
মাসখানেক আগে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে আক্রমণ শুরু করেছিল ইউক্রেন। এবার সেই অঞ্চলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে রাশিয়া। একই সঙ্গে সেই আক্রমণে অগ্রগতির দাবিও করেছেন এক জ্যেষ্ঠ রুশ কমান্ডার। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ থেকে কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। রুশ সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আপতি আলাদউদিনভ তাসকে বলেন, এই অভিযান সফলভাবে ইউক্রেনের সেনাদের পশ্চিমাঞ্চলে দখল করা প্রায় ১০টি লোকালয় থেকে সরিয়ে দিয়েছে।
আলাউদিনভ রাশিয়ার চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের আখমাত স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডার, যিনি বর্তমানে কুরস্কে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। অভিজ্ঞ এই সমরনেতা বলেন, ‘পরিস্থিতি আমাদের জন্য ভালো।’ আলাউদিনভের মতো একই ধরনের খবর দিয়েছেন রুশপন্থী বেশ কয়েকজন ব্লগার।
এর আগে আগস্টের শুরুর দিকে রাশিয়ার কুরস্কে হামলা চালায় ইউক্রেনীয় সেনারা। পরে মাসের শেষ দিকে এসে দেশটি দাবি করে, রাশিয়ার প্রায় ১ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার, অর্থাৎ প্রায় ৫০০ বর্গমাইল এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। ইউক্রেনীয় সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি এ দাবি করেন।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান দাবি করেন, রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ছাড়া এই অঞ্চলের অন্তত ১০০ রুশ স্থাপনার দখলও নিয়েছেন তাঁরা। তিনি জানিয়েছেন, কুরস্কে বিগত কয়েক দিনের অভিযানে তাঁরা রাশিয়ার ৫৯৪ জন সেনাকে আটক করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় রুশ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এটিই রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় সেনাদের সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অনুপ্রবেশ। মূলত ২০২২ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেন প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডে এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

মাসখানেক আগে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে আক্রমণ শুরু করেছিল ইউক্রেন। এবার সেই অঞ্চলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে রাশিয়া। একই সঙ্গে সেই আক্রমণে অগ্রগতির দাবিও করেছেন এক জ্যেষ্ঠ রুশ কমান্ডার। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ থেকে কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। রুশ সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আপতি আলাদউদিনভ তাসকে বলেন, এই অভিযান সফলভাবে ইউক্রেনের সেনাদের পশ্চিমাঞ্চলে দখল করা প্রায় ১০টি লোকালয় থেকে সরিয়ে দিয়েছে।
আলাউদিনভ রাশিয়ার চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের আখমাত স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডার, যিনি বর্তমানে কুরস্কে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। অভিজ্ঞ এই সমরনেতা বলেন, ‘পরিস্থিতি আমাদের জন্য ভালো।’ আলাউদিনভের মতো একই ধরনের খবর দিয়েছেন রুশপন্থী বেশ কয়েকজন ব্লগার।
এর আগে আগস্টের শুরুর দিকে রাশিয়ার কুরস্কে হামলা চালায় ইউক্রেনীয় সেনারা। পরে মাসের শেষ দিকে এসে দেশটি দাবি করে, রাশিয়ার প্রায় ১ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার, অর্থাৎ প্রায় ৫০০ বর্গমাইল এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। ইউক্রেনীয় সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি এ দাবি করেন।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান দাবি করেন, রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ছাড়া এই অঞ্চলের অন্তত ১০০ রুশ স্থাপনার দখলও নিয়েছেন তাঁরা। তিনি জানিয়েছেন, কুরস্কে বিগত কয়েক দিনের অভিযানে তাঁরা রাশিয়ার ৫৯৪ জন সেনাকে আটক করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় রুশ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এটিই রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় সেনাদের সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অনুপ্রবেশ। মূলত ২০২২ সালে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে ইউক্রেন প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডে এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে