
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ও এর সমর্থনে সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে জার্মানি। সেসঙ্গে ইসরায়েলে হামাসের হামলা উদ্যাপনকারী সংগঠনকেও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জার্মানির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ গত ১২ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণকে উদ্যাপন করা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফেসার আজ বৃহস্পতিবার বলেন, তিনি হামাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যকলাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছেন। আর এই নিষেধাজ্ঞা আজ থেকেই কার্যকর হবে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণকে উদ্যাপন করা সংগঠন সামিদৌন নেটওয়ার্কের জার্মান শাখাকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন। সংগঠনটির বিরুদ্ধে হামাসের কার্যকলাপকে ‘সমর্থন ও মহিমান্বিত’ করার অভিযোগ তোলেন তিনি।
গত ৭ অক্টোবর সকালে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তারা মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের দিকে ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। একই সঙ্গে স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথে দেশটিতে ঢুকে পড়েন হামাস যোদ্ধারা। হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। এখনো অনেকে হামাসের কাছে বন্দী আছে।
হামাসের এই হামলাকে সমর্থন ও উদ্যাপন করে সামিদৌন নেটওয়ার্ক। বার্লিনের একটি রাস্তায় পথচারীদের হাতে পেস্ট্রি তুলে দেয় সংগঠনটির সদস্যরা। এরপর দেশটির পুলিশ বার্লিনে ফিলিস্তিনপন্থী যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। এ ছাড়া বার্লিনের পথেঘাটে যারা ইসরায়েলিদের মৃত্যুকে ছোট করে দেখবে এবং তা উদ্যাপন করবে, হামাসকে মহিমান্বিত করবে এবং ইসরায়েলের পতাকা পোড়াবে তাদের ফৌজদারি অপরাধে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানান হয়।
সে সময় ওলাফ শোলজ বলেন, ‘এই মুহূর্তে একটি পক্ষই নিতে পারে জার্মানি, আর তা হলো ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চালানো গণহত্যার পর নিজেদের ইতিহাস অনুসারেই আমাদের চিরস্থায়ী দায়িত্ব হচ্ছে, ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য দাঁড়ানো।’
উল্লেখ্য, ফ্রান্সেও ফিলিস্তিনপন্থী সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার। পাশাপাশি যেসব বিদেশি নাগরিক ফ্রান্সের মাটিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে মিছিল বা সভা-সমাবেশ করবে তাদের ‘ব্যবস্থাগতভাবে’ নিজ দেশেও পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ও এর সমর্থনে সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে জার্মানি। সেসঙ্গে ইসরায়েলে হামাসের হামলা উদ্যাপনকারী সংগঠনকেও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জার্মানির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ গত ১২ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণকে উদ্যাপন করা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফেসার আজ বৃহস্পতিবার বলেন, তিনি হামাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যকলাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছেন। আর এই নিষেধাজ্ঞা আজ থেকেই কার্যকর হবে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণকে উদ্যাপন করা সংগঠন সামিদৌন নেটওয়ার্কের জার্মান শাখাকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন। সংগঠনটির বিরুদ্ধে হামাসের কার্যকলাপকে ‘সমর্থন ও মহিমান্বিত’ করার অভিযোগ তোলেন তিনি।
গত ৭ অক্টোবর সকালে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা শুরু করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তারা মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের দিকে ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। একই সঙ্গে স্থলপথ, জলপথ ও আকাশপথে দেশটিতে ঢুকে পড়েন হামাস যোদ্ধারা। হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। এখনো অনেকে হামাসের কাছে বন্দী আছে।
হামাসের এই হামলাকে সমর্থন ও উদ্যাপন করে সামিদৌন নেটওয়ার্ক। বার্লিনের একটি রাস্তায় পথচারীদের হাতে পেস্ট্রি তুলে দেয় সংগঠনটির সদস্যরা। এরপর দেশটির পুলিশ বার্লিনে ফিলিস্তিনপন্থী যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। এ ছাড়া বার্লিনের পথেঘাটে যারা ইসরায়েলিদের মৃত্যুকে ছোট করে দেখবে এবং তা উদ্যাপন করবে, হামাসকে মহিমান্বিত করবে এবং ইসরায়েলের পতাকা পোড়াবে তাদের ফৌজদারি অপরাধে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানান হয়।
সে সময় ওলাফ শোলজ বলেন, ‘এই মুহূর্তে একটি পক্ষই নিতে পারে জার্মানি, আর তা হলো ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চালানো গণহত্যার পর নিজেদের ইতিহাস অনুসারেই আমাদের চিরস্থায়ী দায়িত্ব হচ্ছে, ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য দাঁড়ানো।’
উল্লেখ্য, ফ্রান্সেও ফিলিস্তিনপন্থী সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার। পাশাপাশি যেসব বিদেশি নাগরিক ফ্রান্সের মাটিতে ফিলিস্তিনের পক্ষে মিছিল বা সভা-সমাবেশ করবে তাদের ‘ব্যবস্থাগতভাবে’ নিজ দেশেও পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন ওভারহেড রেলপথের ক্রেন ভেঙে চলন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৬ জন। আহতদের মধ্যে এক বছরের একটি শিশু ও ৮৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধও রয়েছেন। আহত সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১৫ মিনিট আগে
২০২৮ সালের লন্ডন মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে লড়তে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে রিফর্ম ইউকে। দলটির পক্ষ থেকে ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিলের বর্তমান কাউন্সিলর লায়লা কানিংহামের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ এখন সংঘাতের দোরগোড়ায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়ার পর তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হামলা হলে তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং যেসব প্রতিবেশী দেশে মার্কিন..
১ ঘণ্টা আগে
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে গাজা উপত্যকা আজ শিশুদের জন্য এক ভয়াবহ নরকে পরিণত হয়েছে। আহত, পঙ্গু ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনি শিশুরা এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে—যেখানে শৈশব, শিক্ষা ও স্বপ্ন সবই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে