
বাংলাদেশের মতো ভারতেও ঈদ আজ বৃহস্পতিবার। কলকাতার রেড রোডে ঈদের জামাতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার দেশে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে।
কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে মমতা বলেন, ‘এজেন্সি দিয়ে সবাইকে গ্রেপ্তার করতে চাইছে ওরা। আমি এজেন্সিকে ভয় পাই না। ইডি-সিবিআই ও আয়করের জন্য আলাদা জেল তৈরি করুক মোদী সরকার। নইলে জায়গা হবে না জেলে।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা সিএএ এনআরসি মানি না। আমাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আগে তিনি নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিন। যাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে মোদি সরকার, তাঁদের ভোটেই জয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁরাই ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী করেছেন তাঁকে।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কোনোভাবেই রাজ্যে সিএএ-এনআরসি তিনি হতে দেবেন না। তিনি সেটা মানবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা এককাট্টা থাকলে কেউ আলাদা করতে পারবে না। কাজেই রাম নবমীর দিনে সবাই মাথা ঠান্ডা রাখবেন। কোনো প্ররোচনা ও উসকানিতে পা দেবেন না।
এদিন রেড রোডের মঞ্চ থেকে ইন্ডিয়া জোট নিয়েও কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়া জোট দিল্লিকে কী করবে সেটা আমরা বুঝে নেব। কিন্তু বাংলায় একটা ভোটও যেন না পায় বিজেপি।’
তিনি বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ‘বেছে বেছে মুসলিম নেতাদের ফোন করে বলছে কী চাই? বিভেদের রাজনীতির চক্রান্ত করছে বিজেপি। কিন্তু আমাদের এককাট্টা হয়ে থাকতে হবে।’

স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
৩৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
১ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ফার্স নিউজ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সারি সারি ড্রোন রকেট লঞ্চারের ওপর বসানো রয়েছে। বাংকারের দেয়ালগুলো ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সম্প্রতি প্রয়াত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে সাজানো। ভিডিওতে ড্রোনের এই বিশাল সম্ভারকে ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম
২ ঘণ্টা আগে