
যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার শহরে ইহুদিদের উপাসনালয় সিনাগগের সামনে বেশ কয়েক ব্যক্তিকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এক ব্যক্তিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এতে চারজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ম্যানচেস্টারের ক্রাম্পসল এলাকার হিটন পার্ক সিনাগগের সামনে ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে পবিত্র দিন ইয়োম কিপ্পুরে এই ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গুলি করে পুলিশ। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এখনো জীবিত আছেন।
ম্যানচেস্টার পুলিশ নিশ্চিত করেছে, আজ সকালে হামলার সময় একটি গাড়ি দিয়ে পথচারীদের ধাক্কা দেওয়া হয় এবং এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আজ সকাল ৯টা ৪১ মিনিটের দিকে প্যারামেডিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হামলায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে চার ব্যক্তি গাড়ি দিয়ে ধাক্কা এবং ছুরিকাঘাতের কারণে আঘাত পেয়েছেন।’
ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এলাকাবাসীকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে বলেছেন।
বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘এটি গুরুতর ঘটনা। তবে একই সঙ্গে আমি কিছুটা আশ্বস্ত করতে পারি, তাৎক্ষণিক বিপদ শেষ হয়েছে। ম্যানচেস্টার পুলিশ খুব দ্রুত এর মোকাবিলা করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ এবং ওই স্থানের নিরাপত্তাকর্মীদের কাছ থেকে অসাধারণ সহায়তা পাওয়া গেছে।’

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে