
নিজের মাদকাসক্ত ছেলেকে বাঁচাতে না পারার আক্ষেপ করেছেন ভারতের আবাসন ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও উত্তর প্রদেশের মোহনলালগঞ্জের বিজেপি সংসদ সদস্য কৌশল কিশোর। তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারিনি।’
গতকাল শনিবার উত্তর প্রদেশের লম্ভুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। আজ রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কৌশল কিশোর আক্ষেপ করে বলেন, ‘মাদকাসক্ত অফিসারের চেয়ে রিকশাচালক কিংবা শ্রমিক বিয়ের পাত্র হিসেবে অনেক ভালো। কেননা একজন মাদকাসক্তের আয়ুষ্কাল কম।’ তিনি মেয়ে ও বোনদের মাদকাসক্ত ছেলের কাছে বিয়ে না দেওয়ার অনুরোধ জানান।
নিজের ব্যক্তিজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বিজেপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি আমার ছেলে আকাশ কিশোরকে বাঁচাতে পারিনি। আমি সংসদ সদস্য ও আমার স্ত্রী বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও আমরা আমাদের সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারিনি। সাধারণ মানুষ তাহলে কী করবেন?’
কৌশল কিশোর বলেন, ‘আমার ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে মদপান করত। এটা তাঁর একদম অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তাঁকে ফিরিয়ে আনতে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম সে হয়তো বদঅভ্যাস ছেড়ে দেবে। এর ছয় মাস পর তাঁকে বিয়েও দিয়েছিলাম। কিন্তু সে আবারও মদপানে জড়ায় এবং মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। গত ২ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তাঁর দুই বছর বয়সী ছেলে সন্তান রেখে গেছে। আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারলাম না এবং ছেলের বউকে বিধবা হতে দেখলাম। আপনাদের উচিত নিজেদের মেয়ে ও বোনদের রক্ষা করা, মাদকাসক্ত ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়া।’
মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা আন্দোলনে ৯০ বছরে ব্রিটিশের সঙ্গে যুদ্ধে ৬ লাখ ৩২ হাজার মানুষ জীবন দিয়েছিল। অথচ মাদকের ছোবলে প্রতি বছর ভারতে প্রাণ যাচ্ছে ২০ লাখ মানুষের।’ তিনি জানান, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যায় এদের ৮০ শতাংশই তামাক, সিগারেট ও বিড়িতে আসক্ত। পরিবারকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে বাঁচানোর অনুরোধ জানান তিনি।
জেলাকে মাদকমুক্ত করতে বিদ্যালয়গুলোতে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়ে কৌশল কিশোর বলেন, ‘সকালের প্রার্থনার সময়ই শিশুদের মাদকবিরোধী নির্দেশনা দিতে হবে।’

নিজের মাদকাসক্ত ছেলেকে বাঁচাতে না পারার আক্ষেপ করেছেন ভারতের আবাসন ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও উত্তর প্রদেশের মোহনলালগঞ্জের বিজেপি সংসদ সদস্য কৌশল কিশোর। তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারিনি।’
গতকাল শনিবার উত্তর প্রদেশের লম্ভুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। আজ রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কৌশল কিশোর আক্ষেপ করে বলেন, ‘মাদকাসক্ত অফিসারের চেয়ে রিকশাচালক কিংবা শ্রমিক বিয়ের পাত্র হিসেবে অনেক ভালো। কেননা একজন মাদকাসক্তের আয়ুষ্কাল কম।’ তিনি মেয়ে ও বোনদের মাদকাসক্ত ছেলের কাছে বিয়ে না দেওয়ার অনুরোধ জানান।
নিজের ব্যক্তিজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বিজেপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি আমার ছেলে আকাশ কিশোরকে বাঁচাতে পারিনি। আমি সংসদ সদস্য ও আমার স্ত্রী বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও আমরা আমাদের সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারিনি। সাধারণ মানুষ তাহলে কী করবেন?’
কৌশল কিশোর বলেন, ‘আমার ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে মদপান করত। এটা তাঁর একদম অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তাঁকে ফিরিয়ে আনতে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম সে হয়তো বদঅভ্যাস ছেড়ে দেবে। এর ছয় মাস পর তাঁকে বিয়েও দিয়েছিলাম। কিন্তু সে আবারও মদপানে জড়ায় এবং মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। গত ২ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তাঁর দুই বছর বয়সী ছেলে সন্তান রেখে গেছে। আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারলাম না এবং ছেলের বউকে বিধবা হতে দেখলাম। আপনাদের উচিত নিজেদের মেয়ে ও বোনদের রক্ষা করা, মাদকাসক্ত ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়া।’
মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা আন্দোলনে ৯০ বছরে ব্রিটিশের সঙ্গে যুদ্ধে ৬ লাখ ৩২ হাজার মানুষ জীবন দিয়েছিল। অথচ মাদকের ছোবলে প্রতি বছর ভারতে প্রাণ যাচ্ছে ২০ লাখ মানুষের।’ তিনি জানান, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যায় এদের ৮০ শতাংশই তামাক, সিগারেট ও বিড়িতে আসক্ত। পরিবারকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে বাঁচানোর অনুরোধ জানান তিনি।
জেলাকে মাদকমুক্ত করতে বিদ্যালয়গুলোতে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়ে কৌশল কিশোর বলেন, ‘সকালের প্রার্থনার সময়ই শিশুদের মাদকবিরোধী নির্দেশনা দিতে হবে।’

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে