কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতীয় মুদ্রা রুপির নোটে দেবতা গণেশ ও দেবী লক্ষ্মীর ছবি ছাপার দাবির পর এবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ছাপারও দাবি উঠেছে। মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক রাম কদম এই দাবি উত্থাপন করেছেন।
এত দিন ধরে ভারতীয় মুদ্রার নোটে কেবল দেশটির জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীরই ছবি ছাপা হয়ে আসছে। তবে গতকাল বুধবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেবী লক্ষ্মী ও দেবতা গণেশের ছবি ৫০০ রুপির নোটে ছেপে ভগবানের আশীর্বাদে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করার দাবি তোলেন।
তবে বিজেপির অভিযোগ, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই কেজরিওয়াল এই দাবি উত্থাপন করেছেন। এবার দেবতার ছবির বদলে ‘অবতার’ নরেন্দ্র মোদির ছবি ছাপার দাবি করেছেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক রাম কদম। একই সঙ্গে তিনি ছত্রপতি শিবাজি, হিন্দুত্ববাদী নেতা সাভারকর, ভারতীয় সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা আম্বেদকরের ছবি ছাপারও দাবি তুলেছেন তিনি।
এখানেই থেমে থাকেননি রাম কদম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের ছবি সম্মিলিত ৫০০ রুপির ডামি নোটের ছবিও প্রকাশ করেন। সঙ্গে তিনি স্লোগানও দেন, ‘অখণ্ড ভারত, নয়া ভারত, মহান ভারত। জয় শ্রীরাম। জয় মাতাদি’। রাম কদমের মতে, ‘মোদি এখন শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও বেশ সমাদৃত। তিনি বিশেষ ক্ষমতারও অধিকারী। তাই তাঁর ছবি ছাপা হোক নোটে।’
বিতর্ক এখানেই শেষ নয়, নোট বিতর্কে অংশ নিয়ে কংগ্রেসের নেতা ও লোকসভা সদস্য মণীশ তিওয়ারি দাবি করেছেন, ‘গান্ধীর পাশাপাশি আম্বেদকরের ছবিও ছাপতে হবে ৫০০ রুপির নোটে। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদীদের একটা অংশ রুপিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি ছাপারও দাবি তুলেছে। সব মিলিয়ে ভারতে জমে উঠেছে নোটে ছবি ছাপার দাবি নিয়ে রাজনীতি।

ভারতীয় মুদ্রা রুপির নোটে দেবতা গণেশ ও দেবী লক্ষ্মীর ছবি ছাপার দাবির পর এবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ছাপারও দাবি উঠেছে। মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক রাম কদম এই দাবি উত্থাপন করেছেন।
এত দিন ধরে ভারতীয় মুদ্রার নোটে কেবল দেশটির জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীরই ছবি ছাপা হয়ে আসছে। তবে গতকাল বুধবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টি নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেবী লক্ষ্মী ও দেবতা গণেশের ছবি ৫০০ রুপির নোটে ছেপে ভগবানের আশীর্বাদে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করার দাবি তোলেন।
তবে বিজেপির অভিযোগ, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই কেজরিওয়াল এই দাবি উত্থাপন করেছেন। এবার দেবতার ছবির বদলে ‘অবতার’ নরেন্দ্র মোদির ছবি ছাপার দাবি করেছেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক রাম কদম। একই সঙ্গে তিনি ছত্রপতি শিবাজি, হিন্দুত্ববাদী নেতা সাভারকর, ভারতীয় সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা আম্বেদকরের ছবি ছাপারও দাবি তুলেছেন তিনি।
এখানেই থেমে থাকেননি রাম কদম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের ছবি সম্মিলিত ৫০০ রুপির ডামি নোটের ছবিও প্রকাশ করেন। সঙ্গে তিনি স্লোগানও দেন, ‘অখণ্ড ভারত, নয়া ভারত, মহান ভারত। জয় শ্রীরাম। জয় মাতাদি’। রাম কদমের মতে, ‘মোদি এখন শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও বেশ সমাদৃত। তিনি বিশেষ ক্ষমতারও অধিকারী। তাই তাঁর ছবি ছাপা হোক নোটে।’
বিতর্ক এখানেই শেষ নয়, নোট বিতর্কে অংশ নিয়ে কংগ্রেসের নেতা ও লোকসভা সদস্য মণীশ তিওয়ারি দাবি করেছেন, ‘গান্ধীর পাশাপাশি আম্বেদকরের ছবিও ছাপতে হবে ৫০০ রুপির নোটে। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদীদের একটা অংশ রুপিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি ছাপারও দাবি তুলেছে। সব মিলিয়ে ভারতে জমে উঠেছে নোটে ছবি ছাপার দাবি নিয়ে রাজনীতি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে