
কানাডায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বদলে ভুল করে তাঁর দলের এক অনুবাদকের সঙ্গে করমর্দন এবং সম্ভাষণ জানান। সম্মেলনস্থলে ছবি তোলার এক মুহূর্তে ঘটনাটি ঘটে।
এক ভিডিওতে দেখা যায়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে স্টারমার ওই ব্যক্তির হাত চেপে ধরে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করছেন। অথচ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং তখন তাঁদের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং পরিচিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
স্টারমার বেশ কিছুক্ষণ অনুবাদকের হাত ধরে রাখেন। পরে যখন প্রেসিডেন্ট সামনে এগিয়ে আসেন, তখন বিভ্রান্তিতে পড়ে যান তিনি। পরে অবশ্য করমর্দন করেন দুই নেতা। কিন্তু তখনো তাঁরা ছবি তোলার জন্য কোথায় দাঁড়াবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়ে যান।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত এই বছর সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেয়।
এদিকে এক দিন আগেই সম্মেলনে আরেক বিব্রতকর ঘটনার মুখে পড়েন স্টারমার। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি নিউজ জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত থেকে কিছু বাণিজ্য-সংক্রান্ত কাগজ পড়ে গিয়েছিল। এ সময় সেগুলো কুড়িয়ে নেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি করে এগিয়ে যান স্টারমার এবং তিনি ট্রাম্পের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন।
এবারের ৫১তম জি৭ সম্মেলনের আলোচ্যসূচির মধ্যে ছিল ইউক্রেনকে সহায়তা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, নিষেধাজ্ঞা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জ্বালানি নিরাপত্তা।
সম্মেলনের একপর্যায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়াকে জি৮ থেকে বাদ দেওয়া বড় ভুল ছিল। তাঁর মতে, রাশিয়া সদস্য থাকলে ইউক্রেন যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হতে পারত।
রাশিয়ার ক্রেমলিন জানিয়েছে, জি৭ এখন আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা প্রতিফলিত করে না এবং এর গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে।
রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ ট্রাম্পের বক্তব্যকে স্বাগত জানান এবং তাঁর সম্মেলন ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘এই জোটের সদস্যরা বহু আগেই জোম্বির মতো হয়ে গেছে এবং জি৭ এখন একটি মৃত ক্লাব।’

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবেইল। তিনি এই যুদ্ধের আন্তর্জাতিক বৈধতা নিয়েও ‘সন্দেহ’ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানি এই সংঘাতের অংশ হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান প্রতিবেশীদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘খুব কঠিন’ হামলারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী দেশগুলোর দিক থেকে কোনো হুমকি না এলে ইরান আর তাদের ভূখণ্ডে হামলা করবে না—ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পরে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলে অবস্থানরত প্রত্যেক সংবাদকর্মী এবং সাধারণ নাগরিক বর্তমানে একটি কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ বা বিধিনিষেধের আওতাধীন। জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা রাখে এই সেন্সর কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন এই সময়ে কোনো লাইভ সম্প্রচার...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বিবৃতির পর এবার ইসলামিক রেভল্যুশানির গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিশ্চিত করল, তারা প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না। আইআরজিসি বলেছে, আমরা প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করি, তবে যদি আক্রমণ অব্যাহত থাকে তবে সমস্ত মার্কিন-ইসরায়েল ঘাঁটি এবং স্বার্থ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণ
১ ঘণ্টা আগে