
কুম্ভমেলার সঙ্গমের জল দূষিত এবং স্নানের অযোগ্য বলে দাবি করেছেন অনেক তীর্থযাত্রী। ভারতের কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (সিপিসিবি) একটি প্রতিবেদনেও বলা হয়, প্রয়াগরাজের সঙ্গমে (গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী নদীর মিলনস্থল) অব্যবহৃত পয়োনিষ্কাশন ও মানব প্রাণীর বর্জ্যের ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা অত্যন্ত বেশি।
কিন্তু এই রিপোর্টের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ বুধবার যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছেন, ‘এই জল শুধু স্নানের জন্যই নয়, আচমন করার (হিন্দুধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্নানের পর এক চুমুক জল পান করা) জন্যও সম্পূর্ণ নিরাপদ।’
কুম্ভমেলা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতি ১২ বছর পর এটি অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী (ত্রিবেণি) নদীর সঙ্গমে স্নান করলে পাপমুক্তি হয় এবং মোক্ষ লাভ করা যায়। এই মেলা ছয় সপ্তাহ ধরে চলে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোটি কোটি ভক্ত এতে অংশ নেন।
মেলা শুরুর আগে, ভারতের শীর্ষ পরিবেশ আদালত কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডগুলেকে নদীর জল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং এর গুণমান বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এই মাসের শুরুতে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (সিপিসিবি) একটি রিপোর্ট জমা দেয়। এতে বলা হয়, গঙ্গা ও যমুনা নদীর জলে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গঙ্গায় কলিফর্মের (একধরনের ব্যাকটেরিয়া) মাত্রা গ্রহণযোগ্য সীমার চেয়ে ১ হাজার ৪০০ গুণ বেশি এবং যমুনায় ৬৬০ গুণ বেশি।
তবে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ দাবি করেন, তাঁর সরকার নদীর জলের গুণমান বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, ‘কলিফর্মের মাত্রা বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন স্যুয়েজ লিকেজ বা পশুর বর্জ্য। কিন্তু প্রয়াগরাজে কলিফর্মের মাত্রা ঠিক আছে।’
তিনি বিষয়টিকে কুম্ভমেলার সুনাম নষ্ট করার জন্য বিরোধী দলগুলোর ‘মিথ্যা প্রচারণা’ বলে অভিযোগ করেন।
তবে এমন অভিযোগ প্রথমবার নয়। এর আগেও উত্তর প্রদেশ সরকার কুম্ভমেলা আয়োজন ও পরিচালনার জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছিল। গত জানুয়ারিতে একটি শুভ দিনে সঙ্গমের কাছে স্নান করতে এসে ভিড়ের চাপে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত রোববার নিউ দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে ভক্তদের ভিড়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়।

কুম্ভমেলা ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কুম্ভমেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৬ কোটি মানুষ সঙ্গমে স্নান করেছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কুম্ভমেলার সঙ্গমের জল দূষিত এবং স্নানের অযোগ্য বলে দাবি করেছেন অনেক তীর্থযাত্রী। ভারতের কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (সিপিসিবি) একটি প্রতিবেদনেও বলা হয়, প্রয়াগরাজের সঙ্গমে (গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী নদীর মিলনস্থল) অব্যবহৃত পয়োনিষ্কাশন ও মানব প্রাণীর বর্জ্যের ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা অত্যন্ত বেশি।
কিন্তু এই রিপোর্টের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ বুধবার যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছেন, ‘এই জল শুধু স্নানের জন্যই নয়, আচমন করার (হিন্দুধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্নানের পর এক চুমুক জল পান করা) জন্যও সম্পূর্ণ নিরাপদ।’
কুম্ভমেলা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতি ১২ বছর পর এটি অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী (ত্রিবেণি) নদীর সঙ্গমে স্নান করলে পাপমুক্তি হয় এবং মোক্ষ লাভ করা যায়। এই মেলা ছয় সপ্তাহ ধরে চলে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোটি কোটি ভক্ত এতে অংশ নেন।
মেলা শুরুর আগে, ভারতের শীর্ষ পরিবেশ আদালত কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডগুলেকে নদীর জল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং এর গুণমান বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এই মাসের শুরুতে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (সিপিসিবি) একটি রিপোর্ট জমা দেয়। এতে বলা হয়, গঙ্গা ও যমুনা নদীর জলে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গঙ্গায় কলিফর্মের (একধরনের ব্যাকটেরিয়া) মাত্রা গ্রহণযোগ্য সীমার চেয়ে ১ হাজার ৪০০ গুণ বেশি এবং যমুনায় ৬৬০ গুণ বেশি।
তবে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ দাবি করেন, তাঁর সরকার নদীর জলের গুণমান বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, ‘কলিফর্মের মাত্রা বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন স্যুয়েজ লিকেজ বা পশুর বর্জ্য। কিন্তু প্রয়াগরাজে কলিফর্মের মাত্রা ঠিক আছে।’
তিনি বিষয়টিকে কুম্ভমেলার সুনাম নষ্ট করার জন্য বিরোধী দলগুলোর ‘মিথ্যা প্রচারণা’ বলে অভিযোগ করেন।
তবে এমন অভিযোগ প্রথমবার নয়। এর আগেও উত্তর প্রদেশ সরকার কুম্ভমেলা আয়োজন ও পরিচালনার জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছিল। গত জানুয়ারিতে একটি শুভ দিনে সঙ্গমের কাছে স্নান করতে এসে ভিড়ের চাপে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত রোববার নিউ দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে ভক্তদের ভিড়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়।

কুম্ভমেলা ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কুম্ভমেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৬ কোটি মানুষ সঙ্গমে স্নান করেছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২৫ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে