কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির তারকা নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, কুণাল ইচ্ছাকৃতভাবে মিঠুন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও কুরুচিকর’ মন্তব্য করেছেন—কখনো চিটফান্ডে মিঠুনের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে, কখনোবা তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে জড়িয়ে ‘সর্বৈব মিথ্যা’ বক্তব্য দিয়ে।
মিঠুন মনে করছেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকেই কুণাল এসব মন্তব্য করেছেন এবং তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এ কাজ করেছেন।
অন্যদিকে কুণাল ঘোষ শুরু থেকেই জানিয়েছেন, তিনি মোটেও বিচলিত নন, বরং একে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন।
কুণাল ঘোষের ভাষ্য, তিনি আদালতে গিয়ে আবেদন করবেন মিঠুনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার জন্য, ঠিক যেমনটা ২০১৯ সালে সারদা মামলায় তিনি রাজীব কুমারের মুখোমুখি বসেছিলেন। সেই ঘটনাই এখন তাঁর কাছে মডেল।
কুণালের দাবি, তাঁর কাছে এমন সব নথি আছে, যা আদালতে প্রমাণ হিসেবে দাখিল হলে মিঠুনকে বিপাকে ফেলবে।
তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা (সিবিআই) কর্মকর্তাকে সাক্ষী হিসেবে হাজির রাখতে চান।
কুণালের আক্রমণ আরও তীব্র হয়েছে যখন, তিনি বলেছেন, একসময় দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও মিঠুন এখন রাজনৈতিকভাবে দূরে দাঁড়িয়েছেন এবং তিক্ততার সূচনা করেছেন। তাই এবার তাঁকে কাঁদিয়ে ছাড়বেন।
এই নাটকীয় লড়াই ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপি আসন্ন নির্বাচনের আগে সচেতন কৌশলে তৃণমূলের মুখপাত্রকে আইনি ফাঁদে ফেলতে চাইছে, যাতে তৃণমূল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে চলে যায়।
অন্যদিকে তৃণমূল শিবির বলছে, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার। জনগণের মধ্যে চিটফান্ড প্রসঙ্গ আবার জিইয়ে তুলে বিজেপি তৃণমূলকে দুর্বল করতে চাইছে। আসলে মিঠুন ও কুণালের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল বহু আগে।
২০১১ সালের পরেই দুজনের রাজনৈতিক পথ আলাদা হয়। মিঠুন ও কুণালের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দূরত্বই রূপ নিচ্ছে আইনি লড়াইয়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলা কেবল ব্যক্তিগত অপমানের নয়; বরং আসন্ন নির্বাচনের রাজনৈতিক অঙ্কও বটে।
আদালতের রায় যাই হোক না কেন, এই লড়াই এরই মধ্যে রাজ্যের রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে। জনগণ অপেক্ষা করছে, আদালতের কাঠগড়ায় মিঠুন-কুণালের মুখোমুখি লড়াই দেখার জন্য।

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির তারকা নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, কুণাল ইচ্ছাকৃতভাবে মিঠুন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও কুরুচিকর’ মন্তব্য করেছেন—কখনো চিটফান্ডে মিঠুনের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে, কখনোবা তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে জড়িয়ে ‘সর্বৈব মিথ্যা’ বক্তব্য দিয়ে।
মিঠুন মনে করছেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকেই কুণাল এসব মন্তব্য করেছেন এবং তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এ কাজ করেছেন।
অন্যদিকে কুণাল ঘোষ শুরু থেকেই জানিয়েছেন, তিনি মোটেও বিচলিত নন, বরং একে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন।
কুণাল ঘোষের ভাষ্য, তিনি আদালতে গিয়ে আবেদন করবেন মিঠুনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার জন্য, ঠিক যেমনটা ২০১৯ সালে সারদা মামলায় তিনি রাজীব কুমারের মুখোমুখি বসেছিলেন। সেই ঘটনাই এখন তাঁর কাছে মডেল।
কুণালের দাবি, তাঁর কাছে এমন সব নথি আছে, যা আদালতে প্রমাণ হিসেবে দাখিল হলে মিঠুনকে বিপাকে ফেলবে।
তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা (সিবিআই) কর্মকর্তাকে সাক্ষী হিসেবে হাজির রাখতে চান।
কুণালের আক্রমণ আরও তীব্র হয়েছে যখন, তিনি বলেছেন, একসময় দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও মিঠুন এখন রাজনৈতিকভাবে দূরে দাঁড়িয়েছেন এবং তিক্ততার সূচনা করেছেন। তাই এবার তাঁকে কাঁদিয়ে ছাড়বেন।
এই নাটকীয় লড়াই ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপি আসন্ন নির্বাচনের আগে সচেতন কৌশলে তৃণমূলের মুখপাত্রকে আইনি ফাঁদে ফেলতে চাইছে, যাতে তৃণমূল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে চলে যায়।
অন্যদিকে তৃণমূল শিবির বলছে, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার। জনগণের মধ্যে চিটফান্ড প্রসঙ্গ আবার জিইয়ে তুলে বিজেপি তৃণমূলকে দুর্বল করতে চাইছে। আসলে মিঠুন ও কুণালের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল বহু আগে।
২০১১ সালের পরেই দুজনের রাজনৈতিক পথ আলাদা হয়। মিঠুন ও কুণালের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দূরত্বই রূপ নিচ্ছে আইনি লড়াইয়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলা কেবল ব্যক্তিগত অপমানের নয়; বরং আসন্ন নির্বাচনের রাজনৈতিক অঙ্কও বটে।
আদালতের রায় যাই হোক না কেন, এই লড়াই এরই মধ্যে রাজ্যের রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে। জনগণ অপেক্ষা করছে, আদালতের কাঠগড়ায় মিঠুন-কুণালের মুখোমুখি লড়াই দেখার জন্য।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
৭ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৯ ঘণ্টা আগে