
ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে যুদ্ধে বহু রুশ সৈন্যকে মেরে ফেলার এবং গোলাবারুদের দুটি ডিপো ধ্বংস করার দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দিনিপ্রো নদীর ওপর দিয়ে খেরসন পর্যন্ত রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়াও দাবি করেছে। আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সামরিক বাহিনীর দক্ষিণ কমান্ড বলেছে, অধিকৃত ক্রিমিয়া থেকে রুশ বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অধিকৃত এলাকায় পরিবহন সংযোগগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ফলে দিনিপ্রোর ওপর দিয়ে যাওয়া রেলসেতুতে পরিবহন চলাচল সম্ভব নয়।
খেরসনকে বিচ্ছিন্ন করতে গত কয়েক সপ্তাহে দিনিপ্রো এলাকার তিনটি সেতুকে ধ্বংস করেছে কিয়েভ। এ কাজে তারা পশ্চিমাদের সরবরাহ করা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রুশ সেনারা দিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ইউক্রেন বাহিনীর দক্ষিণ কমান্ড বলেছে, খেরসন অঞ্চলে শুক্রবারের যুদ্ধে ১০০ জনেরও বেশি রুম সৈন্য নিহত হয়েছেন এবং সাতটি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে।
খেরসন আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম উপপ্রধান ইউরি সোবোলেভস্কি স্থানীয় বাসিন্দাদের রাশিয়ার গোলাবারুদের ডিপো থেকে দূরে থাকতে বলেছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, হতাহতের বিষয়টি তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী ও তাদের মিত্রদের দখলে থাকা দোনেৎস্কে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর গোলায় অন্তত ৪০ জন যুদ্ধবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৭০ জন। ওই ৪০ জন যুদ্ধবন্দীর সবাই ইউক্রেনের নাগরিক এবং তাদের ওলেনিভকা নামক এলাকার একটি ক্যাম্পে বন্দী করে রাখা হয়েছিল।
তবে রাশিয়ার এমন দাবির জবাবে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এমন কোনো আক্রমণ চালায়নি। তারা রাশিয়ার সেনাবাহিনীকেই এই হামলার জন্য দায়ী করেছে।
ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়া ওই ক্যাম্পে তাদের চালানো নির্যাতনের প্রমাণ মুছে ফেলতেই এই হামলা চালিয়েছে। রুশ দখলদারেরা তাদের দখলদারত্ব বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এ ধরনের হামলা চালিয়ে তাঁর দায় ইউক্রেনের ঘাড়ে চাপিয়ে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত করতে চায়। বন্দীদের নির্যাতন করার প্রমাণ মুছে ফেলতেই রাশিয়ান ফেডারেশনের সশস্ত্র বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে।

ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে যুদ্ধে বহু রুশ সৈন্যকে মেরে ফেলার এবং গোলাবারুদের দুটি ডিপো ধ্বংস করার দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দিনিপ্রো নদীর ওপর দিয়ে খেরসন পর্যন্ত রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়াও দাবি করেছে। আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সামরিক বাহিনীর দক্ষিণ কমান্ড বলেছে, অধিকৃত ক্রিমিয়া থেকে রুশ বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অধিকৃত এলাকায় পরিবহন সংযোগগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ফলে দিনিপ্রোর ওপর দিয়ে যাওয়া রেলসেতুতে পরিবহন চলাচল সম্ভব নয়।
খেরসনকে বিচ্ছিন্ন করতে গত কয়েক সপ্তাহে দিনিপ্রো এলাকার তিনটি সেতুকে ধ্বংস করেছে কিয়েভ। এ কাজে তারা পশ্চিমাদের সরবরাহ করা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রুশ সেনারা দিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ইউক্রেন বাহিনীর দক্ষিণ কমান্ড বলেছে, খেরসন অঞ্চলে শুক্রবারের যুদ্ধে ১০০ জনেরও বেশি রুম সৈন্য নিহত হয়েছেন এবং সাতটি ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে।
খেরসন আঞ্চলিক পরিষদের প্রথম উপপ্রধান ইউরি সোবোলেভস্কি স্থানীয় বাসিন্দাদের রাশিয়ার গোলাবারুদের ডিপো থেকে দূরে থাকতে বলেছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, হতাহতের বিষয়টি তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী ও তাদের মিত্রদের দখলে থাকা দোনেৎস্কে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর গোলায় অন্তত ৪০ জন যুদ্ধবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৭০ জন। ওই ৪০ জন যুদ্ধবন্দীর সবাই ইউক্রেনের নাগরিক এবং তাদের ওলেনিভকা নামক এলাকার একটি ক্যাম্পে বন্দী করে রাখা হয়েছিল।
তবে রাশিয়ার এমন দাবির জবাবে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এমন কোনো আক্রমণ চালায়নি। তারা রাশিয়ার সেনাবাহিনীকেই এই হামলার জন্য দায়ী করেছে।
ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়া ওই ক্যাম্পে তাদের চালানো নির্যাতনের প্রমাণ মুছে ফেলতেই এই হামলা চালিয়েছে। রুশ দখলদারেরা তাদের দখলদারত্ব বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এ ধরনের হামলা চালিয়ে তাঁর দায় ইউক্রেনের ঘাড়ে চাপিয়ে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত করতে চায়। বন্দীদের নির্যাতন করার প্রমাণ মুছে ফেলতেই রাশিয়ান ফেডারেশনের সশস্ত্র বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে