
সুইডেনের ফ্রি স্কুল বা বিনা মূল্যের বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের ব্যবস্থাকে ব্যর্থ ঘোষণা করলেন সুইডেনের বিদ্যালয়বিষয়ক মন্ত্রী লোটা এডহম। সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি খাতে পরিচালিত ‘ফ্রি স্কুলের’ মডেল ব্যর্থ হওয়ায় ৩০ বছরের মধ্যে দেশটি সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেল বলে দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইডেনের এই মডেলের স্কুল যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসা পেয়েছিল। এই মডেলের আদলে ডেভিড ক্যামেরনের সরকারের অধীনে যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষাসচিব মাইকেল গোভ শত শত ফ্রি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই মডেল সুইডেনে ভীষণভাবে সমালোচিত হচ্ছিল। এই শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য হচ্ছে বলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। এই অসন্তোষে দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের হাওয়াও জোরালো হয়।
সুইডেনের মন্ত্রী বলেছেন, কতগুলো স্কুল এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তার সংখ্যা তিনি জানেন না। তবে সমস্যাটি সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছে। অনেকগুলো বিদ্যালয় এই সমস্যায় থাকাটাই বড় কথা নয়। কথা হচ্ছে, এই ব্যবস্থার কারণে সবকিছুই ব্যর্থ হচ্ছে।
সুইডেনে শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সভেরিগেজ লারারের প্রকাশিত গত জুন মাসের এক প্রতিবেদনে এই মডেলের নেতিবাচক কিছু দিক তুলে ধরা হয়। মডেলটির অধীনে বিদ্যালয়গুলোকে বাজার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের মনে করা হয় সেই বাজারের ক্রেতা। তারা এই মডেল বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বলেছে, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই কোম্পানিগুলো কোনো টেকসই ব্যবস্থা হতে পারে না।
গত বছর নিযুক্ত সুইডেনের বিদ্যালয়বিষয়ক মন্ত্রী লোটা এডহম এ বিষয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছেন। তিনি বলেছেন, সংস্কারের জন্য পরিকল্পনাটি পর্যালোচনা করা হবে। তিনি বলেন, মুনাফার কাছে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বিনা মূল্যের যে বিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন সময়ে নীতি মেনে চলেনি, তাদের জরিমানা করার পরিকল্পনার কথাও জানান লোটা এডহম।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র প্রচুর অর্থ ব্যয় করবে, আর আপনি আপনার ব্যবসার উন্নতি করবেন এবং একই সঙ্গে সেই অর্থের একটি অংশ লাভ হিসেবে আবার আপনার কাছেই যায়—এটা হতে পারে না, আমরা এটা বন্ধ করব।’
সুইডেনের এই ফ্রি স্কুল মডেল ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে শিক্ষাব্যবস্থার সুখ্যাতির কথা শুনে সন্তানকে নিয়ে সুইডেন যান অ্যান্ডি ক্রাইজা। লস অ্যাঞ্জেলেসের চেয়ে সুইডেনের বিদ্যালয়ের খরচ অনেকটা কম এবং শিক্ষার মান ভালো এমনটি শুনেই তিনি গিয়েছিলেন। খরচ কম হলেও দেখা যায়, সুইডেনের বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম যেন অনেকটাই মন্থর। অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষকেরা অপেক্ষা করে থাকেন বলে অন্যদের অগ্রগতি থেমে থাকে।
ক্রাইজার সন্তান সেখানে নাচ-গান শিখেছে, আকাশে উড়ন্ত পাখি দেখেই চিনে ফেলেছে; কিন্তু ভুলে গেছে গণিত ও বিজ্ঞান। এ ব্যাপারে ক্রাইজা এক শিক্ষককে জানালে সেই শিক্ষক জবাব দেন, সুইডেনে এভাবেই শেখানো হয়। আরও বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে চলে যাওয়াই ভালো—এমনটি ভেবে ‘বিশ্বমানের শিক্ষার’ হাতছানি উপেক্ষা করে সন্তানকে নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরে গেছেন অ্যান্ডি ক্রাইজা।

সুইডেনের ফ্রি স্কুল বা বিনা মূল্যের বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের ব্যবস্থাকে ব্যর্থ ঘোষণা করলেন সুইডেনের বিদ্যালয়বিষয়ক মন্ত্রী লোটা এডহম। সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি খাতে পরিচালিত ‘ফ্রি স্কুলের’ মডেল ব্যর্থ হওয়ায় ৩০ বছরের মধ্যে দেশটি সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেল বলে দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইডেনের এই মডেলের স্কুল যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসা পেয়েছিল। এই মডেলের আদলে ডেভিড ক্যামেরনের সরকারের অধীনে যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষাসচিব মাইকেল গোভ শত শত ফ্রি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই মডেল সুইডেনে ভীষণভাবে সমালোচিত হচ্ছিল। এই শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য হচ্ছে বলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। এই অসন্তোষে দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের হাওয়াও জোরালো হয়।
সুইডেনের মন্ত্রী বলেছেন, কতগুলো স্কুল এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তার সংখ্যা তিনি জানেন না। তবে সমস্যাটি সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছে। অনেকগুলো বিদ্যালয় এই সমস্যায় থাকাটাই বড় কথা নয়। কথা হচ্ছে, এই ব্যবস্থার কারণে সবকিছুই ব্যর্থ হচ্ছে।
সুইডেনে শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সভেরিগেজ লারারের প্রকাশিত গত জুন মাসের এক প্রতিবেদনে এই মডেলের নেতিবাচক কিছু দিক তুলে ধরা হয়। মডেলটির অধীনে বিদ্যালয়গুলোকে বাজার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের মনে করা হয় সেই বাজারের ক্রেতা। তারা এই মডেল বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বলেছে, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই কোম্পানিগুলো কোনো টেকসই ব্যবস্থা হতে পারে না।
গত বছর নিযুক্ত সুইডেনের বিদ্যালয়বিষয়ক মন্ত্রী লোটা এডহম এ বিষয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছেন। তিনি বলেছেন, সংস্কারের জন্য পরিকল্পনাটি পর্যালোচনা করা হবে। তিনি বলেন, মুনাফার কাছে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বিনা মূল্যের যে বিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন সময়ে নীতি মেনে চলেনি, তাদের জরিমানা করার পরিকল্পনার কথাও জানান লোটা এডহম।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র প্রচুর অর্থ ব্যয় করবে, আর আপনি আপনার ব্যবসার উন্নতি করবেন এবং একই সঙ্গে সেই অর্থের একটি অংশ লাভ হিসেবে আবার আপনার কাছেই যায়—এটা হতে পারে না, আমরা এটা বন্ধ করব।’
সুইডেনের এই ফ্রি স্কুল মডেল ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে শিক্ষাব্যবস্থার সুখ্যাতির কথা শুনে সন্তানকে নিয়ে সুইডেন যান অ্যান্ডি ক্রাইজা। লস অ্যাঞ্জেলেসের চেয়ে সুইডেনের বিদ্যালয়ের খরচ অনেকটা কম এবং শিক্ষার মান ভালো এমনটি শুনেই তিনি গিয়েছিলেন। খরচ কম হলেও দেখা যায়, সুইডেনের বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম যেন অনেকটাই মন্থর। অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষকেরা অপেক্ষা করে থাকেন বলে অন্যদের অগ্রগতি থেমে থাকে।
ক্রাইজার সন্তান সেখানে নাচ-গান শিখেছে, আকাশে উড়ন্ত পাখি দেখেই চিনে ফেলেছে; কিন্তু ভুলে গেছে গণিত ও বিজ্ঞান। এ ব্যাপারে ক্রাইজা এক শিক্ষককে জানালে সেই শিক্ষক জবাব দেন, সুইডেনে এভাবেই শেখানো হয়। আরও বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে চলে যাওয়াই ভালো—এমনটি ভেবে ‘বিশ্বমানের শিক্ষার’ হাতছানি উপেক্ষা করে সন্তানকে নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরে গেছেন অ্যান্ডি ক্রাইজা।

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর ইসরায়ে
১০ মিনিট আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
৩৬ মিনিট আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১০ ঘণ্টা আগে
ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ড এলাকা দখল নিতে আবারও হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ড দখল না নিয়ে তাঁর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারাও বলেছেন, ট্রাম্পের হুমকি এবং শুল্কের চাপে ফেলে তাঁদের পিছু হটানো যাবে না। গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে তাঁরা
১১ ঘণ্টা আগে