
কলকাতার হৃদয়ে ঘটে গেল এক ভয়াবহ ঘটনা। বাংলায় কথা বলার কারণে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারমাইকেল হোস্টেলের কয়েকজন ছাত্রকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, শিয়ালদহের শিশির মার্কেটের কিছু ব্যবসায়ী প্রথমে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে অপমান করেন এবং পরে দল বেঁধে ছুরি, বন্দুকের বাঁট ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ হামলায় অন্তত ১০ জন ছাত্র আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, শুধু বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। ছাত্ররা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মুচিপাড়া থানার সামনে বিক্ষোভ করেন। রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যে বাংলা ভাষাভাষীদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ সন্দেহে হয়রানির অভিযোগ বারবার সামনে আসছে। এবার সে ধরনের ঘটনার ঢেউ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর আঘাত হানল।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন।

লাল জার্সি পরা খেলোয়াড়েরা আনন্দে লাফাচ্ছেন। সতীর্থদের গায়ে ছিটিয়ে দিচ্ছেন শ্যাম্পেন। চারপাশে উড়ছে ছোট ছোট রঙিন কাগজের টুকরো ও রঙিন ফিতা। মোবাইল ফোন হাতে উল্লাসে মেতে উঠেছেন দর্শকেরা। দৃশ্যটি দেখে মনে হতে পারে, সদ্যই বিশ্বকাপ জিতেছে কোনো ফুটবল দল।
৬ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের ফুটবল তারকা ২৪ বছর বয়সী মাইকেল ওলিসের বিরুদ্ধে তাঁর সাবেক প্রেমিকা ও সন্তানের মা ৩৪ বছর বয়সী ফাতিমা জাউনব্রেচার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। আলিয়াহ নুর নামে তাঁদের ২০ মাস বয়সী এক গোপন কন্যাও রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন বিরোধী কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে দলটির নেতা-কর্মীরা রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান
৯ ঘণ্টা আগে
জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এর জন্য ইউক্রেনের সেনাপ্রধান জেনারেল ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে দায়ী করছেন অনেকে। এই অবস্থায় সিরস্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে।
১০ ঘণ্টা আগে