
ভারতের বিহারের একটি মন্দিরে পদদলিত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারীও রয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আজ শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। স্বভাবতই শিবের মাথায় জল ঢালতে গতকাল রোববার (১১ আগস্ট) রাত থেকে বহু মানুষ আসেন বিহারের জেহানাবাদ জেলার সিদ্ধেশ্বর নাথ মন্দিরে। বিহারসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসেন এই মন্দিরে। সেখানে হুড়োহুড়িতে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পৌঁছায় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরাও। গভীর রাত পর্যন্ত চলে উদ্ধারকাজ। ঘটনার খবর পেয়ে বিহার পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও পৌঁছান। কীভাবে এ ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্দিরে আসা একজন ভক্ত জানান, ফুল-বিক্রেতার সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠিচার্জ করে। এতেই পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রশাসনের কেউ ছিল না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতির কারণে এমনটি ঘটেছে।’
জেহানাবাদের মহকুমা আধিকারিক (এসডিও) বিকাশ কুমার এনসিসি স্বেচ্ছাসেবকদের লাঠিচার্জের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এমন কিছু ঘটেনি। এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ছিল। সেখানে কঠোর নজরদারি ছিল। ফোর্স (এনসিসি), সিভিল ডেপুটেশন এবং মেডিকেল টিমসহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের পরে আমরা আরও বিস্তারিত জানাব।’
এদিকে ঘটনার পর সিদ্ধেশ্বর মন্দিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভক্তদের ভিড় সামলাত বিপুল মাত্রায় পুলিশ ও অন্যান্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় এসডিও জানিয়েছেন, মর্মান্তিক একটি ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

ভারতের বিহারের একটি মন্দিরে পদদলিত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারীও রয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আজ শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। স্বভাবতই শিবের মাথায় জল ঢালতে গতকাল রোববার (১১ আগস্ট) রাত থেকে বহু মানুষ আসেন বিহারের জেহানাবাদ জেলার সিদ্ধেশ্বর নাথ মন্দিরে। বিহারসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসেন এই মন্দিরে। সেখানে হুড়োহুড়িতে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পৌঁছায় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরাও। গভীর রাত পর্যন্ত চলে উদ্ধারকাজ। ঘটনার খবর পেয়ে বিহার পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও পৌঁছান। কীভাবে এ ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্দিরে আসা একজন ভক্ত জানান, ফুল-বিক্রেতার সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠিচার্জ করে। এতেই পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রশাসনের কেউ ছিল না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতির কারণে এমনটি ঘটেছে।’
জেহানাবাদের মহকুমা আধিকারিক (এসডিও) বিকাশ কুমার এনসিসি স্বেচ্ছাসেবকদের লাঠিচার্জের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এমন কিছু ঘটেনি। এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ছিল। সেখানে কঠোর নজরদারি ছিল। ফোর্স (এনসিসি), সিভিল ডেপুটেশন এবং মেডিকেল টিমসহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের পরে আমরা আরও বিস্তারিত জানাব।’
এদিকে ঘটনার পর সিদ্ধেশ্বর মন্দিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভক্তদের ভিড় সামলাত বিপুল মাত্রায় পুলিশ ও অন্যান্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় এসডিও জানিয়েছেন, মর্মান্তিক একটি ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

চীন একটি সরকারি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, জাপান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সক্ষমতা রাখে এবং গোপনে অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদনও করে থাকতে পারে। ৩০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, জাপানের তথাকথিত ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ ঠেকাতে...
৩০ মিনিট আগে
ইরানের রাজপথে এখন শুধু স্লোগান নয়, ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিবাদের নতুন নতুন ভাষা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিট, এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামে বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে— ইরানি নারীরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে সেই আগুনে সিগারেট ধরাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য হিউ হিউইট শো নামে এক পডকাস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি তাঁকে দেখেছি।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সংকটের মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রার রেকর্ড দরপতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন সরাসরি সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি চাপ বাড়তে থাকায় দেশটির ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এক গভীর বৈধতার সংকটে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে