
দলীয় সব স্তরেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৫০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার রাজস্থানের উদয়পুরে দলটির ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনে দলটির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি উত্থাপন করে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
কংগ্রেসের সাংগঠনিক সব স্তরে তফসিলি সম্প্রদায় (শিডিউলড কাস্ট-এসসি), তফসিলি উপজাতি (শিডিউলড ট্রাইবস-এসটি), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিসহ (ওবিসি) সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে দলটি। উদয়পুরের ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনে প্রস্তাবিত বিষয়গুলো হলো:
তিন দিনের ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, কংগ্রেস নেতা কে রাজু দলটির নির্বাচনী বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে উজ্জীবিত করার কৌশল নিয়ে কাজ করছে। রাজু দলে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনয়নের তালিকা করেছেন।
রাজু বলেছেন, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও ক্ষমতায়নের জন্য দলে সাংগঠনিক সংস্কার চালু করা হবে। চিন্তন শিবিরের তৃতীয় দিনে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সভায় এটি অনুমোদন করা হবে।’ কংগ্রেস সভাপতিকে সহায়তা করার লক্ষ্যে একটি সামাজিক ন্যায়বিচার উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। কমিটি সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয়গুলি দেখবে এবং সুপারিশ দেবে।
কে রাজু সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘দলের সংখ্যালঘু ও দুর্বল অংশের জন্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির একটি বিশেষ অধিবেশন প্রতি ছয় মাস পর পর অনুষ্ঠিত হবে।’
সংখ্যালঘুদের কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এ বিষয়ে কে রাজু বলেন, ‘জাতীয় নীতিমালা বাস্তবায়ন স্তরে আমরা একটি সম্প্রদায়ভিত্তিক আদমশুমারি করতে চাই। তফসিলি সম্প্রদায় (শিডিউলড কাস্ট-এসসি), তফসিলি উপজাতি (শিডিউলড ট্রাইবস-এসটি) ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিসহ (ওবিসি) ওবিসিদের জন্য বেসরকারি ক্ষেত্র সংরক্ষণ করতে চাই এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ বিলে আমরা এসসি এবং এসটি নারীদের জন্য একটি আইন করতে চাই।’

দলীয় সব স্তরেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৫০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার রাজস্থানের উদয়পুরে দলটির ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনে দলটির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি উত্থাপন করে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
কংগ্রেসের সাংগঠনিক সব স্তরে তফসিলি সম্প্রদায় (শিডিউলড কাস্ট-এসসি), তফসিলি উপজাতি (শিডিউলড ট্রাইবস-এসটি), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিসহ (ওবিসি) সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে দলটি। উদয়পুরের ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনে প্রস্তাবিত বিষয়গুলো হলো:
তিন দিনের ‘চিন্তন শিবিরে’র দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, কংগ্রেস নেতা কে রাজু দলটির নির্বাচনী বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে উজ্জীবিত করার কৌশল নিয়ে কাজ করছে। রাজু দলে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনয়নের তালিকা করেছেন।
রাজু বলেছেন, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও ক্ষমতায়নের জন্য দলে সাংগঠনিক সংস্কার চালু করা হবে। চিন্তন শিবিরের তৃতীয় দিনে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সভায় এটি অনুমোদন করা হবে।’ কংগ্রেস সভাপতিকে সহায়তা করার লক্ষ্যে একটি সামাজিক ন্যায়বিচার উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। কমিটি সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয়গুলি দেখবে এবং সুপারিশ দেবে।
কে রাজু সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘দলের সংখ্যালঘু ও দুর্বল অংশের জন্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির একটি বিশেষ অধিবেশন প্রতি ছয় মাস পর পর অনুষ্ঠিত হবে।’
সংখ্যালঘুদের কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এ বিষয়ে কে রাজু বলেন, ‘জাতীয় নীতিমালা বাস্তবায়ন স্তরে আমরা একটি সম্প্রদায়ভিত্তিক আদমশুমারি করতে চাই। তফসিলি সম্প্রদায় (শিডিউলড কাস্ট-এসসি), তফসিলি উপজাতি (শিডিউলড ট্রাইবস-এসটি) ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিসহ (ওবিসি) ওবিসিদের জন্য বেসরকারি ক্ষেত্র সংরক্ষণ করতে চাই এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ বিলে আমরা এসসি এবং এসটি নারীদের জন্য একটি আইন করতে চাই।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে