আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, তাঁর দেশে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন সফর নিয়ে ১৪০ কোটি ভারতীয় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠকে এ মন্তব্য করেন মোদি।
নরেন্দ্র মোদি জানান, এ বছরের ডিসেম্বরে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়া-ভারত বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক। এটি হবে দুই দেশের মধ্যে ২৩তম সম্মেলন। মোদি বলেন, ‘রাশিয়া ও ভারত সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়েছে। আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জনগণের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’
পুতিন এ সময় মোদিকে নিজের ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৯ সালের ২১ ডিসেম্বর দুই দেশ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ও কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তিতে পৌঁছেছিল। পুতিন বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, বহুমুখী রাশিয়া-ভারত সম্পর্ক সক্রিয়ভাবে এগোচ্ছে এবং সেই নীতির ভিত্তিতেই গড়ে উঠছে।’
বৈঠকে মোদি ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও টানেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক শান্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। সব পক্ষ যেন গঠনমূলকভাবে এগোয়, সে প্রত্যাশা করি। দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজে বের করতে হবে—এটাই মানবজাতির আহ্বান।’
আজ রাশিয়া টুডে জানিয়েছে, শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকই নয়, এর আগে প্রায় এক ঘণ্টা দুই নেতা একান্তে সময় কাটান। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, পুতিনের অরাস গাড়িতে বসে তাঁরা আলোচনা চালান।
এটি চলতি বছরে মোদি-পুতিনের প্রথম সামনাসামনি সাক্ষাৎ হলেও তাঁরা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিসেম্বরে পুতিনের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে।
তবে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ জটিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ভারত অপরিশোধিত রাশিয়ান তেল কিনে তা প্রক্রিয়াজাত করে আবার বিক্রি করছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর অর্থ জোগান দিচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, তাঁর দেশে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন সফর নিয়ে ১৪০ কোটি ভারতীয় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠকে এ মন্তব্য করেন মোদি।
নরেন্দ্র মোদি জানান, এ বছরের ডিসেম্বরে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়া-ভারত বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক। এটি হবে দুই দেশের মধ্যে ২৩তম সম্মেলন। মোদি বলেন, ‘রাশিয়া ও ভারত সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়েছে। আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জনগণের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’
পুতিন এ সময় মোদিকে নিজের ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৯ সালের ২১ ডিসেম্বর দুই দেশ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ও কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তিতে পৌঁছেছিল। পুতিন বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, বহুমুখী রাশিয়া-ভারত সম্পর্ক সক্রিয়ভাবে এগোচ্ছে এবং সেই নীতির ভিত্তিতেই গড়ে উঠছে।’
বৈঠকে মোদি ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও টানেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক শান্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। সব পক্ষ যেন গঠনমূলকভাবে এগোয়, সে প্রত্যাশা করি। দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজে বের করতে হবে—এটাই মানবজাতির আহ্বান।’
আজ রাশিয়া টুডে জানিয়েছে, শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকই নয়, এর আগে প্রায় এক ঘণ্টা দুই নেতা একান্তে সময় কাটান। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, পুতিনের অরাস গাড়িতে বসে তাঁরা আলোচনা চালান।
এটি চলতি বছরে মোদি-পুতিনের প্রথম সামনাসামনি সাক্ষাৎ হলেও তাঁরা নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিসেম্বরে পুতিনের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে।
তবে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ জটিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ভারত অপরিশোধিত রাশিয়ান তেল কিনে তা প্রক্রিয়াজাত করে আবার বিক্রি করছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর অর্থ জোগান দিচ্ছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
৪ ঘণ্টা আগে