
রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর জন্য সম্পূর্ণভাবে রুশ সরকারকে দায়ী করেছে যুক্তরাজ্য। আর বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাতেই যুক্তরাজ্যে রুশ দূতাবাসের কূটনীতিকদের তলব করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকারের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন পুতিনের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সেই নাভালনি। সে প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, আর্কটিক পেনাল কলোনিতে নাভালনির মৃত্যুর ব্যাপারে স্বচ্ছভাবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।
এই মৃত্যুর ব্যাপারে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জবাবদিহি করতে হবে বলে মত দিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। গতকাল শুক্রবার মিউনিখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা এখানেই শেষ হওয়া উচিত নয়। আমাদের উচিত পুতিনকে এর জন্য জবাবদিহি করা। কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র রক্ষায় নাভালনি ছিলেন একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।’
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকও নাভালনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁকে ‘রুশ গণতন্ত্রের সবচেয়ে নির্ভীক সমর্থক’ বলে অভিহিত করেছেন।
মৃত্যুকালে নাভালনির বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন ২০০৮ সালে এবং ২০১১ সালে দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চ এফবিকে গঠন করেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক স্লোগান ছিল, ‘আগামীর বিস্ময় রাশিয়া।’
রাজনৈতিক জীবনে নাভালনি পুতিনের কট্টর বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে রাশিয়ার দুর্নীতি ও শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। রাশিয়ায় তিনি কয়েক যুগ ধরেই বিদ্যমান সরকার ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। দেশজুড়ে এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন চালিয়েছেন।
নাভালনি ২০১৭ সালে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়টি উন্মোচন করেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনও গড়ে তোলেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে নাভালনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয় ২০১৪ সালের একটি অভিযোগ সামনে এনে।
২০১৪ সালে দায়ের করা একটি অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রুশ এই নেতাকে ২০২১ সালের শুরুর দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে তাঁকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁকে আরও ৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২১ সালের আগস্টে চরমপন্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাভালনিকে আরও ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর জন্য সম্পূর্ণভাবে রুশ সরকারকে দায়ী করেছে যুক্তরাজ্য। আর বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাতেই যুক্তরাজ্যে রুশ দূতাবাসের কূটনীতিকদের তলব করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকারের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন পুতিনের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সেই নাভালনি। সে প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, আর্কটিক পেনাল কলোনিতে নাভালনির মৃত্যুর ব্যাপারে স্বচ্ছভাবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।
এই মৃত্যুর ব্যাপারে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জবাবদিহি করতে হবে বলে মত দিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। গতকাল শুক্রবার মিউনিখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা এখানেই শেষ হওয়া উচিত নয়। আমাদের উচিত পুতিনকে এর জন্য জবাবদিহি করা। কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র রক্ষায় নাভালনি ছিলেন একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।’
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকও নাভালনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁকে ‘রুশ গণতন্ত্রের সবচেয়ে নির্ভীক সমর্থক’ বলে অভিহিত করেছেন।
মৃত্যুকালে নাভালনির বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন ২০০৮ সালে এবং ২০১১ সালে দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চ এফবিকে গঠন করেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক স্লোগান ছিল, ‘আগামীর বিস্ময় রাশিয়া।’
রাজনৈতিক জীবনে নাভালনি পুতিনের কট্টর বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে রাশিয়ার দুর্নীতি ও শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। রাশিয়ায় তিনি কয়েক যুগ ধরেই বিদ্যমান সরকার ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। দেশজুড়ে এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন চালিয়েছেন।
নাভালনি ২০১৭ সালে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়টি উন্মোচন করেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনও গড়ে তোলেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে নাভালনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয় ২০১৪ সালের একটি অভিযোগ সামনে এনে।
২০১৪ সালে দায়ের করা একটি অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রুশ এই নেতাকে ২০২১ সালের শুরুর দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে তাঁকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁকে আরও ৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২১ সালের আগস্টে চরমপন্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাভালনিকে আরও ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারে প্রস্তুত ছিল রাশিয়া। বিনিময়ে চাওয়া ছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের ওপর থেকে সমর্থন সরিয়ে নিক। ঘটনা ২০১৯ সালের। সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। খবর এপির
৩৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির ওপর ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। একসঙ্গে, তেল বিক্রির সেই বিক্রলব্ধ অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হবে তা তারাই নির্ধারণ করবে। খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলা–জাজিরার। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে...
১ ঘণ্টা আগে
রেনেসাঁ যুগের মহাবিস্ময় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সঙ্গে যুক্ত একটি শিল্পকর্মে তাঁর ডিএনএ–এর সম্ভাব্য উপস্থিতির দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার ফল হিসেবে এই আবিষ্কারকে তাঁরা ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং
১১ ঘণ্টা আগে