বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার মেজাজ হারিয়ে বিধানসভার এক নারী সদস্যকে তুচ্ছ–তাচ্ছিল্য করেছেন। নারী হওয়ার কারণে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন। গতকাল বুধবার বিহারের বিধানসভার অধিবেশনে বিরোধী রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) বিধায়ক রেখা দেবীকে নারী বলে তুচ্ছ–তাচ্ছিল্য করেন নিতীশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বুধবার বিধানসভায় রাজ্যের কোটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় তিনি বিধায়কদের আশ্বস্ত করেন যে, রাজ্যে ৬৫ শতাংশ কোটা বাস্তবায়নে তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পাটনা হাইকোর্ট এই পরিমাণ কোটা বাস্তবায়ন না করা পক্ষে মত দিলেও বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিহার সরকার।
গতকাল বুধবার অধিবেশনের সময় বিরোধী দল আরজেডি, কংগ্রেস ও বাম দলগুলো হৈ হল্লা শুরু করে কোটার বিষয়টি নিয়ে। তাদের অভিযোগ, সরকার কোটা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে না। সরকার বিশেষ ক্যাটাগরি ব্যবস্থা ও সংবিধানে বর্ণিত নবম তফসিলে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
জবাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাটনা হাইকোর্ট কোটা বৃদ্ধির বিষয়টি বাতিল করেছেন কিন্তু আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি।’ তিনি এ সময় আরও বলেন, ‘বিহার সরকার কেন্দ্র সরকারকে সংবিধানের নবম তফসিলে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বলেছি।’ কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই নিশ্চয়তার পরও বিরোধী বিধায়কেরা হৈ হল্লা করতে থাকেন।
এই পর্যায়ে মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার মসৌরির বিধায়ক রেখা দেবীর প্রতি আঙুল তাক করে বলেন, ‘আপনি একজন মহিলা, আপনি বুঝবেন না। এই লোকেরা নারীর অগ্রগতি হতে দিচ্ছে না। আপনি একজন মহিলা, আপনি আসলে কিছুই জানেন না।’
নিতীশ কুমার এ সময় রেখা দেবীর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আরজেডির শাসনামলে কি নারীদের কথা বলার অনুমতি ছিল? আরজেডি সরকার কি নারী ক্ষমতায়ন করেছে? আমিই ২০০৫ সালের পর নারীদের এগিয়ে নিয়েছি। আজ আপনি ফালতু কথা বলছেন। আমি যা বলি, তা ভালো করে শোনেন।’

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে