আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সম্প্রতি এক মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছে। তিনি সরাসরি বলেছেন, ব্রাহ্মণেরাই ‘আমাদের সমাজে জ্ঞানের শিখা প্রজ্বলিত করেন’ এবং প্রত্যেক সরকারেরই এই সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করা উচিত।
গতকাল রোববার দিল্লির পিতামপুরায় শ্রী ব্রাহ্মণ সভা আয়োজিত সর্বভারতীয় ব্রাহ্মণ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের ভূমিকার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, ‘সমাজে যদি কেউ জ্ঞানের শিখা জ্বালিয়ে থাকেন, তাহলে তা হলো আমাদের ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়। তাঁরা শুধু শাস্ত্রেরই নয়, অস্ত্রের পূজাও করেন। আজ শুধু অস্ত্র ও শাস্ত্রের মাধ্যমেই আমরা সমাজ এবং দেশকে সুরক্ষিত রাখতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, জ্ঞানের প্রসার এবং ধর্মের প্রচারের পাশাপাশি সদিচ্ছার চেতনার মাধ্যমে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সব সময় সমাজের মঙ্গলের জন্য কাজ করে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করা উচিত।’
নিজের সরকারের কাজের গতি এবং পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, দিল্লিতে উন্নয়নের অনেক কাজ বাকি রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দিল্লিতে আমরা কীভাবে আমাদের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে আপনারা (ব্রাহ্মণ সমাজ) পরামর্শ দেওয়া চালিয়ে যান, কারণ এখানে প্রচুর বকেয়া কাজ পড়ে আছে। ২৭ বছর ধরে দিল্লি ধীর গতিতে চলছে। এখন সময় এসেছে গতি বাড়ানোর এবং প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার, কারণ মনে হচ্ছে আমাদের চারপাশের রাজ্যগুলো আমাদের ছাড়িয়ে গেছে।’
মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘যদি আমরা সবাই দিল্লি এবং এর জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করি, তবে দিল্লি অবশ্যই একটি “উন্নত দিল্লি” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, তাঁর সরকার প্রতিটি সম্প্রদায়কে সমান সুযোগ দিতে এবং সমাজে তাদের অবদানকে সম্মান জানানোর প্রতি লক্ষ্য রাখে। তিনি বলেন, ‘শুধু একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজই সত্যিকারের অগ্রগতি অর্জন করতে পারে।’

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা সম্প্রতি এক মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছে। তিনি সরাসরি বলেছেন, ব্রাহ্মণেরাই ‘আমাদের সমাজে জ্ঞানের শিখা প্রজ্বলিত করেন’ এবং প্রত্যেক সরকারেরই এই সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করা উচিত।
গতকাল রোববার দিল্লির পিতামপুরায় শ্রী ব্রাহ্মণ সভা আয়োজিত সর্বভারতীয় ব্রাহ্মণ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের ভূমিকার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, ‘সমাজে যদি কেউ জ্ঞানের শিখা জ্বালিয়ে থাকেন, তাহলে তা হলো আমাদের ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়। তাঁরা শুধু শাস্ত্রেরই নয়, অস্ত্রের পূজাও করেন। আজ শুধু অস্ত্র ও শাস্ত্রের মাধ্যমেই আমরা সমাজ এবং দেশকে সুরক্ষিত রাখতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, জ্ঞানের প্রসার এবং ধর্মের প্রচারের পাশাপাশি সদিচ্ছার চেতনার মাধ্যমে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সব সময় সমাজের মঙ্গলের জন্য কাজ করে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করা উচিত।’
নিজের সরকারের কাজের গতি এবং পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, দিল্লিতে উন্নয়নের অনেক কাজ বাকি রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দিল্লিতে আমরা কীভাবে আমাদের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে আপনারা (ব্রাহ্মণ সমাজ) পরামর্শ দেওয়া চালিয়ে যান, কারণ এখানে প্রচুর বকেয়া কাজ পড়ে আছে। ২৭ বছর ধরে দিল্লি ধীর গতিতে চলছে। এখন সময় এসেছে গতি বাড়ানোর এবং প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার, কারণ মনে হচ্ছে আমাদের চারপাশের রাজ্যগুলো আমাদের ছাড়িয়ে গেছে।’
মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘যদি আমরা সবাই দিল্লি এবং এর জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করি, তবে দিল্লি অবশ্যই একটি “উন্নত দিল্লি” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, তাঁর সরকার প্রতিটি সম্প্রদায়কে সমান সুযোগ দিতে এবং সমাজে তাদের অবদানকে সম্মান জানানোর প্রতি লক্ষ্য রাখে। তিনি বলেন, ‘শুধু একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজই সত্যিকারের অগ্রগতি অর্জন করতে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২০ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে