
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ থেকে যুক্তরাজ্যের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান সরকার। এ ঘটনার জেরে দেশটির সেনাবাহিনী বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্রিটেনের নিরাপত্তামন্ত্রী টম টুগেনধাত ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যান সমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ বলেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক্ষেপ নেবে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করার অর্থ হলো এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হওয়া, এর বৈঠকে উপস্থিত হওয়া এবং জনসমক্ষে এর লোগো বহন করা একটি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
তবে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ইরানের কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিক্ষোভ এখনো চলছে। চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত সপ্তাহে ইরানে থাকা ব্রিটেনের সাত নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ইরান সরকার।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক গত বুধবার ইরানকে দ্বৈত নাগরিকদের আটক করা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এই অনুশীলনকে কূটনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।’
এর আগে ২০১৯ সালের এপ্রিলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, ‘বিপ্লবী গার্ড ইরান সরকারের বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী অভিযান পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করার প্রাথমিক মাধ্যম।’ সে সময় হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ওয়াশিংটন প্রথমবারের মতো অন্য কোনো দেশের সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ থেকে যুক্তরাজ্যের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান সরকার। এ ঘটনার জেরে দেশটির সেনাবাহিনী বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে ব্রিটেন। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্রিটেনের নিরাপত্তামন্ত্রী টম টুগেনধাত ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যান সমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ বলেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক্ষেপ নেবে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করার অর্থ হলো এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হওয়া, এর বৈঠকে উপস্থিত হওয়া এবং জনসমক্ষে এর লোগো বহন করা একটি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
তবে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ইরানের কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিক্ষোভ এখনো চলছে। চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত সপ্তাহে ইরানে থাকা ব্রিটেনের সাত নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ইরান সরকার।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক গত বুধবার ইরানকে দ্বৈত নাগরিকদের আটক করা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এই অনুশীলনকে কূটনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।’
এর আগে ২০১৯ সালের এপ্রিলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, ‘বিপ্লবী গার্ড ইরান সরকারের বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী অভিযান পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করার প্রাথমিক মাধ্যম।’ সে সময় হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ওয়াশিংটন প্রথমবারের মতো অন্য কোনো দেশের সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে