
সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি অর্জনের দাবি করেছে ইউক্রেন। প্রতিপক্ষ রাশিয়াও স্বীকার করেছে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে অনেক গভীরে প্রবেশ করেছে। সর্বশেষ, কিয়েভ দাবি করেছে তাদের সেনারা খেরসনে অন্তত ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে দাবি করেছে—তাদের সেনারা ‘রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত’ খেরসনে অন্তত ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি ভূখণ্ড রাশিয়ার কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করেছে। দেশটির দাবি এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র নাতালিয়া গুমেনিউক ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘অক্টোবরের শুরু থেকে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী খেরসন অঞ্চলের ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকা মুক্ত করেছে।’
এ ছাড়া, ইউক্রেনের লুহানস্কের পূর্বাঞ্চলেও বেশ কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে কিয়েভ। লুহানস্কের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দোনেৎস্ক এবং দক্ষিণাঞ্চলেও বেশ অগ্রগতি লাভের দাবি করেছে কিয়েভ। গতকাল বুধবার লুহানস্কে ইউক্রেন কর্তৃক নিযুক্ত আঞ্চলিক গভর্নর সেরহি গাইদাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এই দাবি করেন।
টেলিগ্রাম বার্তায় সেরহি গাইদাই বলেন, ‘লুহানস্ককে দখলদার মুক্তকরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু স্থাপনা রাশিয়ার সেনাদের কাছ থেকে মুক্ত করা হয়েছে এবং সেখানে আবারও ইউক্রেনের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।’
কেবল লুহানস্ক নয়, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী খেরসনেও বেশ অগ্রগতি লাভের দাবি করেছে। খেরসন অঞ্চলের একটি গ্রাম রুশ বাহিনীর কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। এ অঞ্চল থেকে রুশ সেনারা পিছু হটেছে বলেও জানিয়েছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পোস্ট করা এক ভিডিওতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ৩৫ তম মেরিন ব্রিগেডকে খেরসনের ‘ডেভিডিভ ব্রিড’ গ্রামে পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি অর্জনের দাবি করেছে ইউক্রেন। প্রতিপক্ষ রাশিয়াও স্বীকার করেছে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে অনেক গভীরে প্রবেশ করেছে। সর্বশেষ, কিয়েভ দাবি করেছে তাদের সেনারা খেরসনে অন্তত ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে দাবি করেছে—তাদের সেনারা ‘রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত’ খেরসনে অন্তত ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি ভূখণ্ড রাশিয়ার কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করেছে। দেশটির দাবি এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র নাতালিয়া গুমেনিউক ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘অক্টোবরের শুরু থেকে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী খেরসন অঞ্চলের ৪০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকা মুক্ত করেছে।’
এ ছাড়া, ইউক্রেনের লুহানস্কের পূর্বাঞ্চলেও বেশ কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে কিয়েভ। লুহানস্কের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দোনেৎস্ক এবং দক্ষিণাঞ্চলেও বেশ অগ্রগতি লাভের দাবি করেছে কিয়েভ। গতকাল বুধবার লুহানস্কে ইউক্রেন কর্তৃক নিযুক্ত আঞ্চলিক গভর্নর সেরহি গাইদাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এই দাবি করেন।
টেলিগ্রাম বার্তায় সেরহি গাইদাই বলেন, ‘লুহানস্ককে দখলদার মুক্তকরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু স্থাপনা রাশিয়ার সেনাদের কাছ থেকে মুক্ত করা হয়েছে এবং সেখানে আবারও ইউক্রেনের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।’
কেবল লুহানস্ক নয়, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী খেরসনেও বেশ অগ্রগতি লাভের দাবি করেছে। খেরসন অঞ্চলের একটি গ্রাম রুশ বাহিনীর কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। এ অঞ্চল থেকে রুশ সেনারা পিছু হটেছে বলেও জানিয়েছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পোস্ট করা এক ভিডিওতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ৩৫ তম মেরিন ব্রিগেডকে খেরসনের ‘ডেভিডিভ ব্রিড’ গ্রামে পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে