
ধর্মান্তরকরণ বিরোধী আইন নিয়ে একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ রাজ্যকে জবাবদিহির নোটিশ পাঠিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রণের বেঞ্চ চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়ে উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান সরকারকে নোটিশ পাঠিয়েছে। আদালত আরও জানিয়েছে, ছয় সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, এই আইনগুলো ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সংবিধান প্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী। আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী চন্দ্র উদয় সিং আদালতে বলেন, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, গুজরাট, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড ও কর্ণাটকে কার্যকর করা এই আইনগুলোর মধ্যে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খর্ব করছে। বিশেষ করে আন্তঃধর্মীয় বিবাহকে অপরাধের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব আইনের কিছু বিধান এতটাই কঠোর যে অভিযুক্তদের জামিন পাওয়ার সুযোগ প্রায় থাকে না। ফলে ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব করার জন্য আইনগুলো হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধর্মান্তরকরণ বা ভিন্ন ধর্মে বিবাহ একটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক সিদ্ধান্ত, যেখানে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ গণতান্ত্রিক কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এই আইনগুলো প্রশাসনের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা তুলে দিয়েছে, যা মানুষের মৌলিক অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছে, ভারতের সংবিধান ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার যে নিশ্চয়তা দেয়, সেটিই এখন আদালতের ব্যাখ্যার কেন্দ্রে উঠে আসছে। এদিকে এই আইনগুলো মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতেই বেশি কার্যকর হয়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
বিরোধীরা দাবি করছে, এগুলো আসলে সামাজিক বাস্তবতার চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আনা হয়েছে। আদালতের নির্দেশের পর এখন নজর থাকবে পাঁচ রাজ্যের উত্তরের দিকে, কারণ তাদের ব্যাখ্যার মধ্য দিয়েই মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে