
রাশিয়ার মুসলিম-অধ্যুষিত ককেশাস প্রজাতন্ত্রের দাগেস্তান বিমানবন্দরে গতকাল রোববার ইসরায়েল থেকে একটি ফ্লাইট আসার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইহুদিদের সন্ধানে বিক্ষুব্ধ জনতা বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
এ সময় ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ২০ জনের মধ্যে ১০ জন পুলিশ ও ১০ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মুসলিম-অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট জানিয়েছে, তেল আভিভ থেকে একটি বিমান এসেছিল। প্রচুর মানুষ ইহুদি-বিরোধী স্লোগান দিয়ে বিমানের দিকে ধেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিছু মানুষ ফিলিস্তিনি পতাকা নাড়ছেন।
ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, কিছু মানুষ টার্মিনালের দরজা ভেঙে রানওয়ে পর্যন্ত চলে যান। অন্যরা যে সব গাড়ি বিমানবন্দর থেকে বেরোচ্ছিল, সেগুলি চেক করতে শুরু করেন।
প্রচুর মানুষ বিমানবন্দরে ঢুকে যান। বিমানবন্দরটিকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিমানগুলোকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে সরকারিভাবে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। আইনরক্ষকেরা তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
ভিডিওতে একজন বিক্ষোভকারীকে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গেছে। সেখানে লেখা ছিল, ‘দাগেস্তানে শিশু হত্যাকারীদের কোনো স্থান নেই।’
এদিকে ফ্লাইট রাডার ওয়েবসাইট জানায়, তেল আবিব থেকে একটি রেড উইংস ফ্লাইট স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাখাচকালায় অবতরণ করবে।
তবে স্বাধীন রাশিয়ান মিডিয়া আউটলেট সোটা জানায়, এটি একটি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল। দুই ঘণ্টা পর মস্কোর উদ্দেশে যাত্রা করে।
এই ঘটনার পরেই রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে ইসরায়েল আবেদন জানিয়ে বলেছে, তারা যেন ইসরায়েলি ও ইহুদিদের নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবস্থা নেন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তাদের আশা দাঙ্গাকারী ও উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে রাশিয়া কড়া ব্যবস্থা নেবে। দাগেস্তানের গভর্নরও এই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রাশিয়ার মুসলিম-অধ্যুষিত ককেশাস প্রজাতন্ত্রের দাগেস্তান বিমানবন্দরে গতকাল রোববার ইসরায়েল থেকে একটি ফ্লাইট আসার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইহুদিদের সন্ধানে বিক্ষুব্ধ জনতা বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
এ সময় ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ২০ জনের মধ্যে ১০ জন পুলিশ ও ১০ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মুসলিম-অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট জানিয়েছে, তেল আভিভ থেকে একটি বিমান এসেছিল। প্রচুর মানুষ ইহুদি-বিরোধী স্লোগান দিয়ে বিমানের দিকে ধেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিছু মানুষ ফিলিস্তিনি পতাকা নাড়ছেন।
ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, কিছু মানুষ টার্মিনালের দরজা ভেঙে রানওয়ে পর্যন্ত চলে যান। অন্যরা যে সব গাড়ি বিমানবন্দর থেকে বেরোচ্ছিল, সেগুলি চেক করতে শুরু করেন।
প্রচুর মানুষ বিমানবন্দরে ঢুকে যান। বিমানবন্দরটিকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিমানগুলোকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে সরকারিভাবে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। আইনরক্ষকেরা তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
ভিডিওতে একজন বিক্ষোভকারীকে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গেছে। সেখানে লেখা ছিল, ‘দাগেস্তানে শিশু হত্যাকারীদের কোনো স্থান নেই।’
এদিকে ফ্লাইট রাডার ওয়েবসাইট জানায়, তেল আবিব থেকে একটি রেড উইংস ফ্লাইট স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাখাচকালায় অবতরণ করবে।
তবে স্বাধীন রাশিয়ান মিডিয়া আউটলেট সোটা জানায়, এটি একটি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল। দুই ঘণ্টা পর মস্কোর উদ্দেশে যাত্রা করে।
এই ঘটনার পরেই রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে ইসরায়েল আবেদন জানিয়ে বলেছে, তারা যেন ইসরায়েলি ও ইহুদিদের নিরাপদে রাখার জন্য ব্যবস্থা নেন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তাদের আশা দাঙ্গাকারী ও উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে রাশিয়া কড়া ব্যবস্থা নেবে। দাগেস্তানের গভর্নরও এই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ইরানে চলমান কঠোর দমন–পীড়নের মধ্যে দেশটি ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করছেন বহু ইরানি নাগরিক। বুধবার ইরান–তুরস্ক সীমান্তের কাপিকয় সীমান্ত ফটক দিয়ে ডজনখানেক ইরানি পরিবার ও ব্যক্তি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় ভান প্রদেশে প্রবেশ করেন।
৩ মিনিট আগে
মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
১৫ মিনিট আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
২২ মিনিট আগে
থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন ওভারহেড রেলপথের ক্রেন ভেঙে চলন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৬ জন। আহতদের মধ্যে এক বছরের একটি শিশু ও ৮৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধও রয়েছেন। আহত সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে