
রুশ মায়েদের প্রতি তাঁদের ছেলেদের ইউক্রেনে যুদ্ধে পাঠানো থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি রুশ মায়েদের প্রতি এই আহ্বান জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত ওই ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি রাশিয়ান মায়েদের, বিশেষ করে যাদের সন্তান রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে চাকরিরত তাঁদের কাছে আবারও বলতে চাই, আপনাদের সন্তানদের বিদেশে যুদ্ধে পাঠাবেন না।’
জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আপনার ছেলে কোথায় আছে তা ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখুন। যদি আপনার সামান্য সন্দেহও হয় যে—আপনার ছেলেকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে তাহলে অবিলম্বে তাঁদের সেই কাজ থেকে বিরত করুন। যাতে তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রে হত্যা বা বন্দী করা না হয়।’
জেলেনস্কি তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘ইউক্রেন কখনই এই ভয়াবহ যুদ্ধ চায়নি, ভবিষ্যতেও চায় না। তবে আমরা অবশ্যই আত্মরক্ষায় যা করা প্রয়োজন তা অবশ্যই করব।
এ দিকে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে আটক ইউক্রেনের শহর মেলিতোপোলের মেয়রের মুক্তি চেয়েছেন দেশির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক ভিডিও বার্তায় তিনি রুশ সশস্ত্রবাহিনীর হাতে আটক মেলিতোপোলের মেয়র ইভান ফেদোরভকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘গতকাল দখলদাররা মেলিতোপোলের মেয়রকে অপহরণ করেছে। ইউক্রেনের জনগণ তাঁর মুক্তি দাবি করছে। আমাদের দাবি খুবই সহজ, অবিলম্বে তাঁর মুক্তি চাই।’
ফেদোরভের আটকের পরপরই রাশিয়া সমর্থিত স্ব-ঘোষিত স্বাধীন অঞ্চল লুহানস্কের আঞ্চলিক কৌঁসুলি দাবি করেন, ‘মেলিতোপোলের মেয়র ফৌজদারি অপরাধ করেছেন এবং তাঁর অপরাধের তদন্ত চলছে।’

রুশ মায়েদের প্রতি তাঁদের ছেলেদের ইউক্রেনে যুদ্ধে পাঠানো থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি রুশ মায়েদের প্রতি এই আহ্বান জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত ওই ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি রাশিয়ান মায়েদের, বিশেষ করে যাদের সন্তান রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে চাকরিরত তাঁদের কাছে আবারও বলতে চাই, আপনাদের সন্তানদের বিদেশে যুদ্ধে পাঠাবেন না।’
জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আপনার ছেলে কোথায় আছে তা ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখুন। যদি আপনার সামান্য সন্দেহও হয় যে—আপনার ছেলেকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে তাহলে অবিলম্বে তাঁদের সেই কাজ থেকে বিরত করুন। যাতে তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রে হত্যা বা বন্দী করা না হয়।’
জেলেনস্কি তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘ইউক্রেন কখনই এই ভয়াবহ যুদ্ধ চায়নি, ভবিষ্যতেও চায় না। তবে আমরা অবশ্যই আত্মরক্ষায় যা করা প্রয়োজন তা অবশ্যই করব।
এ দিকে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে আটক ইউক্রেনের শহর মেলিতোপোলের মেয়রের মুক্তি চেয়েছেন দেশির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক ভিডিও বার্তায় তিনি রুশ সশস্ত্রবাহিনীর হাতে আটক মেলিতোপোলের মেয়র ইভান ফেদোরভকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘গতকাল দখলদাররা মেলিতোপোলের মেয়রকে অপহরণ করেছে। ইউক্রেনের জনগণ তাঁর মুক্তি দাবি করছে। আমাদের দাবি খুবই সহজ, অবিলম্বে তাঁর মুক্তি চাই।’
ফেদোরভের আটকের পরপরই রাশিয়া সমর্থিত স্ব-ঘোষিত স্বাধীন অঞ্চল লুহানস্কের আঞ্চলিক কৌঁসুলি দাবি করেন, ‘মেলিতোপোলের মেয়র ফৌজদারি অপরাধ করেছেন এবং তাঁর অপরাধের তদন্ত চলছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১০ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৩৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে