
ভারতে মায়ের বুকের দুধ এবং সেই দুধ থেকে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথোরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। গত শুক্রবার মাতৃদুগ্ধ এবং তা থেকে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা জারি করে সংস্থাটি জানিয়েছে, মায়ের বুকের দুধের বাণিজ্যিকীকরণ অনুমোদিত নয়। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, এফএসএস আইন, ২০০৬ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধানে এফএসএসএআই মাতৃদুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ ও বিক্রি অনুমোদন করবে না। মায়ের বুকের দুধ ও এর পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সম্পর্কিত সব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এই নির্দেশের কোনো লঙ্ঘনের ফলে এফএসএস আইন, ২০০৬ এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত নিয়ম ও প্রবিধান অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসা অপারেটরদের (এফবিও) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে শীর্ষ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
মাতৃদুগ্ধ বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের লাইসেন্স না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও নির্দেশ দিয়েছে এফএসএসএআই। এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত করা উচিত যে, মায়ের দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ বা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত এফবিওকে কোনো লাইসেন্স বা জিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না।
জাতীয় নির্দেশিকা অনুসারে, ডোনার হিউম্যান মিল্ক (ডিএইচএম) বা মাতৃদুগ্ধ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। যেসব হাসপাতালে কম্প্রিহেনসিভ ল্যাক্টেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (সিএলএমসি) রয়েছে, কেবল সেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া নবজাতক ও শিশুদের এই দুধ দেওয়া যেতে পারে।
ভারতের সরকারি বিধানমতে, কোনো আর্থিক সুবিধা ছাড়া স্বাধীনভাবে এবং স্বেচ্ছায় দাতার মাতৃদুগ্ধ দান করা উচিত। দান করা এই দুধ হাসপাতালের নবজাতক এবং অন্যান্য মায়ের শিশুরা বিনা মূল্যে ব্যবহার করবে।

ভারতে মায়ের বুকের দুধ এবং সেই দুধ থেকে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথোরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। গত শুক্রবার মাতৃদুগ্ধ এবং তা থেকে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা জারি করে সংস্থাটি জানিয়েছে, মায়ের বুকের দুধের বাণিজ্যিকীকরণ অনুমোদিত নয়। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, এফএসএস আইন, ২০০৬ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধানে এফএসএসএআই মাতৃদুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ ও বিক্রি অনুমোদন করবে না। মায়ের বুকের দুধ ও এর পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সম্পর্কিত সব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এই নির্দেশের কোনো লঙ্ঘনের ফলে এফএসএস আইন, ২০০৬ এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত নিয়ম ও প্রবিধান অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসা অপারেটরদের (এফবিও) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে শীর্ষ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
মাতৃদুগ্ধ বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের লাইসেন্স না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও নির্দেশ দিয়েছে এফএসএসএআই। এ প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত করা উচিত যে, মায়ের দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ বা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত এফবিওকে কোনো লাইসেন্স বা জিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না।
জাতীয় নির্দেশিকা অনুসারে, ডোনার হিউম্যান মিল্ক (ডিএইচএম) বা মাতৃদুগ্ধ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। যেসব হাসপাতালে কম্প্রিহেনসিভ ল্যাক্টেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (সিএলএমসি) রয়েছে, কেবল সেসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া নবজাতক ও শিশুদের এই দুধ দেওয়া যেতে পারে।
ভারতের সরকারি বিধানমতে, কোনো আর্থিক সুবিধা ছাড়া স্বাধীনভাবে এবং স্বেচ্ছায় দাতার মাতৃদুগ্ধ দান করা উচিত। দান করা এই দুধ হাসপাতালের নবজাতক এবং অন্যান্য মায়ের শিশুরা বিনা মূল্যে ব্যবহার করবে।

তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৪১ মিনিট আগে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ভিসা রয়েছে প্রায় ৮ হাজারের বেশি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়...
৪ ঘণ্টা আগে
কানাডার সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের জন্য পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভার্চুয়াল অ্যাম্বাসি’ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘এখনই ইরান ত্যাগ করুন।’ এতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর না করে ইরান ছাড়ার জন্য নিজস্ব পরিকল্পনা রাখুন।’
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, তাঁর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। চাইলে ওয়াশিংটন ‘যাচাই’ করে দেখতে পারে। তবে ইরান আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনের জবাবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার...
৫ ঘণ্টা আগে