
ইউক্রেনে চলমান সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার আলোচনা থেকে শিগগিরই ফলাফল পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছে ইউক্রেন। রোববার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মাইখিলো পোদোলিয়াক এ কথা জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
টুইটারে পোস্ট করা এক ভিডিওতে মাইখিলো পোদোলিয়াক বলেছেন, ‘আমি মনে করি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা থেকে “কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারব আমরা”।’
ওই ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এই জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা পোদোলিয়াক বলেছে, ‘রাশিয়া “ইউক্রেনের অবস্থানের প্রতি অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে” এবং তাঁরা “গঠনমূলকভাবে কথা বলতে শুরু করেছে”।’
খুঁটিনাটি সব বিষয়ই আলোচনার টেবিলে রয়েছে উল্লেখ করে পোদোলিয়াক বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে দেওয়া প্রস্তাবগুলো নিয়ে এখনো আলোচনা হচ্ছে। তবে তারাও খুব শক্ত অবস্থানে আছেন। সৈন্য প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি ইত্যাদি বিষয়ে আমরা আমাদের নীতির বাইরে কোনো ছাড় দেব না।’
এর আগে, রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের সদস্য লিওনিদ স্লুৎস্কি এ কথা বলেছেন, ইউক্রেন সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। লিওনিদ স্লুৎস্কি বলেন, ‘যদি আমরা আলোচনা শুরুর পূর্বের পরিস্থিতির সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির অবস্থানের তুলনা করি তাহলে আমরা দেখতে পাব যে—সেখানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’
লিওনিদ স্লুৎস্কি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, এই অগ্রগতি উভয় প্রতিনিধি দলের ঐকমত্যের অবস্থান তৈরি করতে পারবে এবং শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে পৌঁছাবে।’
দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হলেও সেখান থেকে কোনো ধরনের ফলাফল এখনো আসেনি। তবে, গত শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন—ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় ‘কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি’ অর্জিত হয়েছে।
বিপরীতে মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তা ও কূটনীতিকেরা সিএনএন-এর সঙ্গে আলাপকালে তাঁরা সবাই আলোচনার অবস্থা এবং অর্জন নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, আজ পর্যন্ত পুতিন এমন কোনো পদক্ষেপ নেননি যা কিনা যুদ্ধ শেষ করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই প্রাধান্য দেয়

ইউক্রেনে চলমান সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার আলোচনা থেকে শিগগিরই ফলাফল পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছে ইউক্রেন। রোববার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মাইখিলো পোদোলিয়াক এ কথা জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
টুইটারে পোস্ট করা এক ভিডিওতে মাইখিলো পোদোলিয়াক বলেছেন, ‘আমি মনে করি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা থেকে “কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারব আমরা”।’
ওই ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এই জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা পোদোলিয়াক বলেছে, ‘রাশিয়া “ইউক্রেনের অবস্থানের প্রতি অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে” এবং তাঁরা “গঠনমূলকভাবে কথা বলতে শুরু করেছে”।’
খুঁটিনাটি সব বিষয়ই আলোচনার টেবিলে রয়েছে উল্লেখ করে পোদোলিয়াক বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে দেওয়া প্রস্তাবগুলো নিয়ে এখনো আলোচনা হচ্ছে। তবে তারাও খুব শক্ত অবস্থানে আছেন। সৈন্য প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি ইত্যাদি বিষয়ে আমরা আমাদের নীতির বাইরে কোনো ছাড় দেব না।’
এর আগে, রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের সদস্য লিওনিদ স্লুৎস্কি এ কথা বলেছেন, ইউক্রেন সংকট নিরসনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। লিওনিদ স্লুৎস্কি বলেন, ‘যদি আমরা আলোচনা শুরুর পূর্বের পরিস্থিতির সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির অবস্থানের তুলনা করি তাহলে আমরা দেখতে পাব যে—সেখানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’
লিওনিদ স্লুৎস্কি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, এই অগ্রগতি উভয় প্রতিনিধি দলের ঐকমত্যের অবস্থান তৈরি করতে পারবে এবং শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে পৌঁছাবে।’
দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হলেও সেখান থেকে কোনো ধরনের ফলাফল এখনো আসেনি। তবে, গত শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন—ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় ‘কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি’ অর্জিত হয়েছে।
বিপরীতে মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তা ও কূটনীতিকেরা সিএনএন-এর সঙ্গে আলাপকালে তাঁরা সবাই আলোচনার অবস্থা এবং অর্জন নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, আজ পর্যন্ত পুতিন এমন কোনো পদক্ষেপ নেননি যা কিনা যুদ্ধ শেষ করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই প্রাধান্য দেয়

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১২ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে