
কাশির সিরাপ খেয়ে গাম্বিয়ায় ৬৬ জন শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে ভারতের মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি করা চারটি কাশির সিরাপের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে গত অক্টোবরে অভিযোগ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সম্প্রতি ভারত সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ওই চারটি সিরাপ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য মেনেই সিরাপগুলো তৈরি করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, অভিযোগ উত্থাপন করলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি আজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়ে বলেছে, আফ্রিকার দেশগুলোতে জেনেরিক ওষুধের প্রধান সরবরাহকারী দেশ হচ্ছে ভারত।
গত ১৩ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রেগুলেশন এবং প্রিকোয়ালিফিকেশন বিভাগের পরিচালক রজেরিও গাসপারকে সম্বোধন করে একটি চিঠি লিখেছেন ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার জেনারেল ড. ভিজি সোমানি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেই চিঠির অনুলিপি সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গত অক্টোবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতীয় কাশির সিরাপের ওপর সতর্কতা জারি করলে ভারত ওই সব সিরাপ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। সিরাপগুলোর নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলোতে কোনো দূষিত যৌগ উপাদান নেই। পরীক্ষার ফলাফল ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল দ্বারা আরও অধিকতর পরীক্ষা করা হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত অক্টোবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, কাশির সিরাপগুলোর নমুনা তারা পরীক্ষা করেছে এবং সিরাপগুলোতে অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে ডাইথাইলিন গ্লাইকল ও ইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া গেছে।
ড. ভিজি সোমানির লেখা চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অক্টোবরের বিবৃতিটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। এতে ভারতের ওষুধশিল্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।’

কাশির সিরাপ খেয়ে গাম্বিয়ায় ৬৬ জন শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে ভারতের মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি করা চারটি কাশির সিরাপের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে গত অক্টোবরে অভিযোগ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে সম্প্রতি ভারত সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ওই চারটি সিরাপ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য মেনেই সিরাপগুলো তৈরি করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, অভিযোগ উত্থাপন করলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি আজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়ে বলেছে, আফ্রিকার দেশগুলোতে জেনেরিক ওষুধের প্রধান সরবরাহকারী দেশ হচ্ছে ভারত।
গত ১৩ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রেগুলেশন এবং প্রিকোয়ালিফিকেশন বিভাগের পরিচালক রজেরিও গাসপারকে সম্বোধন করে একটি চিঠি লিখেছেন ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার জেনারেল ড. ভিজি সোমানি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেই চিঠির অনুলিপি সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গত অক্টোবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতীয় কাশির সিরাপের ওপর সতর্কতা জারি করলে ভারত ওই সব সিরাপ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। সিরাপগুলোর নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলোতে কোনো দূষিত যৌগ উপাদান নেই। পরীক্ষার ফলাফল ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল দ্বারা আরও অধিকতর পরীক্ষা করা হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত অক্টোবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, কাশির সিরাপগুলোর নমুনা তারা পরীক্ষা করেছে এবং সিরাপগুলোতে অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে ডাইথাইলিন গ্লাইকল ও ইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া গেছে।
ড. ভিজি সোমানির লেখা চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অক্টোবরের বিবৃতিটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। এতে ভারতের ওষুধশিল্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।’

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
২ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে