই ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (আইপিএস) কর্মকর্তা বলেন, ’পুরোনো মানে আট বছর আগের কথা, যখন আমি বেলাগাভিতে ছিলাম।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দ্রুত পুনরুদ্ধার করছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টানেলের মুখ পরিষ্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের মাধ্যমে দেশটি আবারও তার দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরিয়ে আনছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনির কাজের জন্য মজুত করে রাখা বিস্ফোরকের একটি গুদামে বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৪৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটা এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আরব উপসাগরে আটকা পড়ে ১০৯টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তায় এই অবরুদ্ধ দশা থেকে ২৯টি বড় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি সম্ভবত চীনের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছে...
৬ ঘণ্টা আগে