আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের টেলিকম কোম্পানি এয়ারসেল-এর প্রতিষ্ঠাতা চিনাক্কান্নান শিবাসংকরন। জীবন যেন একেবারে চলচ্চিত্রের মতো—দ্রুত এক উত্থানের পর তীব্র পতন। ২০১৮ সালে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন এই শিল্পপতি। সম্প্রতি ‘দ্য রানবীর শো’ পডকাস্টে এসে তিনি শোনালেন তাঁর উত্থান-পতনের গল্প। জানালেন কীভাবে সাড়ে ৯০০০ কোটি টাকা হারানোর পরও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
পডকাস্টার রানবীর এলাহাবাদিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিবাসংকরন জানান, দেউলিয়া হওয়ার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা বই পড়েছিলেন তিনি। আর পেয়েছিলেন হাল না ছাড়ার অনুপ্রেরণা।
৬৮ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা বলেন, ‘আমি যেদিন দেউলিয়া হলাম, সেদিনই বসে লিখে ফেলি—আমি আবার কীভাবে কোটিপতি হব।’
এক সময়কার ৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক বলেন, ‘আমি গরিব না। অনেকে ভাবে আমি গরিব। কিন্তু না, আমি গরিব নয়, আমি দেউলিয়া।’
রানবীর জানতে চান, দেউলিয়া হওয়ার আগে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কোন জিনিসগুলো কিনেছিলেন। শিবাসংকরন জানান, তিনি প্রচুর টাকা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক বাড়ি কিনেছিলেন, এমনকি দুটো ব্যক্তিগত দ্বীপও কিনেছিলেন।
‘আপনার সবচেয়ে দামি কেনাকাটা কোনটা ছিল?’ —পডকাস্টার রানবীরের এই প্রশ্নে হেসে ফেলেন এই উদ্যোক্তা শিল্পপতি। ছোট্ট করে উত্তর দেন, ‘একটা দ্বীপ।’
পরে বলেন, সেসেলসে দুটো দ্বীপ ছিল তাঁর। সেগুলো এখন বিক্রি করে দিয়েছেন।
দ্বীপ কেনার পেছনে ব্যতিক্রমী ও মজার এক যুক্তি দেন শিবাসংকরণ। বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম, যেন মনে হয় নিজের একটা দেশে বাস করছি—রিপাবলিক অব শিবা।’
শিবাসংকরণ বলতে থাকেন, ‘এরপর আমি বাড়ি কিনেছিলাম সেসেলস, আমেরিকা, কানাডা, লন্ডনে... আমার ইচ্ছে ছিল, সব মহাদেশে একটা করে বাড়ি থাকবে আমার। তাই কিনে নিয়েছিলাম।’
পডকাস্টের আরেক অংশে এই শিল্পপতি জানান, ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রিমন্টে তাঁর একটি ১৪ একর বাড়ি ছিল, যাতে হেলিপ্যাডও ছিল। কানাডায় তাঁর আরেকটি প্রাসাদসদৃশ বাড়িও ছিল, যা পুরস্কারও জিতেছিল।
তারপর সাবেক এই কোটিপতি জানালেন, চেন্নাইয়ে তাঁর ৭০৭ কোটি টাকা মূল্যের একটা বাড়ি ছিল। ৭১টা বেডরুম ছিল সেই বাড়িতে। সেই বিলাসবহুল বাড়ি এখন ভেঙে ফেলা হয়েছে।
শিবাসংকরণ বলেন, ‘আমি যখন বাড়িগুলো কিনেছিলাম, আমি তখন এক রাজকীয় বাড়িতে থাকতাম। ৫২৪ কোটি রুপির বাড়ি, যাতে ছিল ৭১টা বেডরুম। তারপর ওটা ভেঙে দেওয়া হয়। তবে আমি বাড়ির অর্ধেকটা আবার কিনে নিয়েছি।’
শিবা বলেন, ‘এখন আমার ২ একর জমি আছে, কিন্তু আমি সেখানে বাড়ি বানাতে চাই না। আগে আমি সব সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
এয়ারসেল প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমার মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। মামলা শেষ হলে আমি আমার টাকা ফেরত পাব।’

ভারতের টেলিকম কোম্পানি এয়ারসেল-এর প্রতিষ্ঠাতা চিনাক্কান্নান শিবাসংকরন। জীবন যেন একেবারে চলচ্চিত্রের মতো—দ্রুত এক উত্থানের পর তীব্র পতন। ২০১৮ সালে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন এই শিল্পপতি। সম্প্রতি ‘দ্য রানবীর শো’ পডকাস্টে এসে তিনি শোনালেন তাঁর উত্থান-পতনের গল্প। জানালেন কীভাবে সাড়ে ৯০০০ কোটি টাকা হারানোর পরও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
পডকাস্টার রানবীর এলাহাবাদিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিবাসংকরন জানান, দেউলিয়া হওয়ার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা বই পড়েছিলেন তিনি। আর পেয়েছিলেন হাল না ছাড়ার অনুপ্রেরণা।
৬৮ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা বলেন, ‘আমি যেদিন দেউলিয়া হলাম, সেদিনই বসে লিখে ফেলি—আমি আবার কীভাবে কোটিপতি হব।’
এক সময়কার ৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক বলেন, ‘আমি গরিব না। অনেকে ভাবে আমি গরিব। কিন্তু না, আমি গরিব নয়, আমি দেউলিয়া।’
রানবীর জানতে চান, দেউলিয়া হওয়ার আগে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কোন জিনিসগুলো কিনেছিলেন। শিবাসংকরন জানান, তিনি প্রচুর টাকা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক বাড়ি কিনেছিলেন, এমনকি দুটো ব্যক্তিগত দ্বীপও কিনেছিলেন।
‘আপনার সবচেয়ে দামি কেনাকাটা কোনটা ছিল?’ —পডকাস্টার রানবীরের এই প্রশ্নে হেসে ফেলেন এই উদ্যোক্তা শিল্পপতি। ছোট্ট করে উত্তর দেন, ‘একটা দ্বীপ।’
পরে বলেন, সেসেলসে দুটো দ্বীপ ছিল তাঁর। সেগুলো এখন বিক্রি করে দিয়েছেন।
দ্বীপ কেনার পেছনে ব্যতিক্রমী ও মজার এক যুক্তি দেন শিবাসংকরণ। বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম, যেন মনে হয় নিজের একটা দেশে বাস করছি—রিপাবলিক অব শিবা।’
শিবাসংকরণ বলতে থাকেন, ‘এরপর আমি বাড়ি কিনেছিলাম সেসেলস, আমেরিকা, কানাডা, লন্ডনে... আমার ইচ্ছে ছিল, সব মহাদেশে একটা করে বাড়ি থাকবে আমার। তাই কিনে নিয়েছিলাম।’
পডকাস্টের আরেক অংশে এই শিল্পপতি জানান, ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রিমন্টে তাঁর একটি ১৪ একর বাড়ি ছিল, যাতে হেলিপ্যাডও ছিল। কানাডায় তাঁর আরেকটি প্রাসাদসদৃশ বাড়িও ছিল, যা পুরস্কারও জিতেছিল।
তারপর সাবেক এই কোটিপতি জানালেন, চেন্নাইয়ে তাঁর ৭০৭ কোটি টাকা মূল্যের একটা বাড়ি ছিল। ৭১টা বেডরুম ছিল সেই বাড়িতে। সেই বিলাসবহুল বাড়ি এখন ভেঙে ফেলা হয়েছে।
শিবাসংকরণ বলেন, ‘আমি যখন বাড়িগুলো কিনেছিলাম, আমি তখন এক রাজকীয় বাড়িতে থাকতাম। ৫২৪ কোটি রুপির বাড়ি, যাতে ছিল ৭১টা বেডরুম। তারপর ওটা ভেঙে দেওয়া হয়। তবে আমি বাড়ির অর্ধেকটা আবার কিনে নিয়েছি।’
শিবা বলেন, ‘এখন আমার ২ একর জমি আছে, কিন্তু আমি সেখানে বাড়ি বানাতে চাই না। আগে আমি সব সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
এয়ারসেল প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমার মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। মামলা শেষ হলে আমি আমার টাকা ফেরত পাব।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে