কলকাতা প্রতিনিধি

কংগ্রেসের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন এখনো তা ঠিক হয়নি। সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই আগামীকাল রোববার শুরু হচ্ছে ভারতের সর্বপ্রাচীন রাজনৈতিক দলটির সাংগঠনিক নির্বাচন। একই সঙ্গে নির্বাচিত হবেন দলটির নতুন সভাপতিও।
২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলীয় প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। তাঁর পদত্যাগের পর কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ সোনিয়া গান্ধীকেই দলের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনে। তবে নির্বাচিত ও স্থায়ী প্রেসিডেন্টের দাবিতে দলের ভেতরে বহুদিন ধরেই দাবি উঠছিল। সর্বশেষ দলের ২৩ জন বিক্ষুব্ধ নেতা চিঠি দিয়ে দলীয় নির্বাচনের দাবি করেন। তারই প্রেক্ষিতে এবারের নির্বাচন।
নির্বাচনের দিন–তারিখ ঠিক হয়ে গেলেও দলের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা এখনো ঠিক হয়নি। আগামী মাসে দলের কর্মসূচি ‘ভারত জড়ো যাত্রা’ নিয়ে রাহুল সক্রিয় হলেও দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে তিনি এখনো নীরব। তবে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবারতন্ত্রকে কটাক্ষ করায় এবারের দলীয় প্রধান নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের কেউ নির্বাচিত নাও হতে পারেন বলে অনেকে মনে করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের স্থায়ী প্রেসিডেন্ট নেই। চলতি বছরই গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা ভোট। সামনের বছরের শুরুতেই ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে নির্বাচন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান ও মধ্য প্রদেশেও ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় সংগঠনকে মজবুত করতে দলীয় নির্বাচন জরুরি বলে কংগ্রেসের একটা বড় অংশ মনে করেন।
কিন্তু নির্বাচন শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগেও পরবর্তী সভাপতি পদে প্রার্থী কারা হচ্ছেন তার কোনো ইঙ্গিত নেই। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার কথা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, গোটা দলটাই তাকিয়ে আছে রাহুলের দিকে। তাঁর কথাতেই দল চলে বলে মন্তব্য করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কংগ্রেস নেতা। তিনি নিজে প্রার্থী না হলেও তাঁর পছন্দের কেউ প্রার্থী হবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

কংগ্রেসের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন এখনো তা ঠিক হয়নি। সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই আগামীকাল রোববার শুরু হচ্ছে ভারতের সর্বপ্রাচীন রাজনৈতিক দলটির সাংগঠনিক নির্বাচন। একই সঙ্গে নির্বাচিত হবেন দলটির নতুন সভাপতিও।
২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলীয় প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। তাঁর পদত্যাগের পর কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ সোনিয়া গান্ধীকেই দলের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনে। তবে নির্বাচিত ও স্থায়ী প্রেসিডেন্টের দাবিতে দলের ভেতরে বহুদিন ধরেই দাবি উঠছিল। সর্বশেষ দলের ২৩ জন বিক্ষুব্ধ নেতা চিঠি দিয়ে দলীয় নির্বাচনের দাবি করেন। তারই প্রেক্ষিতে এবারের নির্বাচন।
নির্বাচনের দিন–তারিখ ঠিক হয়ে গেলেও দলের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা এখনো ঠিক হয়নি। আগামী মাসে দলের কর্মসূচি ‘ভারত জড়ো যাত্রা’ নিয়ে রাহুল সক্রিয় হলেও দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে তিনি এখনো নীরব। তবে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবারতন্ত্রকে কটাক্ষ করায় এবারের দলীয় প্রধান নির্বাচনে গান্ধী পরিবারের কেউ নির্বাচিত নাও হতে পারেন বলে অনেকে মনে করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের স্থায়ী প্রেসিডেন্ট নেই। চলতি বছরই গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা ভোট। সামনের বছরের শুরুতেই ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে নির্বাচন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান ও মধ্য প্রদেশেও ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় সংগঠনকে মজবুত করতে দলীয় নির্বাচন জরুরি বলে কংগ্রেসের একটা বড় অংশ মনে করেন।
কিন্তু নির্বাচন শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগেও পরবর্তী সভাপতি পদে প্রার্থী কারা হচ্ছেন তার কোনো ইঙ্গিত নেই। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার কথা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, গোটা দলটাই তাকিয়ে আছে রাহুলের দিকে। তাঁর কথাতেই দল চলে বলে মন্তব্য করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কংগ্রেস নেতা। তিনি নিজে প্রার্থী না হলেও তাঁর পছন্দের কেউ প্রার্থী হবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জোহরান মামদানির হাতে লেখা একটি চিঠি নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভারতের কারাবন্দী ছাত্রনেতা ও অধিকারকর্মী উমর খালিদের দীর্ঘ বন্দিত্বের বিষয়টি।
২৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলা হচ্ছে। তাঁকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার নিউইয়র্কের আদালতের নিকটবর্তী একটি হেলিপোর্টে কিছুক্ষণ আগে অবতরণ করেছে। আজ সোমবার তাঁকে ওই আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
সব অনিশ্চয়তা ও অমানবিক যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের বীরভূমের রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সোনালী খাতুন। গত বছর অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় দিল্লি পুলিশ তাঁকে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দাবিমতো রাশিয়া থেকে তেল কেনা না কমালে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে