বুলডোজার দিয়ে আন্দোলনকারীদের বাড়ি গুড়িয়ে দেওয়া আইন সম্মতভাবে করা হয়েছে কিনা সেটা উত্তর প্রদেশ (ইউপি) সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।
আজ বৃহস্পতিবার প্রয়াগরাজে জাভেদ খানের দোতলা বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেছেন, ‘উচ্ছেদ অভিযান আইন অনুযায়ী হতে হবে। কিন্তু সেটা প্রতিশোধমূলক হতে পারে না।’
সুপ্রিম কোর্ট ইউপি সরকার এবং প্রয়াগরাজ ও কানপুরের পৌর কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দিয়ে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে তাঁদের বক্তব্য জানাতে বলেছেন।
বুলডোজার দিয়ে প্রতিবাদীদের মুখ বন্ধ করার যে কৌশল ইউপিতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিয়েছেন তার সমালোচনায় সরব গোটা দেশ। ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি গোবিন্দ মাথুরও বিনা বিচারে কারও বাড়ি ভেঙে দেওয়ার ঘোর বিরোধী। ইউপির ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর তরফে করা মামলার শুনানিতে এদিন সুপ্রিম কোর্ট বলেন, ‘সবকিছু সঠিকভাবে হওয়া উচিত। আমরা আশা করি কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করবে। অপ্রীতিকর কিছু যেন না ঘটে এজন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।’
আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এর আগেই ইউপি সরকার ও স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জমিয়তের তরফে আইনজীবী সিইউ সিং বলেন, ‘কোনও বাড়ি ভাঙার আগে ১৫ থেকে ৪০ দিনের নোটিশ দিতে হয়। ইউপিতে সেটা করা হয়নি।’

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৪ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে