
ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেতরে এবং বাইরে থেকে যেকোনো বিবেচনায় অনন্য। তাঁর তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা হবে এক ঐতিহাসিক বিষয়। এমনটাই বলেছেন মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংবাদিক ফরিদ জাকারিয়া। এ সময় তিনি মোদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গেও তুলনা করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন অভিজ্ঞ সাংবাদিক, ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক ফরিদ জাকারিয়া। সেখানে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। তার মধ্যে ভারতের রাজনীতি এবং নরেন্দ্র মোদি প্রসঙ্গ বড় একটি অংশজুড়ে ছিল। সম্প্রতি ফরিদ জাকারিয়া একটি বই লিখেছেন ‘দ্য এজ অব রেভল্যুশন নামে।
ফরিদ জাকারিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়—মোদি তো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি রেটিং পাওয়া নেতা (সোজা কথায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা)। এই অবস্থায় এই জনপ্রিয়তা মোদিকে কী বাড়তি গণতান্ত্রিক বৈধতা দেবে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে?
জবাবে ফরিদ জাকারিয়া বলেন, ‘এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নৈতিক ও রাজনৈতিক কিছু রসদ অবশ্যই জোগাবে। তবে এই বিষয়টি কী (জনপ্রিয়তা) চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তাঁদের মতো যাঁরা আছেন তাঁদের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে? আদতে তা নয়, তাঁদের কার্যক্রম হলো নিজ নিজ সরকারের সঙ্গে। বাইরের কে কী বলল সেটা তাঁদের ভাবনার বিষয় নয়।’
এ সময় ফরিদ জাকারিয়া বলেন, তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদির কাছে মুখ্য প্রশ্নটি হবে—তিনি তৃতীয় মেয়াদে আসলে কী করতে চান। তিনি বলেন, ‘ভারতকে তিনি উত্তরাধিকার হিসেবে কী দিতে চান? তাঁর তৃতীয় মেয়াদ হবে ঐতিহাসিক, তিনি খুবই জনপ্রিয়। বহির্বিশ্বেও অনেক জনপ্রিয় তিনি, অনেক দেশই তাঁর কথা শোনে। তাই তিনি হয়তো আব্রাহাম লিঙ্কনের মতো সেই একই—একটি উন্নত দৃষ্টিকোণ বেছে নেওয়ার—আহ্বান জানাতে পারেন কিংবা পথ বন্ধ হয়ে যায়নি, আরও পথ খোলা আছে সেই দিকে ধাবিত হতে পারেন।’
বিশ্বজুড়ে উদারতাবাদের বিরুদ্ধে যে সমালোচনা চলছে তাদের প্রগতিবাদী আন্দোলন একটি বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। এ ছাড়া, বড় বড় শহরগুলোতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হচ্ছে—এমন ধারণা এ ধরনের আন্দোলনে আরও হাওয়া জুগিয়েছে। এই অবস্থায় যারা এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিজেদের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন, তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা আছে বলে মনে করেন ফরিদ জাকারিয়া।
ফরিদ জাকারিয়া মোদির প্রশংসা করে আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজ দেশ এবং দেশের বাইরে সব মানুষের কাছেই এক অনন্য নেতা। তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে আম আদমি হিসেবেও মিশে যেতে পারেন, আবার একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্পের মধ্যে এই কৌশলের কিছু অংশ আছে, কিন্তু তিনি অনেক কম জনপ্রিয়। আমেরিকার শহুরে জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই মনে করেন, ট্রাম্প তাঁদের লোক নন।’
এই জায়গায় মোদি অনন্য উল্লেখ করে সিএনএনের এই সাংবাদিক বলেন, ‘তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি সাধারণ মানুষের মাঝে নিজের আবেদন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং একই সঙ্গে তিনি ভারতের টেকনোক্র্যাটদের অংশও হতে পেরেছেন; যারা প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিকীকরণের মাধ্যমে ভারতকে এগিয়ে নিচ্ছে। এ কারণেই আমি মনে করি, তিনি রাজনৈতিকভাবে এতটা সফল হয়েছেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে খুবই কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন।’
ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেতরে এবং বাইরে থেকে যেকোনো বিবেচনায় অনন্য। তাঁর তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা হবে এক ঐতিহাসিক বিষয়। এমনটাই বলেছেন মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংবাদিক ফরিদ জাকারিয়া। এ সময় তিনি মোদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গেও তুলনা করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন অভিজ্ঞ সাংবাদিক, ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক ফরিদ জাকারিয়া। সেখানে বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। তার মধ্যে ভারতের রাজনীতি এবং নরেন্দ্র মোদি প্রসঙ্গ বড় একটি অংশজুড়ে ছিল। সম্প্রতি ফরিদ জাকারিয়া একটি বই লিখেছেন ‘দ্য এজ অব রেভল্যুশন নামে।
ফরিদ জাকারিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়—মোদি তো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি রেটিং পাওয়া নেতা (সোজা কথায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা)। এই অবস্থায় এই জনপ্রিয়তা মোদিকে কী বাড়তি গণতান্ত্রিক বৈধতা দেবে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে?
জবাবে ফরিদ জাকারিয়া বলেন, ‘এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নৈতিক ও রাজনৈতিক কিছু রসদ অবশ্যই জোগাবে। তবে এই বিষয়টি কী (জনপ্রিয়তা) চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তাঁদের মতো যাঁরা আছেন তাঁদের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে? আদতে তা নয়, তাঁদের কার্যক্রম হলো নিজ নিজ সরকারের সঙ্গে। বাইরের কে কী বলল সেটা তাঁদের ভাবনার বিষয় নয়।’
এ সময় ফরিদ জাকারিয়া বলেন, তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদির কাছে মুখ্য প্রশ্নটি হবে—তিনি তৃতীয় মেয়াদে আসলে কী করতে চান। তিনি বলেন, ‘ভারতকে তিনি উত্তরাধিকার হিসেবে কী দিতে চান? তাঁর তৃতীয় মেয়াদ হবে ঐতিহাসিক, তিনি খুবই জনপ্রিয়। বহির্বিশ্বেও অনেক জনপ্রিয় তিনি, অনেক দেশই তাঁর কথা শোনে। তাই তিনি হয়তো আব্রাহাম লিঙ্কনের মতো সেই একই—একটি উন্নত দৃষ্টিকোণ বেছে নেওয়ার—আহ্বান জানাতে পারেন কিংবা পথ বন্ধ হয়ে যায়নি, আরও পথ খোলা আছে সেই দিকে ধাবিত হতে পারেন।’
বিশ্বজুড়ে উদারতাবাদের বিরুদ্ধে যে সমালোচনা চলছে তাদের প্রগতিবাদী আন্দোলন একটি বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। এ ছাড়া, বড় বড় শহরগুলোতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হচ্ছে—এমন ধারণা এ ধরনের আন্দোলনে আরও হাওয়া জুগিয়েছে। এই অবস্থায় যারা এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিজেদের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন, তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা আছে বলে মনে করেন ফরিদ জাকারিয়া।
ফরিদ জাকারিয়া মোদির প্রশংসা করে আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজ দেশ এবং দেশের বাইরে সব মানুষের কাছেই এক অনন্য নেতা। তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে আম আদমি হিসেবেও মিশে যেতে পারেন, আবার একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্পের মধ্যে এই কৌশলের কিছু অংশ আছে, কিন্তু তিনি অনেক কম জনপ্রিয়। আমেরিকার শহুরে জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই মনে করেন, ট্রাম্প তাঁদের লোক নন।’
এই জায়গায় মোদি অনন্য উল্লেখ করে সিএনএনের এই সাংবাদিক বলেন, ‘তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি সাধারণ মানুষের মাঝে নিজের আবেদন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং একই সঙ্গে তিনি ভারতের টেকনোক্র্যাটদের অংশও হতে পেরেছেন; যারা প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিকীকরণের মাধ্যমে ভারতকে এগিয়ে নিচ্ছে। এ কারণেই আমি মনে করি, তিনি রাজনৈতিকভাবে এতটা সফল হয়েছেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে খুবই কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন।’

নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জোহরান মামদানির হাতে লেখা একটি চিঠি নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভারতের কারাবন্দী ছাত্রনেতা ও অধিকারকর্মী উমর খালিদের দীর্ঘ বন্দিত্বের বিষয়টি।
২১ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে তোলা হচ্ছে। তাঁকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার নিউইয়র্কের আদালতের নিকটবর্তী একটি হেলিপোর্টে কিছুক্ষণ আগে অবতরণ করেছে। আজ সোমবার তাঁকে ওই আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
সব অনিশ্চয়তা ও অমানবিক যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের বীরভূমের রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সোনালী খাতুন। গত বছর অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় দিল্লি পুলিশ তাঁকে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দাবিমতো রাশিয়া থেকে তেল কেনা না কমালে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে