
গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসরায়েল। গত মঙ্গলবার ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন এই আহ্বানের বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে আজ বুধবার দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গণমাধ্যম স্টেটক্র্যাফটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের শুরুর দিন থেকে ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ভারতের অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ইসরায়েলি দূত। তিনি ইসরায়েলের মাটিতে হামাসের হামলার ঘটনায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র নিন্দা জানানোর বিষয়টি উদ্ধৃত করে জানান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে নয়া দিল্লি সব সময় দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করে এসেছে।
হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করতে ইসরায়েলি প্রস্তাবে ভারত কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল রাষ্ট্রদূত গিলনকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণাদি দিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের সরকার।’
গিলন যোগ করেন—ইসরায়েলের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের কাছে ভালো কারণ রয়েছে।
ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, হামাস ভারতেও প্রভাব ফেলছে। তাঁর মতে, ভারত যদি অতীতে হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করত তাহলে সংগঠনটির নেতা খালেদ মেশাল কেরালায় অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনিপন্থী একটি মিছিলে ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত হতে পারতেন না। গাজার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওই কর্মসূচিটি গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
গিলন জানান, ভারত থেকে আরও বেশি পরিমাণে সেবাপ্রদানকারী, নির্মাণ শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক আশা করছে ইসরায়েল। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় কাজ করছে। ভারত থেকে আরও কৃষি ও নির্মাণ শ্রমিক নিয়ে যেতে দুটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসরায়েল। গত মঙ্গলবার ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন এই আহ্বানের বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে আজ বুধবার দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গণমাধ্যম স্টেটক্র্যাফটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের শুরুর দিন থেকে ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ভারতের অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ইসরায়েলি দূত। তিনি ইসরায়েলের মাটিতে হামাসের হামলার ঘটনায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র নিন্দা জানানোর বিষয়টি উদ্ধৃত করে জানান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে নয়া দিল্লি সব সময় দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করে এসেছে।
হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করতে ইসরায়েলি প্রস্তাবে ভারত কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল রাষ্ট্রদূত গিলনকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণাদি দিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের সরকার।’
গিলন যোগ করেন—ইসরায়েলের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের কাছে ভালো কারণ রয়েছে।
ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, হামাস ভারতেও প্রভাব ফেলছে। তাঁর মতে, ভারত যদি অতীতে হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করত তাহলে সংগঠনটির নেতা খালেদ মেশাল কেরালায় অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনিপন্থী একটি মিছিলে ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত হতে পারতেন না। গাজার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওই কর্মসূচিটি গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
গিলন জানান, ভারত থেকে আরও বেশি পরিমাণে সেবাপ্রদানকারী, নির্মাণ শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক আশা করছে ইসরায়েল। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় কাজ করছে। ভারত থেকে আরও কৃষি ও নির্মাণ শ্রমিক নিয়ে যেতে দুটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে