আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাপানে এক সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, চীনের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’। এটি ‘আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে’ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি-টোকিওর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে মোদি দুই দিনের সফরে জাপানে রয়েছেন। তিনি সেখানে চারটি কারখানা পরিদর্শন করবেন, যার মধ্যে ভারত যে ই-১০ শিনকানসেন বুলেট ট্রেন কেনার আশা করছে, তার একটি প্রোটোটাইপ তৈরির কারখানাও রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ব্যবসাসংক্রান্ত বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এরপর তিনি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনে যাবেন। এই আঞ্চলিক জোটে রাশিয়া, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও বেলারুশ রয়েছে।
জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমকে মোদি বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে আমি এখান থেকে তিয়ানজিনে গিয়ে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেব। গত বছর কাজানে প্রেসিডেন্ট সির সঙ্গে আমার বৈঠকের পর থেকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে স্থিতিশীল ও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
মোদি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর দুটি বৃহত্তম দেশ ভারত ও চীনের মধ্যে স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি-সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বহুমেরুকেন্দ্রিক এশিয়া ও বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে, ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কারণে দুই এশীয় শক্তি তাদের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন শুল্কের কারণে দুই দেশের মধ্যে কয়েক দশকের সামরিক উত্তেজনা কিছুটা কমে এসেছে। ভারত সরকারের একটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, এ শুল্কের ফলে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি প্রভাবিত হতে পারে। তাই সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উভয় দেশই তাদের রপ্তানি বাজারকে বহুমুখী করার চেষ্টা করছে।
এ ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া যায় গত মার্চে। সে সময় চীনের পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের পর ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানায় তারা। তখন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দিল্লি ও বেইজিংকে ‘আধিপত্যবাদ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরোধিতা করার নেতৃত্ব দিতে’ বলেন।
মোদির বক্তব্যে পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ইভি (বৈদ্যুতিক গাড়ি) শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, এ শিল্পে ব্যবহৃত বিরল খনিজ পদার্থ উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন। ওয়াং ই তাঁর দিল্লি সফরে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভারতকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ দুই দেশের বিশাল বাজার একে অপরের অর্থনীতিকে চাঙা করতে পারে। এর আরও একটি বড় প্রমাণ হলো—বাণিজ্য বৃদ্ধি ও সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি। ২০২০ সাল থেকে সামরিক উত্তেজনার পর লাদাখে সামরিক বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকেও একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাপানে এক সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, চীনের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’। এটি ‘আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে’ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি-টোকিওর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে মোদি দুই দিনের সফরে জাপানে রয়েছেন। তিনি সেখানে চারটি কারখানা পরিদর্শন করবেন, যার মধ্যে ভারত যে ই-১০ শিনকানসেন বুলেট ট্রেন কেনার আশা করছে, তার একটি প্রোটোটাইপ তৈরির কারখানাও রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ব্যবসাসংক্রান্ত বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এরপর তিনি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনে যাবেন। এই আঞ্চলিক জোটে রাশিয়া, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও বেলারুশ রয়েছে।
জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমকে মোদি বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে আমি এখান থেকে তিয়ানজিনে গিয়ে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেব। গত বছর কাজানে প্রেসিডেন্ট সির সঙ্গে আমার বৈঠকের পর থেকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে স্থিতিশীল ও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
মোদি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর দুটি বৃহত্তম দেশ ভারত ও চীনের মধ্যে স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি-সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বহুমেরুকেন্দ্রিক এশিয়া ও বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে, ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কারণে দুই এশীয় শক্তি তাদের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন শুল্কের কারণে দুই দেশের মধ্যে কয়েক দশকের সামরিক উত্তেজনা কিছুটা কমে এসেছে। ভারত সরকারের একটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, এ শুল্কের ফলে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি প্রভাবিত হতে পারে। তাই সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উভয় দেশই তাদের রপ্তানি বাজারকে বহুমুখী করার চেষ্টা করছে।
এ ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া যায় গত মার্চে। সে সময় চীনের পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের পর ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানায় তারা। তখন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই দিল্লি ও বেইজিংকে ‘আধিপত্যবাদ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরোধিতা করার নেতৃত্ব দিতে’ বলেন।
মোদির বক্তব্যে পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ইভি (বৈদ্যুতিক গাড়ি) শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, এ শিল্পে ব্যবহৃত বিরল খনিজ পদার্থ উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন। ওয়াং ই তাঁর দিল্লি সফরে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভারতকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ দুই দেশের বিশাল বাজার একে অপরের অর্থনীতিকে চাঙা করতে পারে। এর আরও একটি বড় প্রমাণ হলো—বাণিজ্য বৃদ্ধি ও সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি। ২০২০ সাল থেকে সামরিক উত্তেজনার পর লাদাখে সামরিক বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকেও একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়া শেষ করে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী সেখান থেকে সরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাত্রা করেছে বলে জানা গেছে। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই খবরের ঠিক আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দেন।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের শীর্ষ নেতা ও গাজার অন্যান্য ফিলিস্তিনি সংগঠনের প্রতিনিধিরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থান করছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যত টালমাটাল অবস্থায়। কারণ, ইসরায়েল একের পর এক তা লঙ্ঘন করছে এবং গাজায় গণহত্যামূলক
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট–আইসিই এজেন্টরা একটি গাড়ি থেকে টেনে–হিঁচড়ে বের করে নেওয়ার সময় চিৎকার করতে থাকা যে নারীর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, তাঁকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি একজন প্রযুক্তিবিদ, এলজিবিটি ও বর্ণবৈষম্যবিরোধী অধিকারকর্মী।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের এক মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ডানপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলোর টানা প্রতিবাদের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)...
৬ ঘণ্টা আগে