আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেছেন, স্বল্প পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার অপরাধে শাস্তি লাঘবের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে তিনি এমন মত দেন। তাঁর মতে, প্রতিবেদনটি একটি ‘প্রমাণভিত্তিক, গ্রহণযোগ্য যুক্তি’ তুলে ধরেছে।
স্কাই নিউজ জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, গাঁজা একটি ‘বি’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে কেউ গাঁজাসহ ধরা পড়লে তাঁকে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। তবে ২০২২ সালে মেয়র সাদিক খানের উদ্যোগে গঠিত ‘লন্ডন ড্রাগস কমিশন’ (এলডিসি) এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বর্তমান আইন গাঁজার প্রকৃত ক্ষতির তুলনায় অতিরিক্ত কঠোর।
এলডিসি-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—বিশ্বজুড়ে গাঁজা নিয়ন্ত্রণে যেভাবে আইন প্রয়োগ করা হয়, তা পর্যালোচনার পর দেখা গেছে, গাঁজা নিয়ে পুলিশের নজরদারি অনেকাংশেই নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ওপর কেন্দ্রীভূত। এর ফলে পুলিশের সঙ্গে এসব জনগোষ্ঠীর সম্পর্কের অবনতি ঘটছে।
প্রতিবেদনটিতে গাঁজার পূর্ণ বৈধতার কথা বলা হয়নি, বরং প্রাকৃতিক গাঁজাকে বর্তমান ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার আইন’ থেকে সরিয়ে ‘মনোসক্রিয় বস্তু আইন’-এর আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে করে ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখা আইনসংগত হবে, যদিও আমদানি, উৎপাদন ও সরবরাহ নিষিদ্ধই থাকবে।
কমিশন আরও বলেছে—গাঁজা সেবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে আরও ভালো শিক্ষা প্রচার এবং আসক্তদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।
কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে সাদিক খান বলেন, ‘মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে আমাদের নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার জন্য বর্তমান দণ্ড ব্যবস্থা যৌক্তিক নয়।’
এলডিসি-এর প্রধান ও সাবেক লর্ড চ্যান্সেলর লর্ড চার্লি ফাকনার বলেছেন, ‘গাঁজা সম্পূর্ণ বৈধ করা সমাধান নয়। আমাদের আইন ব্যবস্থাকে শুধু মাদক ব্যবসায়ীদের ওপর জোর দিতে হবে, ব্যবহারকারীদের ওপর নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবহারকারী গাঁজার ক্ষতিকর প্রভাব ভোগ করেন, তাদের জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।’
ব্রিটিশ সরকার অবশ্য এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘গাঁজা এখনো বি শ্রেণির মাদক এবং আমরা এটিকে নতুন শ্রেণিবিন্যাসের কোনো পরিকল্পনা করছি না।’

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেছেন, স্বল্প পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার অপরাধে শাস্তি লাঘবের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে তিনি এমন মত দেন। তাঁর মতে, প্রতিবেদনটি একটি ‘প্রমাণভিত্তিক, গ্রহণযোগ্য যুক্তি’ তুলে ধরেছে।
স্কাই নিউজ জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, গাঁজা একটি ‘বি’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। এর ফলে কেউ গাঁজাসহ ধরা পড়লে তাঁকে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। তবে ২০২২ সালে মেয়র সাদিক খানের উদ্যোগে গঠিত ‘লন্ডন ড্রাগস কমিশন’ (এলডিসি) এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বর্তমান আইন গাঁজার প্রকৃত ক্ষতির তুলনায় অতিরিক্ত কঠোর।
এলডিসি-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—বিশ্বজুড়ে গাঁজা নিয়ন্ত্রণে যেভাবে আইন প্রয়োগ করা হয়, তা পর্যালোচনার পর দেখা গেছে, গাঁজা নিয়ে পুলিশের নজরদারি অনেকাংশেই নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ওপর কেন্দ্রীভূত। এর ফলে পুলিশের সঙ্গে এসব জনগোষ্ঠীর সম্পর্কের অবনতি ঘটছে।
প্রতিবেদনটিতে গাঁজার পূর্ণ বৈধতার কথা বলা হয়নি, বরং প্রাকৃতিক গাঁজাকে বর্তমান ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার আইন’ থেকে সরিয়ে ‘মনোসক্রিয় বস্তু আইন’-এর আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে করে ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিমাণ প্রাকৃতিক গাঁজা রাখা আইনসংগত হবে, যদিও আমদানি, উৎপাদন ও সরবরাহ নিষিদ্ধই থাকবে।
কমিশন আরও বলেছে—গাঁজা সেবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে আরও ভালো শিক্ষা প্রচার এবং আসক্তদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।
কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে সাদিক খান বলেন, ‘মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে আমাদের নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক গাঁজা রাখার জন্য বর্তমান দণ্ড ব্যবস্থা যৌক্তিক নয়।’
এলডিসি-এর প্রধান ও সাবেক লর্ড চ্যান্সেলর লর্ড চার্লি ফাকনার বলেছেন, ‘গাঁজা সম্পূর্ণ বৈধ করা সমাধান নয়। আমাদের আইন ব্যবস্থাকে শুধু মাদক ব্যবসায়ীদের ওপর জোর দিতে হবে, ব্যবহারকারীদের ওপর নয়। পাশাপাশি যেসব ব্যবহারকারী গাঁজার ক্ষতিকর প্রভাব ভোগ করেন, তাদের জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।’
ব্রিটিশ সরকার অবশ্য এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘গাঁজা এখনো বি শ্রেণির মাদক এবং আমরা এটিকে নতুন শ্রেণিবিন্যাসের কোনো পরিকল্পনা করছি না।’

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
১০ ঘণ্টা আগে