কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ মঙ্গলবার পালিত হয়েছে ‘খেলা হবে’ দিবস। রাজ্যে বিজেপিকে পিছু হটাতেই নেতা-কর্মীদের চাঙা করতেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূলের এই উদ্যোগ। তবে তৃণমূলের এমন কর্মসূচির জবাবে বিজেপিও আগামী ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্য বিজেপির প্রধান কার্যালয় নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে কর্মীদের ঝান্ডার সঙ্গে ডান্ডাও আনার ডাক দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
এর আগে, ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিয়ে বিধানসভা ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল। সরকার গঠনের পর সেই স্লোগানকে বাঁচিয়ে রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে শুরু হয় ‘খেলা হবে’ দিবস পালন।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা নেমে পড়েন ‘খেলা হবে’ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। কোথাও বাস্তবেই খেলা হচ্ছে, কোথাও আবার মিছিল-মিটিং থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে কথামালার হুংকার বর্ষিত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফেও রাজ্যের ৩৪৫টি ব্লক, ১১৯টি পৌরসভা,৬টি পৌর করপোরেশন ও ২৩টি জেলা সদর থেকে শুরু করে সর্বত্র আয়োজন করা হয়েছে ‘খেলা হবে’ দিবস পালনের অনুষ্ঠান।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দলীয় কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকারের তদন্তকারী সংস্থার নিরপেক্ষতার দাবিতে রাস্তায় নামার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই ‘খেলা হবে’ দিবসে সরকার বিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে তৃণমূল।
তবে তৃণমূলের এমন কর্মসূচির জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কিসের খেলা হবে? এর মধ্যেই তো দুই গোল খেয়ে বসে আছে তৃণমূল!’ তৃণমূলের সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া দুই শীর্ষ নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি এই মন্তব্য করেন। তৃণমূলের কর্মসূচির জবাবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিজেপি রাজ্য সরকারের প্রধান কার্যালয় নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে কর্মীদের ঝান্ডার সঙ্গে এদিন ডান্ডাও নিয়ে আসার ডাক দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ মঙ্গলবার পালিত হয়েছে ‘খেলা হবে’ দিবস। রাজ্যে বিজেপিকে পিছু হটাতেই নেতা-কর্মীদের চাঙা করতেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূলের এই উদ্যোগ। তবে তৃণমূলের এমন কর্মসূচির জবাবে বিজেপিও আগামী ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্য বিজেপির প্রধান কার্যালয় নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে কর্মীদের ঝান্ডার সঙ্গে ডান্ডাও আনার ডাক দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
এর আগে, ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিয়ে বিধানসভা ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল। সরকার গঠনের পর সেই স্লোগানকে বাঁচিয়ে রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে শুরু হয় ‘খেলা হবে’ দিবস পালন।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা নেমে পড়েন ‘খেলা হবে’ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। কোথাও বাস্তবেই খেলা হচ্ছে, কোথাও আবার মিছিল-মিটিং থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে কথামালার হুংকার বর্ষিত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফেও রাজ্যের ৩৪৫টি ব্লক, ১১৯টি পৌরসভা,৬টি পৌর করপোরেশন ও ২৩টি জেলা সদর থেকে শুরু করে সর্বত্র আয়োজন করা হয়েছে ‘খেলা হবে’ দিবস পালনের অনুষ্ঠান।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দলীয় কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকারের তদন্তকারী সংস্থার নিরপেক্ষতার দাবিতে রাস্তায় নামার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই ‘খেলা হবে’ দিবসে সরকার বিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে তৃণমূল।
তবে তৃণমূলের এমন কর্মসূচির জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কিসের খেলা হবে? এর মধ্যেই তো দুই গোল খেয়ে বসে আছে তৃণমূল!’ তৃণমূলের সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া দুই শীর্ষ নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি এই মন্তব্য করেন। তৃণমূলের কর্মসূচির জবাবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিজেপি রাজ্য সরকারের প্রধান কার্যালয় নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে কর্মীদের ঝান্ডার সঙ্গে এদিন ডান্ডাও নিয়ে আসার ডাক দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে