আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে খালিস্তানপন্থী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সফর ব্যাহতের চেষ্টা করেছিল, এমনকি তাঁর ওপর আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। এ সময় জয়শঙ্করের উপস্থিতিতে ভারতীয় পতাকাও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, কিছুদিন আগে লন্ডনের থিংক ট্যাংক চ্যাথাম হাউসে একটি আলোচনা শেষে জয়শঙ্কর চলে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। চ্যাথাম হাউসে জয়শঙ্করের উপস্থিতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে খালিস্তানপন্থীরা।
একপর্যায়ে জয়শঙ্কর চ্যাথাম হাউস থেকে বেরিয়ে আসার সময় এক ব্যক্তি তাঁর গাড়ির দিকে দৌড়ে যায় এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলে। অবশ্য এ ঘটনায় জয়শঙ্কর আহত হননি বা অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ঘটনার একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে দেখা যায়, এক ব্যক্তি আক্রমণাত্মকভাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িবহরের দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। প্রথম দিকে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা নিষ্ক্রিয় থাকলেও পরে তারা সক্রিয় হন। এ সময় প্রতিবাদকারীরা ভারতের পতাকা ছিঁড়ে ফেলতে শুরু করে এবং অন্যরা এ সময় স্লোগান দিচ্ছিল। তবে কিছুক্ষণ পর পুলিশ এগিয়ে এসে ওই ব্যক্তিকে এবং অন্যদের গ্রেপ্তার করে।
আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, জয়শঙ্কর যে স্থানে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন, তার বাইরে খালিস্তানপন্থীরা প্রতিবাদ করছে। ভিডিওতে তাদের ‘খালিস্তানের পতাকা’ ওড়াতে এবং খালিস্তানের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের শিখদের একটি অংশ নিজেদের স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছে অনেক দিন ধরেই।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর গত ৪ মার্চ যুক্তরাজ্যে যান সরকারি সফরে। এ সময় এ ঘটনা ঘটে। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন। এর আগে জয়শঙ্কর শেভেনিং হাউসে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব ডেভিড ল্যামির সঙ্গে আলোচনা করেন। বৈঠকে তাঁরা কৌশলগত সমন্বয়, রাজনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য আলোচনা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, গতিশীলতা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
চ্যাথাম হাউসে আলোচনায় জয়শঙ্করকে জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনের জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উৎসাহকে কাজে লাগাতে পারবেন? জবাবে জয়শঙ্কর ভারতের পদক্ষেপকে সমর্থন করে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা প্রত্যাখ্যান করেন।
জয়শঙ্কর বলেন, ভারত এরই মধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে; যার মধ্যে ধারা ৩৭০ বাতিল, অঞ্চলটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং উচ্চ ভোটার উপস্থিতিতে নির্বাচন উল্লেখযোগ্য। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইস্যুটির অমীমাংসিত অংশ ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা যে অংশের জন্য অপেক্ষা করছি, তা হলো পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা কাশ্মীরের চুরি যাওয়া অংশটি ফিরে পাওয়া। যখন সেটা হবে, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, কাশ্মীর ইস্যু সমাধান হয়ে যাবে।’

ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে খালিস্তানপন্থী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সফর ব্যাহতের চেষ্টা করেছিল, এমনকি তাঁর ওপর আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। এ সময় জয়শঙ্করের উপস্থিতিতে ভারতীয় পতাকাও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, কিছুদিন আগে লন্ডনের থিংক ট্যাংক চ্যাথাম হাউসে একটি আলোচনা শেষে জয়শঙ্কর চলে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। চ্যাথাম হাউসে জয়শঙ্করের উপস্থিতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে খালিস্তানপন্থীরা।
একপর্যায়ে জয়শঙ্কর চ্যাথাম হাউস থেকে বেরিয়ে আসার সময় এক ব্যক্তি তাঁর গাড়ির দিকে দৌড়ে যায় এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলে। অবশ্য এ ঘটনায় জয়শঙ্কর আহত হননি বা অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ঘটনার একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে দেখা যায়, এক ব্যক্তি আক্রমণাত্মকভাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িবহরের দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। প্রথম দিকে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা নিষ্ক্রিয় থাকলেও পরে তারা সক্রিয় হন। এ সময় প্রতিবাদকারীরা ভারতের পতাকা ছিঁড়ে ফেলতে শুরু করে এবং অন্যরা এ সময় স্লোগান দিচ্ছিল। তবে কিছুক্ষণ পর পুলিশ এগিয়ে এসে ওই ব্যক্তিকে এবং অন্যদের গ্রেপ্তার করে।
আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, জয়শঙ্কর যে স্থানে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন, তার বাইরে খালিস্তানপন্থীরা প্রতিবাদ করছে। ভিডিওতে তাদের ‘খালিস্তানের পতাকা’ ওড়াতে এবং খালিস্তানের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের শিখদের একটি অংশ নিজেদের স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছে অনেক দিন ধরেই।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর গত ৪ মার্চ যুক্তরাজ্যে যান সরকারি সফরে। এ সময় এ ঘটনা ঘটে। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন। এর আগে জয়শঙ্কর শেভেনিং হাউসে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব ডেভিড ল্যামির সঙ্গে আলোচনা করেন। বৈঠকে তাঁরা কৌশলগত সমন্বয়, রাজনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য আলোচনা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, গতিশীলতা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
চ্যাথাম হাউসে আলোচনায় জয়শঙ্করকে জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনের জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উৎসাহকে কাজে লাগাতে পারবেন? জবাবে জয়শঙ্কর ভারতের পদক্ষেপকে সমর্থন করে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা প্রত্যাখ্যান করেন।
জয়শঙ্কর বলেন, ভারত এরই মধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে; যার মধ্যে ধারা ৩৭০ বাতিল, অঞ্চলটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং উচ্চ ভোটার উপস্থিতিতে নির্বাচন উল্লেখযোগ্য। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইস্যুটির অমীমাংসিত অংশ ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা যে অংশের জন্য অপেক্ষা করছি, তা হলো পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা কাশ্মীরের চুরি যাওয়া অংশটি ফিরে পাওয়া। যখন সেটা হবে, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, কাশ্মীর ইস্যু সমাধান হয়ে যাবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
৮ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৩১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৪৩ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে