আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ভবেশচন্দ্র রায় নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর লাশ উদ্ধারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার ও প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।
ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগত নিপীড়ন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আলাদা বিবৃতিতে কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ‘বারবার ও অত্যন্ত উদ্বেগজনক হামলার’ ঘটনা ঘটেছে। উভয় বিবৃতিতে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুর হত্যার ঘটনার বিচার ও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ৫৮ বছর বয়সী ভবেশচন্দ্র রায় বিরামপুরের বাসুদেবপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের বিরামপুর (প্রকৃত ঘটনাস্থল বিরল) ইউনিটের সভাপতি ছিলেন। দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার ব্যক্তি তাঁকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে।
এরপর, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভবেশচন্দ্র রায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়।
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ রায়ের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘এই অপহরণ ও মর্মান্তিক মৃত্যু এই অঞ্চলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার এক উদ্বেগজনক স্মারক।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে বলেছেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগত নিপীড়নের অংশ। আগের ঘটনাগুলোর অপরাধীরা শাস্তি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে অজুহাত তৈরি না করে বা ভেদাভেদ না করে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি।’
এই বিবৃতি ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়েছে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া দাবি করেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভবেশ রায় তাঁর একটি কল পান। পরিবার কথোপকথনের কোনো অংশ শুনতে না পেলেও, আধঘণ্টা পর দুটি মোটরসাইকেল তাদের বাড়ির সামনে থামে। চারজন যুবক বাড়িতে জোর করে প্রবেশ করে এবং টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যায়।
পরে রাত ১০টার দিকে ভবেশ রায়ের রক্তাক্ত দেহ ভ্যানে করে বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপর তাঁকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের যোগাযোগ বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বারবার এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু মন্দির অপবিত্র করা থেকে শুরু করে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং ব্যবসার ওপর সুনির্দিষ্ট হামলা হয়েছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নৃশংসতার এই ধারা উপেক্ষা করা যায় না।’
কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদী সরকারকে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করার এবং একটি দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। রমেশ লিখেছেন, ‘আমরা আবারও দাবি করছি যে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষা করা হোক।’
উল্লেখ্য, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের বিশেষ করে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনের বরাত দিয়েছে। ডেইলি স্টার প্রথমে ভবেশকে অপহরণ করে পিটিয়ে হত্যার তথ্য দিলেও পরে তা সংশোধন করেছে।
জানা যাচ্ছে, ভবেশকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন। পরে পাশের বাজারে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁকে মারধর করা হয়েছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযুক্ত একজনের কাছ থেকে ভবেশ সুদে টাকা ধার নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।
আরও খবর পড়ুন:

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ভবেশচন্দ্র রায় নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর লাশ উদ্ধারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার ও প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।
ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগত নিপীড়ন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আলাদা বিবৃতিতে কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ‘বারবার ও অত্যন্ত উদ্বেগজনক হামলার’ ঘটনা ঘটেছে। উভয় বিবৃতিতে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুর হত্যার ঘটনার বিচার ও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ৫৮ বছর বয়সী ভবেশচন্দ্র রায় বিরামপুরের বাসুদেবপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের বিরামপুর (প্রকৃত ঘটনাস্থল বিরল) ইউনিটের সভাপতি ছিলেন। দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার ব্যক্তি তাঁকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে।
এরপর, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভবেশচন্দ্র রায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়।
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ রায়ের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘এই অপহরণ ও মর্মান্তিক মৃত্যু এই অঞ্চলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার এক উদ্বেগজনক স্মারক।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে বলেছেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগত নিপীড়নের অংশ। আগের ঘটনাগুলোর অপরাধীরা শাস্তি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে অজুহাত তৈরি না করে বা ভেদাভেদ না করে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি।’
এই বিবৃতি ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়েছে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া দাবি করেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভবেশ রায় তাঁর একটি কল পান। পরিবার কথোপকথনের কোনো অংশ শুনতে না পেলেও, আধঘণ্টা পর দুটি মোটরসাইকেল তাদের বাড়ির সামনে থামে। চারজন যুবক বাড়িতে জোর করে প্রবেশ করে এবং টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যায়।
পরে রাত ১০টার দিকে ভবেশ রায়ের রক্তাক্ত দেহ ভ্যানে করে বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপর তাঁকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের যোগাযোগ বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বারবার এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু মন্দির অপবিত্র করা থেকে শুরু করে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং ব্যবসার ওপর সুনির্দিষ্ট হামলা হয়েছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নৃশংসতার এই ধারা উপেক্ষা করা যায় না।’
কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদী সরকারকে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করার এবং একটি দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। রমেশ লিখেছেন, ‘আমরা আবারও দাবি করছি যে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষা করা হোক।’
উল্লেখ্য, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের বিশেষ করে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনের বরাত দিয়েছে। ডেইলি স্টার প্রথমে ভবেশকে অপহরণ করে পিটিয়ে হত্যার তথ্য দিলেও পরে তা সংশোধন করেছে।
জানা যাচ্ছে, ভবেশকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন। পরে পাশের বাজারে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁকে মারধর করা হয়েছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযুক্ত একজনের কাছ থেকে ভবেশ সুদে টাকা ধার নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।
আরও খবর পড়ুন:

আফগানিস্তানে দীর্ঘ খরা শেষে ভারী বৃষ্টি আর তুষারপাত শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টি কিছু স্বস্তি দিলেও সেই স্বস্তি দ্রুতই বিষাদে রূপ নিয়েছে। প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছে আরও ১১ জন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের অন্যতম ধনী শহর নিউইয়র্কের বুকে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন বছরের শুরুতে যখন জোহরান মামদানি মেয়র হিসেবে শপথ নেন, তখন দৃশ্যটা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। চারদিকে জনস্রোত, সাত ব্লকজুড়ে উৎসব, আর আকাশ কাঁপানো স্লোগান—‘ধনীদের ওপর কর আরোপ কর’—এভাবেই স্বাগত জানাল শহর তার নতুন নেতৃত্বকে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডের একটি অভিজাত স্কি রিসোর্টে নতুন বছর উদ্যাপনের আনন্দ মুহূর্তেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রাঁস-মঁতানা স্কি রিসোর্টে নববর্ষের রাতে একটি জনাকীর্ণ বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়...
১২ ঘণ্টা আগে