
উত্তেজনা চরমে উঠেছে পশ্চিমা মিত্র পোল্যান্ড ও রাশিয়ার মিত্র বেলারুশের মধ্যে। পোল্যান্ড অভিযোগ করেছে, বেলারুশের সামরিক হেলিকপ্টার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে—এই অভিযোগ এনে দেশটি সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেলারুশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পোল্যান্ড পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বেলারুশ সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এই সেনা মোতায়েন করেছে দেশটি। তবে বেলারুশের সামরিক বাহিনী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ন্যাটো জোটে সদস্য দেশটি (পোল্যান্ড) স্রেফ সীমান্তে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি বৈধ করতেই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সংস্থা ভাগনার উপস্থিতি নিয়ে পোল্যান্ডকে উসকানি দিয়েছিলেন।
পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সীমান্তে যুদ্ধ হেলিকপ্টারসহ অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। তারা আরও জানিয়েছে, বেলারুশের হেলিকপ্টারের পোলিশ সীমান্ত লঙ্ঘনের বিষয়ে ন্যাটোকে জানানো হয়েছে এবং বেলারুশের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে।
পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনী প্রথম দিকে সীমান্ত লঙ্ঘনের কথা না জানালেও পরে অভিযোগ করে যে, বেলারুশের যুদ্ধ হেলিকপ্টার খুব নিচু দিয়ে পোল্যান্ডের ভূমিতে প্রবেশ করে। উচ্চতা কম থাকায় সেটিকে রাডারেও ঠিকমতো ধরা যায়নি।
এদিকে বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে লিখেছে, ‘ওয়ারশ এ ঘটনার বিষয়ে মন পরিবর্তন করেছে স্পষ্টতই তার বিদেশি প্রভুদের সঙ্গে পরামর্শ করার পরে।’ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তাদের এমআই-৮ এবং এমআই-২৪ হেলিকপ্টারগুলো কোনো সীমান্ত লঙ্ঘন করেনি।
অন্যদিকে, বেলারুশে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এরই মধ্যে বেলারুশে বেশ কিছু অস্ত্র পৌঁছেও গেছে। বিষয়টি পশ্চিমা বিশ্বের খুব একটা পছন্দ হয়নি। তারা, বিশেষ করে ন্যাটো বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেছে।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে পোল্যান্ডের দীর্ঘ শত্রুতার ইতিহাস রয়েছে। একই অবস্থা রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গেও। রাশিয়া গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই ন্যাটোর অন্যান্য দেশের তুলনায় পোল্যান্ড অনেক বেশি সরব। দেশটি ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েও সহায়তা করেছে। বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মস্কো।
গত সপ্তাহেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করে বলেছেন, পোল্যান্ড আঞ্চলিক পরাশক্তি হতে চায় এবং বেলারুশের ভূমি দখল করে নেওয়ার খায়েশ তাদের রয়েছে। তবে পুতিন সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বেলারুশের কোনো হামলা মানে হলো রাশিয়ার ওপর হামলা।

উত্তেজনা চরমে উঠেছে পশ্চিমা মিত্র পোল্যান্ড ও রাশিয়ার মিত্র বেলারুশের মধ্যে। পোল্যান্ড অভিযোগ করেছে, বেলারুশের সামরিক হেলিকপ্টার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে—এই অভিযোগ এনে দেশটি সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেলারুশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পোল্যান্ড পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বেলারুশ সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এই সেনা মোতায়েন করেছে দেশটি। তবে বেলারুশের সামরিক বাহিনী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ন্যাটো জোটে সদস্য দেশটি (পোল্যান্ড) স্রেফ সীমান্তে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি বৈধ করতেই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সংস্থা ভাগনার উপস্থিতি নিয়ে পোল্যান্ডকে উসকানি দিয়েছিলেন।
পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সীমান্তে যুদ্ধ হেলিকপ্টারসহ অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। তারা আরও জানিয়েছে, বেলারুশের হেলিকপ্টারের পোলিশ সীমান্ত লঙ্ঘনের বিষয়ে ন্যাটোকে জানানো হয়েছে এবং বেলারুশের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে।
পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনী প্রথম দিকে সীমান্ত লঙ্ঘনের কথা না জানালেও পরে অভিযোগ করে যে, বেলারুশের যুদ্ধ হেলিকপ্টার খুব নিচু দিয়ে পোল্যান্ডের ভূমিতে প্রবেশ করে। উচ্চতা কম থাকায় সেটিকে রাডারেও ঠিকমতো ধরা যায়নি।
এদিকে বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে লিখেছে, ‘ওয়ারশ এ ঘটনার বিষয়ে মন পরিবর্তন করেছে স্পষ্টতই তার বিদেশি প্রভুদের সঙ্গে পরামর্শ করার পরে।’ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তাদের এমআই-৮ এবং এমআই-২৪ হেলিকপ্টারগুলো কোনো সীমান্ত লঙ্ঘন করেনি।
অন্যদিকে, বেলারুশে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এরই মধ্যে বেলারুশে বেশ কিছু অস্ত্র পৌঁছেও গেছে। বিষয়টি পশ্চিমা বিশ্বের খুব একটা পছন্দ হয়নি। তারা, বিশেষ করে ন্যাটো বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেছে।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে পোল্যান্ডের দীর্ঘ শত্রুতার ইতিহাস রয়েছে। একই অবস্থা রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গেও। রাশিয়া গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই ন্যাটোর অন্যান্য দেশের তুলনায় পোল্যান্ড অনেক বেশি সরব। দেশটি ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েও সহায়তা করেছে। বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মস্কো।
গত সপ্তাহেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করে বলেছেন, পোল্যান্ড আঞ্চলিক পরাশক্তি হতে চায় এবং বেলারুশের ভূমি দখল করে নেওয়ার খায়েশ তাদের রয়েছে। তবে পুতিন সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বেলারুশের কোনো হামলা মানে হলো রাশিয়ার ওপর হামলা।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে